চাঁদপুর, শুক্রবার ৭ মে ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮, ২৪ রমজান ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
পুরাণবাজার আইল্যার বিলে স্থাপিত পৌরসভার গভীর নলকূপটি পুনরায় চালু
পানি সমস্যা নিরসনে পৌর মেয়রের চলমান উদ্যোগ
বিমল চৌধুরী
০৭ মে, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্রায় এক বছরেরও অধিক সময় বন্ধ থাকার পর পুরাণবাজার আইল্যার বিলের নতুন রাস্তায় স্থাপিত পৌরসভার গভীর নলকূপটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। কয়েকদিন মেরামত শেষে গত ৫ মে থেকে এই গভীর নলকূপটি থেকে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ শুরু হয়। ফলে অত্র এলাকার ছৈয়াল বাড়ির রাস্তার মাথা, বৌবাজার ও হরিসভা রোড থেকে শুরু করে বকাউল বাড়ি পর্যন্ত বসবাসরত কয়েকশ' পরিবারের পানি সঙ্কট দূর হবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।



পৌর এলাকায় পানি সঙ্কট দূরীকরণে চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র অ্যাডঃ মোঃ জিল্লুর রহমান জুয়েল ইতিমধ্যে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে নতুন করে আরও ১টি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যা নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ২০ কোটি টাকার মতো। এছাড়া চাঁদপুর পৌর এলাকার ঘোড়ামাড়ায় স্থাপিত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টের সংযোগ হতে মোটর পাম্প স্থাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পৌর এলাকায় পানির আরও একটি বিকল্প পাইপ লাইন স্থাপন কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন বলেও জানা যায়। যার মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে পানির সমস্যা সমাধানে পৌরবাসীকে সেবা প্রদান করা যাবে। এছাড়াও পৌরসভার বর্ধিত অংশ পুরাণবাজার পাটওয়ারী পুল হতে জাফরাবাদ এলাকার মানুষের পানি সমস্যা নিরসনে পুরাণবাজার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট হতে মোটর পাম্প স্থাপনের মধ্যে দিয়ে নতুন করে পাইপ লাইন দিয়ে পানি সরবরাহ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।



বর্তমানে চাঁদপুর শহরের ঘোড়ামাড়া ও পুরাণবাজার পূর্ব শ্রীরামদী এলাকায় ২টি অত্যাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট রয়েছে। যা ঘন্টায় সাড়ে ৩শ' ঘন মিটার পানি সাপ্লাই দিতে সক্ষম। এই প্লান্ট ২টি যদি সঠিকভাবে পানি সাপ্লাই কার্যক্রম অব্যাহত রাখে তাহলে চাঁদপুর পৌরবাসীর কোনো পানি সমস্যা থাকবে না বলে দাবি করে আসছিলেন বিদায়ী মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ। কিন্তু ইদানীংকালে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পানি সমস্যা দেখা দেয়। যা নিয়ে দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠসহ স্থানীয় আরো কিছু পত্রিকায় সংবাদও প্রকাশিত হয়। তার প্রেক্ষিতে পৌর মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল পানি সমস্যা দূরীকরণে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন।



'পৌর এলাকায় পানির এই সঙ্কট কেনো' তা জানতে কথা হয় পৌরসভার পানি শাখায় দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) দিলীপ কুমার দে-এর সাথে। তিনি জানান, প্রতি বছরই মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে পানির চাহিদা বেড়ে যায় গরমের কারণে। এ সময় আমরা সময়মতো প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানির সাপ্লাই দিতে না পারায় জনজীবনে এর কিছুটা প্রভাব পড়ে। আমরা আগে যেখানে প্রতিটি ওয়ার্ডে ২ ঘণ্টা ধরে পানি সাপ্লাই দেই, এ সময় তা বাড়িয়ে হয়তো আড়াই ঘণ্টা করে দেয়া হয়। যদি সময় বাড়িয়ে তা ৪ ঘণ্টা করে দেয়া যেতো তাহলে হয়তো ওয়ার্ডভিত্তিক পানির সমস্যা হতো না। কিন্তু আমরা তা পারি না। কারণ, আমাদেরকে ১৫টি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ চালু রাখতে হয়। যার জন্যে বাড়তি চাহিদা মেটানো অনেক সময় হয়ে উঠে না। ফলে পানির কিছুটা কৃত্রিম সমস্যার সৃষ্টি হয়। আশাকরি পানি সমস্যা নিরসনে মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে পৌর এলাকায় আর কোনো পানির সমস্যা থাকবে না।



তিনি আরও জানান, পূর্বে পৌর এলাকায় ১৬টি গভীর নলকূপ ছিলো। এর মধ্যে ১১টিই এক বছর যাবত অকার্যকর। পৌর এলাকায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালু থাকায় এর সাপ্লাইকৃত পানি অনেক স্বচ্ছ ও পরিস্কার হওয়ায় পৌরবাসী এই পানি সংগ্রহে বেশি আগ্রহী। কিন্তু গভীর নলকূপের পানি কিছুটা আয়রণযুক্ত হওয়ায় অনেকেই তা পছন্দ না করায় এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে ওয়াটার ট্রিটমেন্টের পানি সাপ্লাই থাকায় এ সকল গভীর নলকূপগুলো অনেকটাই অকার্যকর হয়ে পড়ে। তিনি পানির অপব্যয় এড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪০। হে বনী ইস্রাঈল! আমার সেই অনুগ্রহকে তোমরা স্মরণ কর যদ্বারা আমি তোমাদিগকে অনগৃহীত করিয়াছি এবং আমার সঙ্গে তোমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ কর, আমিও তোমাদের সঙ্গে আমার অঙ্গীকার পূর্ণ করিব। আর তোমরা শুধু আমাকেই ভয় কর।


 


 


রাষ্ট্রদূতেরা রাষ্ট্রের চক্ষু ও কর্ণস্বরূপ।


_গুই ফেরডিনি।


 


নিশ্চয় খোদা তার বিশ্বাসী বান্দাকে তওবা দ্বারা পরীক্ষা করতে ভালোবাসেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৬,৮০,১৩,৪১৫
সুস্থ ৭,৩২,৮১০ ১৪,৯৩,৫৬,৭৪৮
মৃত্যু ১২,৪৪১ ৩৪,৮৮,২৩৭
দেশ ২০০ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫৭৯৪১
পুরোন সংখ্যা