চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩  |   ৩৩ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   আজ সাবেক এমপি এমএ মতিনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী
  •   আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম
  •   আজ দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক কাজী বজলুল হকের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী
  •   অতিরিক্ত সচিব আব্দুস সবুর মন্ডলকে জনপ্রশাসনে বদলি
  •   আজ ড. এমএ সাত্তারের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২২, ২২:৪৪

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আটার রুটি কি উপকারী?

অনলাইন ডেস্ক
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আটার রুটি কি উপকারী?

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে খাবারের দিকে রাখতে হয় বিশেষ নজর। কারণ এ ধরনের রোগীদের খাবারে কোনো রকম অনিয়ম হলে তা ডেকে আনতে পারে আরও বড় ক্ষতি। খাবার খাওয়ায় সামান্য অবহেলা হলেও রক্তে শর্করার মাত্রা চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তখন সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এ কারণেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে বিশেষজ্ঞরা কিছু খাবারকে তালিকায় যুক্ত করতে বলেন, যেন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

খাবারের তালিকায় কিছু খাবার যোগ করার পাশাপাশি বিয়োগও করতে হয় কিছু খাবার। কিছু খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যেসব খাবারে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। ডায়াবেটিস হলে ভাতের বদলে আটার রুটি খেয়ে থাকেন অনেকে। কিন্তু ডায়াবেটিসে আটার রুটি কি সত্যিই উপকারী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটায় এমন কিছু পদার্থ থাকে যা ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে একদমই ভালো নয়। আটায় থাকা সেসব উপদান রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে আটার রুটি খাওয়ার অভ্যাস করা যাবে না। কারণ এটিও ডায়াবেটিসের জন্য ক্ষতিকর একটি খাবার।

আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তাহলে ঠান্ডা দুধ ও বাসি রুটি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দুধ-রুটি খেতে হলে দুধের ভেতর রুটি ভিজিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে এরপর খেতে হবে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে আটার রুটি খাওয়া চলবে না। ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা আটার রুটির বদলে চেষ্টা করুন ছোলার রুটি খেতে। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। ফলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিসও।

ছোলার রুটি কেন খাবেন? মূলত ছোলার আটায় এমন তন্তু জাতীয় পদার্থ থাকে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে কাজ করে। সেইসঙ্গে এটি রক্তে গ্লুকোজের শোষণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরও স্থির করে দেয়। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়