চাঁদপুর, শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮, ৪ রমজান ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
লেখকের মুখোমুখি : জাহিদ নয়ন
রাষ্ট্র চাইলেই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে পারে না
১৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


জাহিদ নয়ন। মূলত কবি। মাঝে মাঝে গদ্যও লিখেন। তার কবিতা জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের অপেক্ষায়।



জাহিদ নয়ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনেও যুক্ত আছেন। সম্প্রতি তিনি কথা বলেছেন নিজের লেখালিখি ও চিন্তা বিষয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মুহাম্মদ ফরিদ হাসান।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : লেখালেখির জগতে কিভাবে এলেন?



জাহিদ নয়ন : শৈশবের শুরু থেকেই কবিতা ও ছড়ার প্রতি একটা বিশেষ দুর্বলতা বোধ করতাম। পাঠ্যবই কিংবা তার বাইরেও যে কোনো কবিতার লাইন, অন্ত্যমিল ও ব্যঞ্জনা কানে বাজলে মনের অজান্তেই আলোড়িত হতাম। স্কুল পাঠ্যবইয়ে যখন সুকুমার রায়, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত অথবা পলি্লকবি জসীমউদ্দীনের লেখা পড়তে শুরু করি তখন থেকেই বলা যায় কবিতার সাথে সখ্যতা।



 



ব্যক্তিগতভাবে লেখা শুরুর পেছনে একজন ব্যক্তির প্রভাব ছিলো ব্যাপকভাবে। পারিবারিক সূত্রে পরিচিত এক বড় ভাই ছিলেন যিনি একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। ভদ্রলোকের নাম নূরুল আলম। ১৯৯৮-১৯৯৯ সালের দিকে তিনি 'কিশলয়' নামে একটি অনিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতেন। মূলত কবিতার ছোট কাগজ হিসেবেই পত্রিকাটির পরিচিতি ছিলো। আমি তখন সবেমাত্র হাইস্কুলের দরজায় পা দিলাম। কবিতার কাগজ নিয়মিতই পড়া হতো। অন্যদিকে নূরুল আলম ভাইয়ের ব্যক্তিগত কবিতার ডায়েরি নিয়মিত পড়ার সুযোগ হয়েছিলো। তার লেখার প্রতি একটা মুগ্ধতা থেকেই নিজের ভেতর একটা কবিতা লেখার তাগিদ অনুভূত হতে থাকে। আমিও ছন্দে ছন্দে কিছু একটা লিখবো, আমিও কাগজে লেখা প্রকাশ করবো। এই তাগিদ থেকেই একটু একটু করে একটা কবিতা লিখে ফেললাম। মূলত সেখান থেকেই শুরু।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার লেখালেখির শুরুর দিকের কথা জানতে চাই।



জাহিদ নয়ন : আগেই বলেছি, কবিতার প্রতি ছোটবেলা থেকেই অনুভূতি কাজ করতো। কবি-সাহিত্যিকদের আমি জাদুকর মনে করতাম। আমি ভাবতাম, কোনো জাদুর বলে তারা কবিতা লিখেন অথবা ঈশ্বরের নির্দেশে অলৌকিকতায় সওয়ার হয়েই তারা কবিতার জন্ম দেন। ভাবতাম আমি কি পারবো কবিতা লিখতে? আমার লেখা কি কেউ পড়বে? ইত্যাদি ইত্যাদি...। সব ভাবনা বাতাসে উড়িয়ে দিয়ে একদিন কবিতা লিখতে বসে গেলাম। ক্লাস সিঙ্ েপড়ার সময় একটা কবিতা লিখে ফেললাম। কবিতার নাম ছিলো 'জন্মভূমি'। প্রথম দুই লাইন ছিলো এ রকম 'ও আমার জন্মভূমি/পরিপূর্ণতায় সুশোভিত আদি আবাসভূমি...'।



 



