চাঁদপুর, শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ১৩ মাঘ ১৪২৯, ৪ রজব ১৪৪৪  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সরস্বতী পুজা উদযাপন
  •   চাঁদপুর শহরে বেড়েই চলছে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
  •   চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতিতে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয়
  •   চাঁদপুর সেন্ট্রাল ইনার হুইল ক্লাবের গৌরবের যুগপূর্তি অনুষ্ঠান
  •   হয়রানির আরেক নাম প্রি-পেইড বিদ্যুৎ মিটার

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০

করোনার প্রথম ডোজ টিকা পেলো চাঁদপুরের ৫-১১ বছরের শিশুরা
মিজানুর রহমান ॥

করোনার প্রথম ডোজ টিকা পেলো চাঁদপুরের ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুরা। ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর জেলা শহরস্থ হাজীগঞ্জ পৌর এলাকা এবং সকল উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম ডোজ টিকা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে জেলায় একযোগে এ কর্মসূচি শুরু হয়। স্কুলে এসে যেসব শিশু কোভিড প্রতিরোধক টিকার প্রথম ডোজ নিতে পারেনি, তাদের পরের দিন টিকা দেয়া হবে।

এদিন চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের খলিশাডুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিশুকে কোভিড-১৯-এর টিকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ সাহাদাৎ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ বেলায়েত হোসেন এবং উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ মানছুর আহমেদ।

এছাড়া চাঁদপুর পৌর এলাকার শিশু টিকা কার্যক্রম হাসান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে উদ্বোধন করা হয়। সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ সাহাদাৎ হোসেন জানান, চাঁদপুর ও হাজীগঞ্জ পৌর এলাকাসহ জেলার আট উপজেলায় মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার শিশু শিক্ষার্থীকে কোভিড প্রতিরোধক টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কওমি মাদ্রাসার জন্যে ভবিষ্যতে এই পরিমাণ আরো বাড়বে। প্রথম দিন ২০-২১টি স্কুলে টিকা কার্যক্রম ভালোভাবেই শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের দেয়া হচ্ছে তাদের জন্যে বিশেষভাবে তৈরি ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা। মঙ্গলবার ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া প্রথম ডোজ প্রদান চলবে ১৩ দিন। এরপর ৫৬ দিন পর এসব শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ টিকা। চাঁদপুর জেলার সকল শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে বলে জানান সিভিল সার্জন।

এদিকে, করোনা প্রতিরোধক এই টিকা নিতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা। তবে টিকা নিতে আসা অনেক শিশু ভয়ে পেয়ে কান্নাকাটি করলেও অভিভাবক ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় তাদেরকেও টিকা দেয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়