বৃহস্পতি, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮  |   ১৮ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতি শিক্ষা স্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   মেয়র ও নৌ এসপিসহ বিশিষ্টজনদের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত
  •   জিয়াউর রহমানের ৮৬তম জন্মবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির মিলাদ ও দোয়া
  •   বুধবার চাঁদপুরে সংক্রমণের হার ২৫.৬৫ শতাংশ... আমাদের পুরো প্রস্তুতি আছে
  •   করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ বেড়েছে, সতর্ক থাকবেন : প্রধানমন্ত্রী
  •   চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন-২০২২ ॥ মোট ভোটার ৩৩৭ জন

প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০

ড্রিম জিম এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের

ড্রিম জিম এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম

চাঁদপুর ড্রিম জিম এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের। চাঁদপুর সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার স্কুল ও কলেজপড়–য়া শিক্ষাথীরা ভর্তি হতে আসছেন এ জিমে। নতুন নতুন যারাই এ জিমে ভর্তি হয়েছেন, তাদের একটাই কথা, চাঁদপুরের উদীয়মান তরুণদের জন্যে ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ সাহেবের সুযোগ্য সন্তান, এশিয়া মহাদেশের প্রখ্যাত শল্য চিকিৎসক ডাঃ জেআর ওয়াদুদ টিপু নতুন কিছু করেছেন। আর এতে করে ইলিশের নগরীতে যেই স্বপ্ন নিয়ে জিম সেন্টারটি করা হয়েছে এবং ‘মাদকমুক্ত সুস্থ দেহ, প্রশান্ত মন, কর্মময় সুখী সমাজ ও সুখী ভুবন’ শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে, সেটি অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, শিক্ষাথীদের জন্যে বিশেষ ছাড়ও রয়েছে স্বপ্নের এ সেন্টারটিতে। ৪ জন প্রশিক্ষক প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণার্থীদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। সপ্তাহের বন্ধের দিন শুক্রবারও প্রশিক্ষণার্থীদের সুবিধার জন্যে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রেখেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর ও হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির বড় ভাই এবং প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ডাঃ জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ টিপু।

চাঁদপুর শহরের নতুনবাজারস্থ কদমতলা এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ৬ হাজার ৫০০ স্কয়ার ফুটের বিশাল ড্রিম জিম এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উঠতি বয়সী তরুণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের শ্রেণী-পেশার স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরা জিম সেন্টারে প্রশিক্ষকের মাধ্যমে বডি বিল্ডিং ও শারীরিক সুস্থতার জন্যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এ ড্রিম সেন্টারটি চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জিমের চেয়েও নিত্যনতুন এবং আধুনিক যন্ত্রপাতিতে সমৃদ্ধ। জিমের মধ্যে রয়েছে রানিং মেশিন (ট্রেড মিল), লেট পুল ডাউন মেশিন, সিটেট কাপ মেশিন, লেগ এক্সটিনশান, এসিস্ট্রান্ড চিনাফ’স, চেস্ট প্রেস, স্মিথ মেশিন, ক্রস ট্রেনার, ক্রস ক্যাবল, ডিপ স্কোয়াড মেশিন, বাইসেফ কাল এক্সটিনশান মেশিন, প্রনি লেগকাল মেশিন, ৪৫ ডিগ্রি লেগ প্রেস মেশিন, অল্পিমিক ইনকালাইন বেঞ্চ, অলিম্পিক ইনকালাইন মেশিন. অলিম্পিক ফ্লাট বেঞ্চ, অলিম্পিক ডিকলাইন বেঞ্চ, রোব বেটেল, সেল পাওয়ার জেনারেটর সাইকেল, ম্যানুয়েল সাইকেলসহ জিম ডামবেল, বারবেলগুলো (রাবারের)। সবক’টিই বিশ^মানের।

চাঁদপুরের এ ড্রিম জিম সেন্টারটির প্রাথমিক ট্রায়ালে অংশ নিচ্ছে উদীয়মান তরুণসহ নবীন-প্রবীণ বয়সীরা। এটি চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করে। এর মধ্যে গত অক্টোবর মাসে এ সেন্টারটি দেখতে আসেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ, পুলিশ সুপার মোঃ মিলন মাহমুদ, বিপিএম (বার), চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র অ্যাডঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমান, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইউব আলী বেপারী, শিক্ষামন্ত্রীর স্থানীয় প্রতিনিধি অ্যাডঃ সাইফুদ্দিন বাবু, বডি বিল্ডার মিস্টার বাংলাদেশ সুমন চৌধুরীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ড্রিম জিম এন্ড ওয়েলনেস সেন্টারে কর্মরত ম্যানেজার কামরুল হাসান কাউছার জানান, এই ড্রিম সেন্টারটি দেয়ার পর থেকে যারা স্বাস্থ্যসচেতন রয়েছেন তারা প্রতিদিনই আসছেন। আমাদের এ জিমটিতে তরুণদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সীরাও আসছেন। এ সেন্টারটিতে অন্যান্য জিমের মতো নির্দিষ্ট কোনো সরঞ্জামাদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনা নেই। প্রশিক্ষণার্থীরা যে যতোক্ষণ যে কোনো মেশিনই ব্যবহার করতে পারবেন। নারী প্রশিক্ষণার্থীদের জন্যে রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। যেমন পুরুষদের পাশাপাশি তাদেরও জন্যে রয়েছে আলাদা আলাদা সকল কিছু।

প্রশিক্ষক হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় বডিবিল্ডার (সাবেক) শহীদুর রহমান, ট্রেনার কাম ম্যানেজার রানা খান, রাব্বি ও রহমান। প্রশিক্ষকরা জানান, যারা এখানে প্রশিক্ষণে আসেন সার্বক্ষণিক ট্রেনাররা তাদেরকে হাতে-কলমে সকল কিছুই শিখিয়ে দিচ্ছেন। এতে করে প্রশিক্ষণার্থীরাও প্রশিক্ষণ নিতে আগ্রহী হচ্ছেন। তাদেরকে নিয়মিত ব্যায়ামিক রুটিন ও খাবারের নিয়ম দিয়ে দিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়