প্রথমেই লেখাটি আমার বাবাকে দেখাই। তিনি একবাক্যে বললেন, কবি জাহিদ সাহেব আপনি খুব ভালো লিখেছেন। কবিতাটি ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় চাঁদপুর থেকে প্রকাশিত 'নবীন প্রতিভা' নামক সাহিত্য ম্যাগাজিনে। এরপর ২০০৬ সালে দুটি জাতীয় দৈনিকে আমার আরও কয়েকটি লেখা ছাপা হয়। প্রথম যখন নিজের নাম পত্রিকার পাতায় দেখি সেই এক অন্যরকম অনুভূতি। স্কুলজীবনে লেখা প্রায় অর্ধশতাধিক কবিতা একটা পুরানো ডায়েরিতে এখনো সংরক্ষিত আছে। কাঁচা হাতের লেখা বলে ওগুলো কাউকে দেখাই না। থাকুক না ওরা ডায়েরির পাতার ভেতরেই!



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : বর্তমানে কি বিষয় নিয়ে লিখছেন?



জাহিদ নয়ন : বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে লিখছি না। কোনোদিন হয়তো একটা লেখা নিয়ে বসলাম, সমাপ্তি না টেনেই কেনো জানি উঠে যাই। আবার কোনো দিন রাত ৪টায় ঘুম ভেঙে গেলে হঠাৎ একটা কবিতার জন্ম হয়ে যায়। নাগরিক কোলাহল, জীবন ও জীবিকার টান কিংবা ব্যক্তিগত কাজের ভিড়ে কখনো কখনো লেখালেখিতে ভাটা পড়ে যায়। ব্যক্তি হিসেবে আমি চরম মাত্রায় অলসও বটে!



 



কবিতা ও প্রবন্ধ এই দুটো বিষয়েই সামান্য কিছু লেখালেখি বর্তমানে করছি। ইংরেজি সাহিত্য ও বাংলা সাহিত্যের তুলনামূলক পাঠের উপর কিছু কাজ হাতে আছে। আশা করি, শীঘ্রই আরও কিছু লিখবো।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : সমাজে একজন লেখক ঠিক কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে?



জাহিদ নয়ন : সাহিত্য একটি সৃজনশীল চিন্তন প্রক্রিয়ার ফসল। একজন সাহিত্যিক তার সমকালীন সমাজ ও সময়ের প্রতিবিম্ব। সাহিত্যিক তার চিন্তা ও ধ্যান-ধারণা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি, সমাজ ও মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারেন। তবে সেই সাহিত্যই মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে যা সমাজ চিন্তা, ইতিহাস ও সময়কে ধারণ করতে পারে। যেমনটা দেখি ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায় কিংবা হেনরি ডি রোজিওর ক্ষেত্রে। উল্লেখিত সাহিত্যিকগণ সাহিত্যচর্চাকে সমাজের চেতনা বোধ জাগ্রত করার ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন।



 



আবার দেশে দেশে ঐতিহাসিক বিপ্লবের অনুঘটক হিসেবেও সাহিত্যিকদের প্রভাব ছিলো লক্ষ্যণীয়। একজন সাহিত্যিক কেবল তখনই সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে যখন তার চিন্তা-চেতনা ও সাহিত্য রচনার অনুষঙ্গ হবে সমকালীন সমাজ, সময়ের প্রতিচ্ছবি এবং সর্বোপরি মানুষের কথা।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : রাষ্ট্র সাহিত্যের বিকাশে কী কী ভূমিকা নিতে পারে?



