সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  |   ২১ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হুমকির মুখে ১৪ নং ওয়ার্ডের পরিবেশ
  •   চাঁদপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ ১ জন আটক
  •   উপজেলা প্রেসক্লাব হাইমচবের নির্বাচন তফসিল ঘোষণা
  •   ইতালি সরকার ৮০ হাজার শ্রমিক নেবে
  •   মোস্তাক হায়দার চৌধুরীর জানাজা সোমবার বাদ জোহর

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৬

প্রতি বছরই নিতে হবে করোনার টিকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রতি বছরই নিতে হবে করোনার টিকা

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সুস্থ থাকতে প্রতি বছরই করোনা টিকা নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ফাইজারের সহ-নির্মার্তা এবং বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উগুর শাহিন। বিশেষ করে যারা ফাইজারের টিকা নিচ্ছেন, তাদের প্রতি বছরই টিকা নিতে হতে পারে। স্থানীয় সময় রবিবার এক সাক্ষাতকারে উগুর শাহিন একথা বলেন বলে জানিয়েছে রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম আরটি। সাক্ষাতকারে উগুর শাহিন ফাইজারের বুস্টার ডোজের প্রশংসা করেন।

তুর্কী বংশোদ্ভূত মুসলিম জার্মান দম্পতি উগুর শাহিন ও ওজলেম তুরেসি ২০০৮ সালে নিজস্ব ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি বায়োএনটেক প্রতিষ্ঠা করেন। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জার্মানির এই প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ কোম্পানি ফাইজারের সঙ্গে মিলে ‘ফাইজার-বায়োএনটেক’ নামে করোনার প্রথম টিকা উদ্ভাবন করে। রবিবার জার্মান সংবাদপত্র বিল্ডকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বায়োএনটেকের সিইও বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে তাদের উদ্ভাবিত টিকাকে তিনি ‘খুবই কার্যকর’ বলে মনে করেন। করোনা টিকা নেয়ার পর অনেকে ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এমনকি ফাইজারের পূর্ণ ডোজ টিকা নেয়ার পরও অনেকের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা গেলেও উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়ে উগুর শাহিন বলেন, ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ঠেকাতে তাদের টিকা ৯০ শতাংশ কার্যকর। বায়োএনটেকের সিইও শাহিন বলেন, করোনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া ঠেকাতে ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা ৯ মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তবে টিকা নেয়ার চতুর্থ মাস থেকেই এর কার্যকারিতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। আর তাই করোনার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা নিশ্চিতে অত্যন্ত জোরালোভাবে তিনি বুস্টার ডোজের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তার ভাষায়, বুস্টার ডোজ মানবদেহে কেবল প্রতিরোধ ক্ষমতাই বৃদ্ধি করবে না, একইসঙ্গে এটি সংক্রমণের চেইনও ভাঙতে সহায়তা করে। আর তাই আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকার আওতায় আনতে চিকিৎসকদেরও যতটা সম্ভব বাস্তবিক হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। উগুর শাহিনের বিশ্বাস, করোনাভাইরাস থেকে নিরাপদে থাকতে ভবিষ্যতে মানুষকে বছরে একবার করে টিকার বুস্টার ডোজ নেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তার মতে, প্রাথমিকভাবে করোনা টিকার দুটি ডোজ যে পরিমাণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, বুস্টার ডোজে এর চেয়ে আরও দীর্ঘ সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়