চাঁদপুর, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ১৭ মাঘ ১৪২৯, ৮ রজব ১৪৪৪  |   ২৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   আগামী নির্বাচনে অনেক চমক অপেক্ষা করছে
  •   ১৭ দিন পর করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ১০
  •   জাপানি দুই শিশু মায়ের জিম্মায় থাকবে
  •   হাজীগঞ্জের আমির হোসেনের প্রতারণার শিকার হয়ে সৌদি আরবে বহু প্রবাসী যুবক নিঃস্ব
  •   কোস্টগার্ডের অভিযানে ৪৪০ কেজি জাটকা মাছ জব্দ

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০০:০০

পশ্চিম সকদীর ইকবাল হোসেন খোকা হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ২ জন জেল হাজতে

৫ জন পলাতক ॥ জামিনে ২ জন ॥ ১ জন মারা গেছেন

পশ্চিম সকদীর ইকবাল হোসেন খোকা হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ২ জন জেল হাজতে
সোহাঈদ খান জিয়া ॥

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের পশ্চিম সকদী গ্রামে খোকা হত্যা মামলার চার্জশীট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুমন এই মামলার চার্জশীট আদালতে দাখিল করেন। ইকবাল হোসেন খোকা হত্যার ঘটনায় তার মেঝো ছেলে মোঃ সোহেল খান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ মামলার প্রধান আসামী দেলোয়ারের পিতা শহীদুল্লাহ ও স্ত্রী জোসনা বেগমকে ঢাকা থেকে আটক করে। বর্তমানে তারা জামিনে রয়েছে। আর মামলার প্রধান আসামী দেলোয়ার হোসেন দেলু কোর্টে স্যারেন্ডার দিতে গেলে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। বর্তমানে মামলার ২ জন আসামী জেল হাজতে রয়েছে। বাকি ৫ জন আসামী পলাতক রয়েছে। এদের মধ্যে আঃ রশিদ মারা যান।

আসামীরা হচ্ছে : মোঃ দেলোয়ার হোসেন দেলু, মোরসালিন, কামাল, খোকন, সুমন, শহীদুল্লাহ্, মামুন, শরীফ, আরিফ, আঃ রশিদ, বশির, সুরাইয়া ও জোস্না। এদের মধ্যে চার্জশীট থেকে বাদ দেওয়া হয় বশির, সুমন, আরিফ ও শরীফকে। বাকি ৫ আসামি পলাতক রয়েছে। এরা হচ্ছে : কামাল, খোকন, সুমন, মামুন ও সুরাইয়া। চার্জশীটভুক্ত আসামিদের মধ্যে আঃ রশিদ মারা যান।

উল্লেখ্য, ৩০ মে ২০২১ সন্ধ্যায় দু’পরিবারের সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে ইকবাল হোসেন খোকাকে তার দোকানের ভেতরে রেখে পেট্রোল দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। এতে খোকার পুরো শরীর ঝলসে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্যে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ দিন পর ৯ জুন ২০২১ তারিখে তিনি মারা যান। তার মেঝো ছেলে সোহেল খান বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

সোহেল খান বলেন, আমি আমার বাবার হত্যাকারীদের বিচার চাই। আর যেন কোন মানুষকে আমার বাবার মতো হত্যার শিকার হতে না হয়। হামলাকারীরা খারাপ লোক। এদের কঠিন বিচার হওয়া উচিত।

জামিনপ্রাপ্ত মামলার আসামী শহীদুল্লাহ্ খান বলেন, আদালত যে সিদ্ধান্ত দিবে সেটাই আমরা মেনে নিবো। আমরা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করিনি। সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, রোকেয়া বেগম ও শহীদুল্লাহ্ খান গংয়ের সাথে বহু পূর্ব থেকে সম্পত্তিগত বিরোধ চলে আসছে। সে বিরোধকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মাঝে মামলা চলে আসছে। তাদের দু’পরিবারের সম্পত্তিগত বিরোধের বলি হলেন ইকবাল হোসেন খোকা।

এলাকাবাসীর মতে, এ ঘটনার সাথে প্রকৃতপক্ষে যারা জড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা জরুরি। আর না হলে সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে আবারো হামলা মামলা ও নিহতের ঘটনা ঘটতে পারে।

একটি সূত্র জানায়, পূর্বেও সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে নিহত ইকবাল হোসেন খোকার পিতা রুস্তম খানকেও হত্যা করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় মামলা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়