জাহিদ নয়ন : আপাতদৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও সাহিত্য দুটি ভিন্ন মেরুর বিষয়। প্লেটো তার আদর্শ রাষ্ট্রে কবির স্থান দিতে চাননি। তেমনিভাবে আধুনিক রাষ্ট্রেও সাহিত্যিক ও রাষ্ট্রযন্ত্রের মধ্যে একটা সুক্ষ্ম দূরত্ব লক্ষ্য করা যায়। সাহিত্যিকরা রাষ্ট্রের বিরোধী নন, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা সমালোচকের ভূমিকায় থাকেন।



 



রাষ্ট্র চাইলেই সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করতে পারে না। তেমনি ধ্বংসও করতে পারে না। নদীর গতিপথ যেমন পরিবর্তন করা যায় ঠিকই কিন্তু তার প্রবাহ রুখে দেয়া যায় না। প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে নদীটাই মরে যায়।



 



সাহিত্য নামক নদীর প্রাণ প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে রাষ্ট্র অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করলেই সাহিত্য বিকশিত হবে বলে মনে করি। এর জন্যে প্রয়োজন সাহিত্যিক ও রাষ্ট্রের মধ্যে চিন্তা ও আদর্শের আদান প্রদান। সহনশীলতা ও সম্মান প্রদর্শনের রীতিনীতি।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার লেখালেখি পরিবার-পরিজন কীভাবে দেখে?



জাহিদ নয়ন : পরিবারের বেশ কিছু সদস্য আমার লেখালেখি নিয়ে আগ্রহী। নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন আমার লেখার ব্যাপারে। কেউ কেউ নতুন নতুন বিষয়ে লেখার ব্যাপারে পরামর্শ ও উৎসাহ দিয়ে থাকেন সবসময়। বিশেষ করে, আমার বড় বোনের দুই ছেলে আমার লেখার ব্যাপারে বরাবরই দারুণ উৎসাহী। তাদের এ আগ্রহ আমাকে অনুপ্রাণিত করে সবসময়ই।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : করোনাকালে সাহিত্য চর্চায় কোনও প্রভাব পড়েছে?



জাহিদ নয়ন : করোনাকাল আমাদের জীবনে একটি দুঃসহ অভিজ্ঞতার জন্ম দিয়েছে। এমন একটা সময়ের মুখোমুখি হবো আমরা কেউই হয়তো চিন্তা করিনি। দীর্ঘ লকডাউনে মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত ছিলাম। চারদিকে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব; জনমানবহীন রাস্তাঘাট, অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বার্তা নিয়ে একেকটি দিন শুরু হতো। এমন বিষণ্নতার মাঝে সাহিত্য চর্চা খুব একটা সুখকর হয় না। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি বিষণ্নতাও অনেক মহৎ সাহিত্যের জন্ম দেয়। করোনাকালেও তাই একেবারেই থেমে ছিলাম না।



চাঁদপুর কণ্ঠ : এ পর্যন্ত আপনি যা লিখেছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় লেখা কোনটি?



জাহিদ নয়ন : আমার নিজের লেখা নিয়ে আমি কখনোই সন্তুষ্ট হতে পারিনি। তাই এ পর্যন্ত লেখার মধ্যে প্রিয় লেখা খুঁজে বের করা কঠিন। আবার যেহেতু লেখাগুলো আমি লিখেছি, তাই সব লেখাই আমার কাছে সন্তানতুল্য বলা যায়। একা একা জোছনা রাতে হাঁটতে বের হলে নিজের লেখা কয়েকটা লাইন প্রায়ই আওড়াই 'আমিও জোছনা দেখি/দেখি চাঁদের সুখ/বিধ্বস্ত আমার চোখে চোখ রাখে না/দূরের সুখী চাঁদ!'



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : বর্তমানে অপরাধ বাড়ছে। এর সঙ্গে সংস্কৃতির চর্চা না করার কতটুকু সম্পর্ক আছে বলে মনে করেন?



