চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  |   ৩৩ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জের শিশু আরাফ হত্যায় তিন আসামীর মৃত্যুদণ্ড
  •   কল্যাণপুর ইউপির জেলে চাল আত্মসাৎ, দুই গুদাম সিলগালা
  •   মা আর স্ত্রীকে বুঝিয়ে দেয়া হলো দুই ভাইয়ের লাশ
  •   বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভিম ধ্বসে ৩ ছাত্রী গুরুতর আহত
  •   আশিকাটিতে খাটের নিচে গৃহবধূর লাশ ॥ স্বামী পলাতক

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০

এতোটা সাহস ওরা পায় কোথায়?

এতোটা সাহস ওরা পায় কোথায়?
অনলাইন ডেস্ক

‘সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে লাখ টাকা নেয়ার অভিযোগ ॥ হুমকির মুখে শাহরাস্তির খিলাখাল সেচ প্রকল্প ॥ ৫০ হাজার কৃষক অনিশ্চিতায়’। এটি গতকাল দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত শীর্ষ সংবাদের ব্যানার হেডিং। সংবাদটির গর্ভে কী লেখা হয়েছে, সেটি জানার আগে হেডিংয়েই যেনো কুপোকাত পাঠক মহল। সেজন্যে অযুত প্রশ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে বাতাসে-দুর্নীতিবাজরা কৃষকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনিয়ম করার সাহস কোথায় খুঁজে পায়; দেশে কি দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যকারিতা হ্রাস পেয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি।

সংবাদটির গর্ভে লিখা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় শাহরাস্তি উপজেলার ডাকাতিয়া নদীকেন্দ্রিক খিলাখাল ভাসমান সেচ প্রকল্প হুমকির মুখে আছে। এটি যথাসময়ে চালু না হওয়ায় প্রায় দেড় হাজার হেক্টর কৃষিজমিতে সেচ সঙ্কট তৈরি হয়েছে। ফলে শাহরাস্তি, কচুয়া, বরুড়া, লাকসাম, মনোহরগঞ্জ উপজেলার ৫০ হাজার কৃষক আসন্ন বোরো মৌসুমে ধান রোপণ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে। এ নিয়ে কৃষকরা সেচ ম্যানেজারকে দায়ী করলেও প্রকল্প চালুতে বিএডিসি কর্মকর্তার অসহযোগিতা ও নগদ অর্থ দাবির কারণে পাম্প চালু হচ্ছে না।

চাঁদপুর জেলার সেচ প্রকল্পগুলোর মধ্যে খিলাখাল সেচ প্রকল্পটি একটি পুরানো ও আলোচিত সেচ প্রকল্প। এটি চালুর পেছনে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকার সাবেক এমপি (বর্তমানে মরহুম) এমএ মতিনের অনেক অবদান রয়েছে। পরবর্তীতে এটিকে টেকসই করার জন্যে বর্তমান এমপি শাহরাস্তির কৃতী সন্তান মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের কম-বেশি সহযোগিতা রয়েছে।

জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ১৯৯১ সালে চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি ও কচুয়া, কুমিল্লা জেলার বরুড়া, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার কিছু অংশের ১৮৫০ হেক্টর কৃষিজমিতে সেচের পানি সরবরাহের জন্যে শাহরাস্তি উপজেলার ডাকাতিয়া নদীতে চালু করে খিলাখাল ভাসমান সেচ প্রকল্প। আবাদী জমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় বর্তমানে ওই প্রকল্পের অধীনে ১৫০০ হেক্টর জমি রয়েছে। প্রতি বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সেচ প্রকল্পটি চালু হলেও চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রকল্পটি চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রকল্প-এলাকায় পানি সঙ্কটে বোরো চাষ নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝে নিপতিত হয়েছেন কৃষকরা।

খিলাখাল সেচ প্রকল্প চালুতে অপ্রত্যাশিত বিলম্ব নিয়ে চাঁদপুর কণ্ঠে শাহরাস্তি ব্যুরো ইনচার্জ মোঃ মঈনুল ইসলাম কাজল পরিবেশিত সংবাদটিতে জনৈক সহকারী প্রকৌশলীর রসিদ বিহীন টাকা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে বিএডিসির গড়িমসি ও দীর্ঘসূত্রিতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আমরা বিশ^াস করি, এ সংবাদটির আলোকে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপগ্রহণ করবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের হস্তক্ষেপও জরুরি বলে আমরা মনে করি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়