চাঁদপুর, সোমবার, ৮ আগস্ট ২০২২, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯, ৯ মহররম ১৪৪৪  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুরে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ
  •   গলায় ফাঁস লাগিয়ে কিশোরের আত্মহত্যা
  •   জমি খারিজের নামে হাতিয়ে নিলেন বিপুল পরিমাণ টাকা
  •   কিশোর গ্যাং গড়ে উঠার আগেই নির্মূল করতে হবে : মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম
  •   ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তঃ জেলা প্রতারকচক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২২, ০০:০০

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১০৫ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ও সংবর্ধনা

ফরিদগঞ্জ পৌরসভা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে : সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী

একজন মুক্তিযোদ্ধার হাতে পৌরসভার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, অবশ্যই তাঁর বিশেষ দৃষ্টি থাকবে : যুগ্ম সচিব হাবিবুর রহমান ॥ সুধী সমাবেশে প্রকাশ্যে বাজেট ঘোষণা করে মেয়র স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার নিদর্শন দেখালেন : জেলা প্রশাসক

ফরিদগঞ্জ পৌরসভা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে : সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী
প্রবীর চক্রবর্তী ॥

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) দুপুরে পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী একশ’ পাঁচ কোটি চৌত্রিশ লাখ ছিয়াত্তর হাজার একত্রিশ টাকার বাজেট ঘোষণা করেন। বাজেটে সর্বমোট আয় ধরা হয়েছে একশ’ পাঁচ কোটি চৌত্রিশ লাখ ছিয়াত্তর হাজার একত্রিশ টাকা আর ব্যয় ধরা হয়েছে একশ’ চার কোটি তেরো লাখ একষট্টি হাজার ছয়শ’ একানব্বই টাকা। সমাপ্তি জের বা উদ্বৃত্ত ধরা হয়েছে এক কোটি একুশ লাখ চৌদ্দ হাজার তিনশ’ চল্লিশ টাকা। এর আগে বিগত অর্থবছরে ২২ কোটি ২০ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিলো। এবারের বাজেটে সড়কসহ অবকাঠামো উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ ৪০,১৫,০০,০০০ টাকা রাখা হয়ছে। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ জলাবদ্ধতা রোধে ৩০,৩৪,০০,০০০ টাকা রাখা হয়েছে।

বিগত বছরের তুলনায় ৫ গুণ বেশি বাজেট ঘোষণার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পৌর মেয়র বলেন, আমি আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করেছি। বাংলাদেশের ৩৩০টি পৌরসভার মধ্যে ৩৭টি পৌরসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেগা প্রকল্প (টএওওচণ্ড৩) গ্রহণ করা হয়েছে। তন্মধ্যে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাও অন্তর্ভুক্ত। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের জনগণের বিভিন্ন ধরনের অবকাঠামোগত দুর্ভোগ লাঘবের জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সুনির্দিষ্ট জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রেরণ করা হয়। আশা করছি, প্রকল্পগুলো অনুমোদন হলে পৌরবাসীর সমস্যাদি অনেকাংশে লাঘব হবে।

বাজেট বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে অদ্যাবধি পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছোট-বড় প্রকল্প মিলে সর্বমোট তিন কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকার কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে যেসব প্রকল্পের কাজ চলমান, তা যথাসময়ে সম্পন্ন করার জন্যে ঠিকাদারদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ফরিদগঞ্জ কাঁচা বাজারের রাস্তার কাজ শেষ এবং বাজারে ড্রেনের কাজ শেষ হয়েছে। কাঁচা বাজার ও কেরোয়া অভিমুখী রাস্তার দু পাশে সরকারি জায়গায় দখলকৃত দোকানের অংশ ভেঙ্গে রাস্তা চওড়া করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)-এর অধীনে পাঁচ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সেই আলোকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাজ চলমান আছে। পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা, কালভার্ট, গাইডওয়াল, ড্রেন নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্যে আগামী অর্থবছরে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার পানি সরবরাহ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে এবং পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পানির লাইনের সংযোগ দেয়া হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। অর্থ ছাড় হলে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা যাবে। এছাড়া চাঁদপুর জেলাধীন পৌরসভাগুলোর উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সেই আলোকে ২৭ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্যে তথ্যাদি প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করি তখন পৌরসভার ৭টি ব্যাংক হিসাবে এক লাখ আটষট্টি হাজার টাকা পাই এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বকেয়া ছিলো ৬ মাসের, যার পরিমাণ ছত্রিশ লাখ টাকা। ভবিষ্যৎ তহবিল ও আনুতোষিক তহবিলে বকেয়া ছিলো প্রায় এক কোটি পঞ্চাশ লাখ টাকা, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া ছিলো প্রায় আট লাখ টাকা, অন্যান্য বিল বকেয়া ছিল পাঁচ লাখ টাকা ও ঠিকাদারদের বিল বকেয়া ছিলো প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা। আমি পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করে হালনাগাদ করেছি, ঠিকাদারদের অধিকাংশ বকেয়া বিল পরিশোধ করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ বিল এ পর্যন্ত সাত লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। পৌরবাসী এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ যদি আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন, তবে অবশ্যই ফরিদগঞ্জ পৌরসভা শুধু প্রথম শ্রেণি হিসেবে থাকবে না, বাংলাদেশের পৌরসভাগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা পৌরসভা হিসেবে রূপান্তরিত হবে।

বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ এবং ফরিদগঞ্জ পৌরসভা ‘খ’ শ্রেণি হতে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীকরণে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

সংবর্ধনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিনিয়র সচিব মাকছুুদুর রহমান পাটওয়ারী। তিনি বলেন, একসময় আমরা পরাধীন ছিলাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্ব আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি। পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প নিজেদের অর্থ দিয়ে তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু সামর্থ্য থাকলেই হবে না, প্রয়োজন সাহস এবং উদ্যোগ। জাতির পিতার আদর্শ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাহসী পদক্ষেপকে সাথে নিয়ে পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। ইতোমধ্যেই পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করেছেন। পৌরবাসী হিসেবে আপনাদের সহযোগিতা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে এখানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তবে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পৌরসভা হিসেবে রূপান্তরিত হবে। স্বাধীনতার সোনালি সন্তানরা যেভাবে দেশের স্বাধীনতা এনেছেন, তেমনি জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে নিয়ামক হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হবেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধার হাতে আপনাদের পৌরসভার গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই এই পৌরসভার উন্নয়ন এবং সর্বোচ্চ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি থাকবে। আমরা যারা সরকারের কর্মকর্তা তথা আপনাদের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি, তারা সর্বদা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবো। এছাড়া আমি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সন্তান হিসেবে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে আমার সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে। আমরা বিশ্বাস করি, পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারীর নেতৃত্বে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা আদর্শ পৌরসভায় পরিণত হবে।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। তিনি বলেন, একটি পৌরসভার উন্নয়নের জন্যে জনগণ এবং জনপ্রতিনিধিদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হয়। পৌরবাসী হিসেবে আপনারা হোল্ডিং ট্যাক্সসহ সকল কিছু নিয়মিত পরিশোধ করবেন। নিজেদেরে আঙ্গিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। আবার পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের সক্ষমতার সবটুকু দিয়ে পৌরসভার সেবায় নিজেদের নিয়োজত করবেন। তবেই একটি আদর্শ পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারী ইতিমধ্যেই তাঁর কর্মশক্তি দেখিয়েছেন। বাজেট বাস্তবায়ন এবং স্বচ্ছতা কাজের একটি বড় অংশ। আজকে সুধী সমাবেশের আয়োজন করে প্রকাশ্যে বাজেট ঘোষণা করে মেয়র স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার নিদর্শন দেখালেন। এক বছর পূর্বে যে পৌরসভাটি মাত্র ২২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিলো, একবছর পর ৫ গুণ বেশি বাজেট ঘোষণা করে তিনি তার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন। আশা করছি, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি এবং তাঁর পৌর পরিষদ দেশের উন্নয়নের যে গতিধারা বইছে, সেই ধারাবাহিকতায় ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ, বিপিএম (বার)। তিনি বলেন, ফরিদগঞ্জ পৌরবাসী খুবই গৌরাবান্বিত, কারণ তারা পৌরসভার অভিভাবক হিসেবে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটওয়ারীকে পেয়েছেন। তিনি পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করে উন্নয়নের গতিধারা বৃদ্ধি করেছেন। বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে রূপান্তর করা সম্ভব বলে বিশ্বাস করি। আজকের এ সুধী সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি এবং অতিথি হিসেবে যাঁরা এসেছেন সকলেই বিশ্বাস করি, এ পৌরসভাটি উন্নয়নের সূতিকাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এম.এ. ওয়াদুদ বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম। জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতা পেয়েছি। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে চলেছি। আজ এ সমাবেশে আমরা মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়েছি। এ শুভসময়ে আমরা চাই এখানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ যারা দেশের জন্যে কাজ করছেন তাঁরা একজন মুক্তিযোদ্ধার নেতৃত্বে চলা ফরিদগঞ্জ পৌরসভাটিকে আদর্শ ও উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন। আমার সহযোদ্ধা মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারী শুধু জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি একাধারে চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাই একজন আদর্শবান রাজনৈতিক নেতার হাতেই পৌরসভার উন্নয়নযাত্রা শুরু হবে-আজকের এ সমাবেশই তার প্রমাণ দেয়।

মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারীর সভাপ্রধানে পৌরসভা মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) জি. এস. তছলিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমুননেছা, থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদ হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সহিদ উল্যা তপাদার, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ নাজমুন নাহান অনি।

ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নূরুন্নবী নোমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কুন্তল কৃষ্ণনাথ, ফরিদগঞ্জ এ. আর. মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল আমিন কাজল, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, ফরিদগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাজহারুল ইসলাম মিরণ, প্যানেল মেয়র সেলিনা আক্তার যুথি, কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, জায়েদ হোসেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী দেলওয়ার হোসেন ও ক্যাশিয়ার গিয়াসউদ্দিন।

এর আগে আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংবর্ধিত অতিথি মেয়রকে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনা ক্রেস্ট প্রদান করেন। এছাড়া ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত মেয়র আবুল খায়ের পাটওয়ারীকে প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, পৌর সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব, ফরিদগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কমিটি, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, কলেজ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সংবর্ধনা প্রদান করেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়