চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১, ৭ বৈশাখ ১৪২৮, ৭ রমজান ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
ক্রীড়াকণ্ঠের সাথে আলাপচারিতায় ফিজিওথেরাপিস্ট রোটারিয়ান তানভীর আহমেদ
ক্রিকেটারদের ফিটনেসে ও জেলার ক্রীড়াঙ্গনের সাথে জড়িত সকলকেই সেবা দিতে চাই
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
২০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর জেলা শহরে শারীরিক চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে সকল স্থানেই এক নামে পরিচিতি রয়েছে। সামাজিক সেবার ক্ষেত্রে জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেই রয়েছে অবদান। ছোটকাল থেকেই বাবার আদর্শ নিয়ে সেবামূলক কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি পাড়ার বন্ধুদের নিয়ে স্কুলে পড়াবস্থায়ই সামাজিক কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়েন। নিজেও একজন ক্রিকেটার ছিলেন। খেলাধুলার সাথে জড়িত ছিলেন ছোটকাল থেকেই। আর সেই খেলাধুলার কারণেই তার এখন চিন্তা একটাই একজন ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে চাঁদপুর জেলার ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং জেলার ক্রীড়াঙ্গনের সাথে জড়িত সকলেরই সেবা করা। আর তিনি হলেন চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোডস্থ হেলথকেয়ার ফিজিওথেরাপি সেন্টারের চেয়ারম্যান রোটারিয়ান তানভীর আহমেদ মিয়া (আরিফ)। তার বাবার নাম মরহুম আলী আকবর মিঞা, যিনি ছিলেন চাঁদপুরের সুপরিচিত রুচি হোটেলের মালিক এবং চাঁদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রায় ১৫ বছরের সভাপতি। তানভীর ১৯৯৭ সালে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। পুরাণবাজার ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে ফিজিওথেরাপি নিয়ে পড়াশোনা করেন। তারপর সাইক ইনস্টিউটে বিপিটি নিয়ে পড়াশোনায় আছেন এখনও।



তানভীর ২০০০ সালে পত্রিকা দেখে এবং তার আমেরিকা প্রবাসী বোনের সাথে যোগাযোগ করে ফিজিথেরাপি নিয়ে পড়াশোনা করেন। তখন তার চিন্তা জাগে যে, দেশে স্পোর্টস অঙ্গনে তেমন বেশি ফিজিওথেরাপিস্ট নেই, তাই এ বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হন এবং ভালোভাবে সেটা শেষ করেন। তিনি চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোডে ২০০৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর হেলথকেয়ার ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করেন। তার পূর্ণ পরিচয় : রোটারিয়ান তানভীর আহমেদ, ডিপিটি (বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা), বিপিটি (কোর্স) এসআইএমটি, স্পোর্টস ফিজিও (বিআইএসএস) ক্লিনিক্যাল ফিজিওথেরাপিস্ট ট্রেইড ইন অর্থো এন্ড নিউরো ফিজিওথেরাপি, বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও স্পোর্টস ইনজুরি চিকিৎসা। তিনি কানাডিয়ান ফিজিশিয়ান ডাঃ কালপিটারসনের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডেও ফিজিশিয়ান দেবাশীষের কাছে। ফিজিশিয়ান হিসেবে অর্জন করেছেন প্রশিক্ষকদের কাছ থেকে বিভিন্ন সনদপত্র।



ক্রীড়াকণ্ঠের সাথে আলাপচারিতায় রোটারিয়ান তানভীর আহমেদ তুলে ধরেন ক্রীড়াঙ্গনের সাথে জড়িত হওয়া ও ফিজিওথেরাপির বিষয়ে বিভিন্ন কথা। তার বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো ক্রীড়াকণ্ঠের পাঠকদের জন্যে।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আস্সালামুআলাইকুম, কেমন আছেন?



তানভীর আহমেদ : ওয়ালাইকুম আস্সালাম। জ্বি করোনাকালীন এই সময়ে আল্লাহর রহমতে সকলের দোয়ায় এবং আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আপনি তো সেবামূলক কাজের জন্যে রোটারীর সাথে জড়িত রয়েছেন?



তানভীর আহমেদ : হ্যাঁ, আমি ছোটকাল থেকেই সেবামূলক কাজের সাথে জড়িত রয়েছি। আর বর্তমানে আমি চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ফিজিওথেরাপি বিষয়টি কী?



