চাঁদপুর, রবিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪  |   ২৩ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   ফরিদগঞ্জে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন মেধাবৃত্তি পরীক্ষা
  •   হাইমচরে রাতভর পাহারা দিয়েও রক্ষা হয়নি চরের মাটি
  •   বড়স্টেশন মেঘনায়  ট্রলারের ধাক্কায় নিঁখোজ জেলের লাশ পাঁচদিন পর উদ্ধার
  •   মতলব উত্তরে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় আহত তানভীরও চলে গেলো না ফেরার দেশে
  •   কাল হেলিকপ্টারে মতলব উত্তরে আসছেন ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২১, ১৪:৫০

ইউরোপে পাড়ির লক্ষ্যে ভূমধ্যসাগরে ভাসা অবস্থায় ২৬৪ বাংলাদেশি উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
ইউরোপে পাড়ির লক্ষ্যে ভূমধ্যসাগরে ভাসা অবস্থায় ২৬৪ বাংলাদেশি উদ্ধার
ছবি : সংগৃহিত

ইউরোপ পাড়ির লক্ষ্যে ভূমধ্যসাগর থেকে তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড ভাসা অবস্থায় ২৬৭ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে । উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি ২৬৪ জন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে অবৈধপথে ইউরোপে যাওয়ার সময় ২৪ জুন বৃহস্পতিবার তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

ভুমধ্যসাগরে ডিউটিরত অবস্থায় তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড বলছে, উদ্ধারকৃত অভিবাসীদের মধ্যে ২৬৪ জন বাংলাদেশি এবং ৩ জন মিসরীয় নাগরিক। তারা অবৈধভাবে ইউরোপে যাওয়ার সময় যে নৌকা করে যাচ্ছিল, সেই নৌকাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সাগরে ভাসছিল। পরে কোস্টগার্ড তাদেরকে উদ্ধার করে।

আইওএম জানায়, তিউনেসীয় নেীবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধারকৃতদের লিবিয়া সিমান্তের পাশে বেন গুয়ের্দেন বন্দরে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আইওএম উদ্ধারকৃতদের রেড ক্রিসেন্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়। রেডক্রিসেন্ট জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত অভিবাসীদের তিউনেসীয় জেরবা দ্বীপের একটি হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

আইওএম তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে তিউনেসিয়ায় এক হাজারেরও বেশি অভিবাসী আটক হয়েছেন এবং এ সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ১১ হাজারেরও বেশি অভিবাসী অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ করতে লিবিয়া থেকে রওয়ানা হয়েছিলেন। গত বছরের প্রথম ৪ মাসের তুলনায় যা ৭০ শতাংশেরও বেশি।

এদিকে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৬০ জন অভিবাসী মারা গেছেন। ২০২০ সালে এ সংখ্যাটি ছিল এক হাজার ৪০০ জন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়