জাহিদ নয়ন : সংস্কৃতি চর্চা মানুষের সুকুমার বৃত্তির প্রকাশ ও বিকাশের প্রধান মাধ্যম। সমাজের অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির জন্যে অন্যতম কারন সংস্কৃতি চর্চা না করা। অন্নদাশঙ্কর রায়ের কোনো একটি লেখায় পড়েছিলাম, 'ফ্রান্সের শিশুরা রাস্তাঘাটে হাঁটতে হাঁটতে তাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি শিখে।' রাস্তায় রাস্তায় শিক্ষার অনুষঙ্গ ভরপুর। এভাবেই নিজেদের অজান্তেই তাদের মননশীলতার বিকাশ ঘটে।



 



আমাদের দেশের সংস্কৃতি চর্চা একটা নির্দিষ্ট শ্রেণির হাতে বন্দী। চলার পথে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহে সংস্কৃতির অনুষঙ্গ ছড়িয়ে দিতে হবে। তবেই এর চর্চা ও বিকাশ যথাযথ হবে। তাছাড়া আমরা যে সংস্কৃতি চর্চা করছি তা কতটুকু শুদ্ধ ও সুস্থ সংস্কৃতি তা নিয়েও ভাবতে হবে। শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চাকে ছড়িয়ে দিতে হবে তরুণদের মগজে। মগজে পরিবর্তন হলেই অপরাধ প্রবণতা কমবে, সমাজ পরিবর্তন হবে।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার বই পড়া সম্পর্কে জানতে চাই।



জাহিদ নয়ন : প্রতিদিন খাবার না খেলে যেমন আমরা বাঁচতে পারি না, তেমনি বই না পড়লেও মনে হয় আমার সত্তার মৃত্যু হয়ে যাচ্ছে। এজন্যে কোনো না কোনো বই একটু হলেও নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করি প্রতিদিন।



 



বই পড়া একসময় আমার কাছে আফিমের নেশার মতো ছিলো। উপন্যাস দিয়েই মূলত আমার বই পড়া শুরু। বর্তমানে ছোট গল্প আর রাজনৈতিক প্রবন্ধ জাতীয় বই বেশি পড়তে পছন্দ করি। তাছাড়া বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত কিছু অনুবাদ পড়ছি এখন।



 



চাঁদপুর কণ্ঠ : ভ্রমণ লেখকের জন্যে কতটুকু জরুরি? আপনি কোথায় কোথায় গিয়েছেন?



জাহিদ নয়ন : মানুষের তৃতীয় চক্ষু খোলার জন্যে ভ্রমণের বিকল্প নেই। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় পৃথিবীর সুন্দর সব জায়গা ভ্রমণ না করতে পারলে মানব জনমই বৃথা। একজন লেখকের মনোজগত ও চিন্তার পরিধি প্রসারে ভ্রমণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভ্রমণ ছাড়া একজন লেখকের অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ভা-ারে অনেকটাই শূন্যতা বিরাজ করে।



 



বাংলাদেশের প্রধান প্রধান পর্যটন জেলাসহ প্রায় ৩৫টি জেলায় আমি ভ্রমণ করেছি। কঙ্বাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, সিলেট, বাগেরহাট, বরিশাল, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। সুযোগ পেলে দেশে ও দেশের বাইরে আরও ভ্রমণ করার ইচ্ছে আছে।



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২০। বিদ্যুৎ চমক তাহাদের দৃষ্টিশক্তি প্রায় কাড়িয়া লয়। যখনই বিদ্যুতালোক তাহাদের সম্মুখে উদ্ভাসিত হয় তাহারা তখনই পথ চলিতে থাকে এবং যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় তখন তাহারা থমকিয়া দাঁড়ায়। আল্লাহ ইচ্ছা করিলে তাহাদের শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি হরণ করিতেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।


 


 


assets/data_files/web

রাষ্ট্রদূতেরা রাষ্ট্রের চক্ষু ও কর্ণস্বরূপ।


_গুই ফেরডিনি।


 


ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জানতে পারে না-এমন দানই সর্বোৎকৃষ্ট দান।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৪,৮৫,৭৩,২৬৫
সুস্থ ৬,৬৬,৯২৭ ১২,৬৩,৬৯,২৯২
মৃত্যু ৭,৫১,৬৫৯ ৩১,৩৬,৩৮৫
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৮৬৫১২
পুরোন সংখ্যা