মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর, ২০২২  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   নদীতে যৌথ অভিযান হবে এবং যথাযথ শক্তভাবে হবে : জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান
  •   শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সুস্থতা কামনায় মসজিদে দোয়া
  •   হাসপাতাল হলো ময়লার ভাগাড়
  •   মায়ের বুকে শিশুর মৃত্যু?
  •   পানিতে ডুবে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২২, ০৮:৩৫

কুনমিংয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক
কুনমিংয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কুনমিং চীনে ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। এ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে যথাযথ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয় । জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের শাহাদাতবরণকারী সদস্যগনসহ ১৫ আগষ্ট কালরাতে শাহাদাতবরনকারী সকল শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপ্রতি মোঃ আবদুল হামিদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, এমপি এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম, এমপি কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।

আলোচনা সভায় কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং মহান স্বাধীনতার রূপকার। বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির মুক্তি ও অধিকার আদায়ে পরিচালিত প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। বাঙালির অধিকারের প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোসহীন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁরই নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করি।ঘাতকচক্র জাতির পিতাকে হত্যা করলেও তাঁর নীতি ও আদর্শকে মুছে ফেলতে পারেনি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জাতির পিতার নাম প্রতিটি বাঙালির অন্তরে অক্ষয় হয়ে থাকবে। পরে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়