তানভীর আহমেদ : ফিজিও (শারীরিক) এবং থেরাপি (চিকিৎসা) শব্দ দুটি মিলে ফিজিওথেরাপি বা শারীরিক চিকিৎসা। ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম এবং অপরিহার্য শাখা। শুধু ওষুধ সব রোগের পরিপূর্ণ সুস্থতা দিতে পারে না। বিশেষ করে বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা থেকে যেসব রোগের সৃষ্টি হয়, তার পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভের উপায় ফিজিওথেরাপি।



ফিজিওথেরাপি হলো একটি আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে একজন ফিজিওথেরাপিস্ট রোগীর সব কথা শুনে-বুঝে, রোগীকে ভালোভাবে দেখে এবং প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগীর সঠিক রোগ, আঘাত বা অঙ্গ বিকৃতির ধরণ নির্ণয় করে রোগীকে বিভিন্ন ধরনের ফিজিক্যাল মেথড যেমন ম্যানুয়াল টেকনিক, তাপ ও ব্যায়ামের মাধ্যমে চিকিৎসা করে থাকে।



ফিজিও (শারীরিক) ও থেরাপি (চিকিৎসা) এ দুটি শব্দ থেকে এসেছে ফিজিওথেরাপি (চযুংরড়ঃযবৎধঢ়ু) শব্দটি। এটি একটি স্বতন্ত্র চিকিৎসা ব্যবস্থা, যেখানে শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে স্বাস্থসেবা প্রদান করা হয়। এ পদ্ধতির চিকিৎসকরা ফিজিওথেরাপিস্ট নামে পরিচিত।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ফিজিওথেরাপি কী জন্যে প্রয়োজন হতে পারে?



তানভীর আহমেদ : বিভিন্ন শারীরিক অক্ষমতার জন্য ফিজিওথেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। যেমন : স্পাইনাল কর্ড বা জয়েন্টের রোগ, ঘাড় ও পিঠের ব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা, মার্সেল স্পাজম, নার্ভের সমস্যা, সেরিব্রাল পালসি, শিশুদের অঙ্গ প্রতিবন্ধকতা, শ্বাসকষ্ট ও স্ট্রোক।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ফিজিওফেরাপিতে কী ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়?



তানভীর আহমেদ : এখানে রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা আলাদা আলাদা দেয়া হয়। যেমন : ম্যানুয়াল, থেরাপি, মোবিলাইজেশন, মুভমেন্ট উইথ মোবিলাইজেশন, থেরাপিউটিক এঙ্ারসাইজ, ইনফিলট্রেশন বা জয়েন্ট ইনজেকশন, পোশ্চারাল এডুকেশন, আরগোনমিক্যাল কনসালটেন্সি, হাইড্রোথেরাপি, ইলেকট্রোথেরাপি, লেজার থেরাপি, ম্যানুপুলেশন থেরাপি ইত্যাদি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : স্পোর্টস ইনজুরিতে ফিজিওথেরাপির কী চিকিৎসা?



তানভীর আহমেদ : সড়ক দুর্ঘটনা, শারীরিক প্রতিবন্ধিতা, বিকলাঙ্গতা, পক্ষাঘাত ও বড় কোনো অস্ত্রোপচারের পর রোগীর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের বাত, ব্যথা, ঘাড়, কাঁধ, পিঠ, কোমর ও হাঁটুর ব্যথায় এবং স্পোর্টস ইনজুরিতে ফিজিওথেরাপি বিশ্বব্যাপী একটি স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ফিজিওথেরাপির সূচনা ও বাংলাদেশে এর ব্যাপ্তি ?



তানভীর আহমেদ : বিভিন্ন ফিজিশিয়ান এবং বিভিন্ন টেকনিসিয়ান ও শিক্ষকদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা সাম্প্রতিক কোনো চিকিৎসা ব্যবস্থা নয়। হিপোক্রেটাস সেই প্রাচীন গ্রিসে ম্যাসেজ ও ম্যানুয়াল থেরাপি দ্বারা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার পরিচয় করিয়েছিলেন। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬০ সালে হেক্টর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার একটি শাখা ব্যবহার করতেন, যাকে বর্তমানে হাইড্রোথেরাপি বলা হয়। যতটুকু জানা যায়, ১৮৯৪ সালে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার বর্তমান ধারা অর্থাৎ ম্যানুয়াল থেরাপি, ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি, এঙ্ারসাইজ থেরাপি, হাইড্রোথেরাপি, ইলেক্ট্রোথেরাপি ইত্যাদি প্রবর্তন করা হয়। নিউজিল্যান্ডে ১৯১৩ এবং আমেরিকাতে ১৯১৪ সালে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা শুরু হয়।



বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপির যাত্রা অনেকদিন পরে। বিশদভাবে ও একাডেমিকভাবে ১৯৭২ সালে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য বিদেশি ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা স্বাধীন বাংলাদেশে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার সূচনা হয়। এরপরে ফিজিওথেরাপির ব্যবহার এ দেশে উত্তরোত্তর বাড়তেই থাকে। এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা অনুষদের অধীনে স্নাতক ডিগ্রি চালু করা হয়। বর্তমানে নিটোর, সিআরপি, পিপলস্ ইউনিভার্সিটি, গণবিশ্ববিদ্যালয়, স্টেট কলেজ অব হেলথ সায়েন্সসহ বেশ কয়েকটি ইন্সটিটিউটে ফিজিওথেরাপি গ্রাজুয়েশন কোর্স চালু রয়েছে।



ক্রীড়াকণ্ঠ : এ দেশের মানুষ কি ফিজিওথেরাপির ওপর নির্ভরশীল?



তানভীর আহমেদ : বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা না থাকায় শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা পায় না এবং অপচিকিৎসার শিকার হন।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা কী?



তানভীর আহমেদ : আমরা যত আধুনিক প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে চলছি তত বেশি পরিমাণ স্বাস্থ্যগত সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছি। দেখা গেছে শরীরের বিভিন্ন রোগ শুধু ওষুধ দিয়ে নিরাময় করা সম্ভব হয় না। বিশেষ করে যেসব রোগের উৎস বিভিন্ন মেকানিক্যাল সমস্যা, সেসব ক্ষেত্রে ওষুধের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে কম। যেমন-বাত, কোমর ব্যথা, ঘাড়ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, আঘাতজনিত ব্যথা, হাড় ক্ষয়জনিত রোগ, জয়েন্ট শক্ত হয়ে যাওয়া, স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মুখ বেঁকে যাওয়া, সেরিব্রাল পালসি, স্পোর্টস ইনজুরি ইত্যাদি। ফিজিওথেরাপি এই সব রোগ থেকে মানুষকে পুরোপুরি মুক্তি না দিতে পারলেও উপশম করে ও উন্নতি দেয়।



ক্রীড়াকণ্ঠ : চাঁদপুরের ক্রিকেটারদের সাথে জড়িত হলেন কিভাবে?



তানভীর আহমেদ : আমি সম্প্রতি চাঁদপুর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাবেক ক্রিকেটারদের খেলায় অংশ নেই। ওই খেলার পর থেকেই আমার অনুভূতি জাগে যে, আমিতো দীর্ঘদীন ফিজিও থেরাপি পেশার সাথে জড়িত। এখন এ জেলার ক্রিকেটারসহ জেলার ক্রীড়াঙ্গন এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাথে জড়িত সকলকেই ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে সেবা দিতে চাই। ইতিমধ্যে জেলার অনেক ক্রিকেটারকে ফিজিওতে অনেক সহযোগিতা করেছি। কিছুদিন আগে স্টেডিয়ামে চলমান ক্লেমন টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রত্যেকটি ম্যাচে মাঠে উপস্থিত থেকে ইনজুরি হওয়া খেলোয়াড়দের সেবা দিয়ে গেছি। আশা করি আমার এই সহযোগিতা সবসময়ই অব্যাহত থাকবে।



উল্লেখ্য, রোটারিয়ান তানভীর আহমেদ মিয়া ফ্যামিলি কেয়ার হাসপাতাল (প্রাঃ)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চাঁদপুর রুচি রেস্তোরাঁর স্বত্ব্বাধিকারী, চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির আজীবন সদস্য, চাঁদপুরস্থ ফরিদগঞ্জ ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য, আউটার বয়েজ ক্লাব চাঁদপুরের উপদেষ্টা এবং চাঁদপুর ৯৭/৯৯ ব্যাচের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং রয়েছেন।



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


২৩। আমি আমার বান্দার প্রতি যাহা অবতীর্ণ করিয়াছি তাহাতে তোমাদের কোন সন্দেহ থাকিলে তোমরা ইহার অনুরূপ কোন সূরা আনয়ন কর এবং তোমরা যদি সত্যবাদী হও তবে আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের সকল সাহায্যকারীকে আহ্বান কর।


 


 


 


সন্দেহ প্রবণতা থেকেই হিংসার উদ্রেক হয়।


_জেরমি টেলর।


 


 


পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৪,৮৫,৭৩,২৬৫
সুস্থ ৬,৬৬,৯২৭ ১২,৬৩,৬৯,২৯২
মৃত্যু ৭,৫১,৬৫৯ ৩১,৩৬,৩৮৫
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫১০৭
পুরোন সংখ্যা