চাঁদপুর, শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮, ৪ রমজান ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
কচুয়ার বাসাবাড়িয়ায় 'মৌমাছির বাড়ি'
১৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কচুয়ায় সর্ববৃহত্তম কড়ইয়া ইউনিয়নের নিরিবিলি পরিবেশে অজপাড়া গ্রামের মধ্যে এক তলা বাড়ি বানিয়ে বসবাস উপযোগী করে তুলেছিলেন কচুয়া উপজেলার বাসাবাড়িয়া গ্রামের হাজী বাচ্চু মিয়া। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। ৩০ বছর পূর্বে তিনি এ বাড়িটি দৃষ্টিনন্দন করে তৈরি করেছিলেন। ওই সময় নতুন বাড়িতে উঠতেই হঠাৎ করে পঙ্গপালের মতো উড়ে এসে এক প্রকার দখল করে নেয় মৌমাছির দল। রাতারাতি হাজার হাজার মৌমাছি একে একে ২০-৩০টি মৌচাক তৈরি করে। তারপর থেকে প্রতি মৌসুমে পঙ্গপালের মতো উড়ে এসে মৌচাক তৈরি করে। এ বছর ২০টি মৌচাক তৈরি করে, এর মধ্যে ১৭টি বাড়ির চারদিকে ও ৩টি গাছের ডালায়।

উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের বাসাবাড়িয়া গ্রামের হাজী বাচ্চু মিয়া জানান, বাড়ি তৈরির পর থেকে বাসা বেঁধে বাড়িটি এক প্রকার দখলে রেখেছে মৌমাছি। বাড়ির বেলকনিসহ বাড়ির চারপাশে ২০টি ছোট-বড় মৌমাছির চাক আছে। পুরো বাড়িটিকে ঘিরে রাখায় প্রথম দেখাতেই যে কেউ ভয়ে অাঁতকে ওঠে। দেখতে অন্যরকম লাগায় এলাকার মানুষের কাছে বাড়িটি এখন মৌমাছির বাড়ি হিসেবে পরিচিত। মৌমাছির দল বাড়ির সদস্যদের সাথে একই পরিবার হিসেবে নিজেকে খাপ খেয়ে নিয়েছে। তবে দিন রাত ভোঁ ভোঁ শব্দ বাড়ির সদস্যদের কাছে গানের আওয়াজে পরিণত হয়েছে। এই বাড়ির সদস্যরা জানায়, মৌমাছির শব্দ না শুনলে অনেকের ঘুমই আসে না। বিশেষ করে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কান্নার শব্দ মৌমাছির ভোঁ ভোঁ শব্দে বন্ধ হয়ে যায়। সত্যিই মৌমাছিদের নিয়ে পরিবার আমার।

হাজী বাচ্চু মিয়ার ছেলে স্থানীয় মানিক মেম্বার জানান, একতলা বিশিষ্ট বাড়ির বেলকনি, কার্নিশ, দেওয়ালসহ বিভিন্ন স্থানে মৌমাছি চাক তৈরি করে আছে। প্রতি বছরই মৌমাছির দলের আগমনের সংখ্যা বাড়ছে। এ বছর এসেছে ২০টি মৌমাছির দল। গত ৮ মাসে দুইবার মৌমাছির চাক থেকে মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। মধু ব্যবসায়ীরা সংগ্রহ করা মধু কিনে নিয়ে যায়। বছরে প্রায় ৫০ হাজার টাকার মধু বিক্রি হয়। এলাকার স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের কাছে এই বাড়ি ও মধু খুবই পরিচতি। এলাকার বিভিন্ন মানুষ তাদের প্রয়োজনে খাঁটি মধু সংগ্রহ করে আমাদের কাছ থেকে।

মানিক মেম্বারের স্ত্রী শামীমা আক্তার (হ্যাপী) বলেন, মৌমাছিগুলো অনেক সৌখিন আর শৃঙ্খল প্রাণী। বিয়ের পরে এ বাড়িতে নতুন এসে হুল ফুটাতে পারে এমন ভয় পেলেও এখন আর ভয় লাগে না। মৌমাছি আমাদের কাউকে আক্রমণ করে না, কামড়ায় না। মৌমাছিগুলো বাড়ির সন্তানের মতো মনে হয়। মৌমাছির কারণে গৃহস্থালির কাজে কোনো সমস্যা হয় না। আমরা এই চাকগুলো থেকে প্রতিবছর অনেক মধু পাই। চাক থেকে সংগ্রহ করা মধু নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে মানুষকে বিতরণ করে বাকিটুকু বিক্রি করি।

স্থানীয় মধু সংগ্রহকারী জীবন জানান, মৌমাছি সাধারণত গাছের উঁচু ডালে কিংবা বাড়ির বেলকনিতে বাসা করে। এরা অনেক শান্ত, তবে রেগে গেলে নিস্তার নেই। গ্রামের চাকের মধুতে হরেক রকমের ফুলের মধু আহরণ করায় এ মধুর স্বাদও অনেক বেশি। মৌচাকে থাকা রাণী মাছির এই বাড়িটি পছন্দ, তাই প্রতিবার একই স্থানে এরা বাসা করে।

দরিয়াহয়াতপুর ও বাসাবাড়িয়া গ্রামের গৌতম সরকার, হাজী সোলেমান, মোঃ সেলিম ও সোহেল রানাসহ আরো অনেকে জানান, ৪টি গ্রাম নিয়ে এই ওয়ার্ডটি। গত ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে মানিক মেম্বার জয় লাভ করে এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের পাশাপাশি পারিবারিক সমস্যারও সমাধান করেছেন। জনপ্রিয়তার শীর্ষ অবস্থান করছেন এবং তাঁর বাড়িতে এ মৌচাকের মধু নিতে মানুষের ভিড় লেগে থাকে প্রায় সময়। গরিব অসহায় মানুষের মাঝে ফ্রিতে মধু বিতরণ করে আশপাশের এলাকায় প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছেন। বিশেষ করে ওই এলাকায় শিশু জন্মের পরেই মানিক মিয়ার বাড়িতে বোতল নিয়ে ভিড় জমায় এলাকার মায়েরা। সূত্র : কালের কণ্ঠ।

হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২-সূরা বাকারা


২৮৬ আয়াত, ৪০ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২০। বিদ্যুৎ চমক তাহাদের দৃষ্টিশক্তি প্রায় কাড়িয়া লয়। যখনই বিদ্যুতালোক তাহাদের সম্মুখে উদ্ভাসিত হয় তাহারা তখনই পথ চলিতে থাকে এবং যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় তখন তাহারা থমকিয়া দাঁড়ায়। আল্লাহ ইচ্ছা করিলে তাহাদের শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি হরণ করিতেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।


 


 


assets/data_files/web

 


 


একজন জ্ঞানী প্রশাসক সময়োপযোগী শাসন করেন। _সিডনি লেনিয়ার।


 


ডান হাত যা দান করে বাম হাত তা জানতে পারে না-এমন দানই সর্বোৎকৃষ্ট দান।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৭,৫১,৬৫৯ ১৪,৮৫,৭৩,২৬৫
সুস্থ ৬,৬৬,৯২৭ ১২,৬৩,৬৯,২৯২
মৃত্যু ৭,৫১,৬৫৯ ৩১,৩৬,৩৮৫
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১২৮৯১
পুরোন সংখ্যা