চাঁদপুর, রোববার ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭, ২৭ শাবান ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
মহামারি দেখা দিলে যে কারণে ঘরে থাকতে বলেছেন বিশ্বনবি
১১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


করোনাসহ যে কোনো ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকতে ঘরে অবস্থান নিজের এবং অন্যের জন্য খুবই উপকারি। এতে নিজে যেমন সুস্থ ও নিরাপদ থাকবে তেমনি অন্যরাও সংক্রমণ হওয়া থেকে থাকবে নিরাপদ। দেড় হাজার বছর আগে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহামারির সময় ঘরে ও নিজ নিজ অঞ্চলে অবস্থানের কথা বলেছেন। এর বিশেষ ফজিলতও বর্ণনা করেছেন। ঘরে কিংবা নিজ অঞ্চলে থাকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী?



বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু খলিফা হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস শোনালেন। আর তাহলো-



'তোমরা যখন কোনো এলাকায় মহামারি (প্লেগের) বিস্তারের কথা শুনো, তখন সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোনো এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব নেমে আসে, আর তোমরা সেখানে থাকো, তাহলে সেখান থেকে বেরিয়ে (অন্য) কোথাও যেও না।' (বুখারি)



বর্তমান সময়ে মহামারি করোনা অযথা বাইরে ঘোরাঘুরির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তা মূলত হাদিসের নির্দেশনারই বহিঃপ্রকাশ। আর তাতে নিরাপদ থাকার সম্ভাবনাই বেশি।



পক্ষান্তরে যারা মহামারির সময় ঘরে কিংবা নিজ নিজ এলাকায় (কোয়ারেন্টাইন) অবস্থান করে, তাদের জন্যও রয়েছে সুসংবাদ। হাদিসের বিখ্যাত গ্রন্থ মুসনাদে আহমদ এর বর্ণনায় তা এভাবে ওঠে এসেছে-



রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'কোনো ব্যক্তি যদি মহামারি আক্রান্ত এলাকায় অবস্থান করে। আর নিজ বাড়িতে ধৈর্য সহকারে সাওয়াবের নিয়তে এ বিশ্বাস নিয়ে (ঘরে/কোয়ারেন্টাইনে) অবস্থান করে যে, আল্লাহ তাআলা তাকদিরে যা চূড়ান্ত করে রেখেছেন, তার বাইরে কোনো কিছু তাকে আক্রান্ত করবে না, তাহলে তার জন্য রয়েছে একজন শহিদের সমান সাওয়াব।' (মুসনাদে আহমদ)



বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রীয় আইন জারি করে প্রশাসনিকভাবে তা বাস্তবায়ন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যাতে মানুষ কোনোভাবেই ঘরের বাইরে না আসে। সুস্থ ও নিরাপদ থাকতে পারে। প্রশাসনের এ আইন বাস্তবায়ন হলে তা হবে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসেরই বাস্তবায়ন।



 



করোনাভাইরাসের এ সময়ে ঘর থেকে বের হয়ে নিজেদের ধ্বংসের মুখে ঠেলা দেয়া যেমন কোনো ঈমানদার ব্যক্তি কাজ হতে পারে না। তেমনি সচেতন সব মানুষের উচিত মহামারি করোনায় হাদিসের অনুসরণে নিজেদের পরিচালনা করা।



আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে মহামারি করোনার এ প্রাদুর্ভাবের সময়ে নিজ নিজ এলাকায় কোয়ারেন্টাইন তথা ঘরে অবস্থান করে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। মহামারি করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।



সূত্র : জাগো নিউজ।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


১৪। যখন তাহারা মু'মিনগণের সংস্পর্শে আসে তখন বলে, 'আমরা ঈমান আনিয়াছি, আর যখন তাহারা নিভৃতে তাহাদের শয়তানদের সহিত মিলিত হয় তখন বলে, 'আমরা তো তোমাদের সাথে রহিয়াছি; আমরা শুধু তাহাদের সহিত ঠাট্টা-তামাশা করিয়া থাকি।'


 


 


মা এবং মায়ের মুখের ভাষা দুটোর মূল্যই সমান।


-বেঞ্জামিন হ্যারিসন।


 


 


 


 


অত্যাচার কেয়ামতের দিনসমূহ অন্ধকারের কারণ হবে।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৪,৮৫,৭৩,২৬৫
সুস্থ ৬,৬৬,৯২৭ ১২,৬৩,৬৯,২৯২
মৃত্যু ৭,৫১,৬৫৯ ৩১,৩৬,৩৮৫
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৫৭৮৬
পুরোন সংখ্যা