চাঁদপুর, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৭-সূরা মুর্সালাত


৫০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১। শপথ কল্যাণস্বরূপ প্রেরিত বায়ুর,


২। আর প্রলয়ংকরী ঝটিকার,


৩। শপথ সঞ্চালনকারী বায়ুর


৪। আর মেঘপুঞ্জ বিচ্ছিন্নকারী বায়ুর,


৫। এবং শপথ তাহাদের যাহারা মানুষের অন্তরে পেঁৗছাইয়া দেয় উপদেশ-


 


 


আমাকে সামান্যই ভালোবাস, কিন্তু তা যেন দীর্ঘদিনের জন্য হয়।


-জন হে উড।


 


 


প্রত্যেক কওমের জন্য একটি পরীক্ষা আছে এবং আমার উম্মতদের পরীক্ষা তাদের ধন-দৌলত।


 


ফটো গ্যালারি
জলাতঙ্ক প্রতিরোধে চাঁদপুর স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যক্রম
৮ মাসে ১১৩৯ জন নিয়েছেন জলাতঙ্ক প্রতিরোধক ভ্যাকসিন
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আল-আমিন হোসাইন আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। দিবসটির এবারের সস্নোগান : 'জলাতঙ্ক নির্মূলে টিকাদান, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ান'। জলাতঙ্ক একটি মরণব্যাধি রোগ। এ রোগ প্রাণি থেকে মানুষে ছড়ায়। এটি র‌্যাবিস ভাইরাসজনিত এক ধরনের জুনোটিক রোগ। কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানরের কামড়, অাঁচড় বা লালার সংস্পর্শে এ রোগে মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। কিন্তু প্রাণির আক্রমণের পর প্রতিরোধক টিকা নিলে রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ করা শতভাগ সম্ভব। ১৮৮৫ সালে প্রথম জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর। তাই কেউ প্রাণি দ্বারা আক্রান্ত হলে প্রধান কাজ হবে জলাতঙ্কের টিকা দেয়া।



জলাতঙ্ক প্রতিরোধে আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়মিত টিকা দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের নিচতলায় অবস্থিত ১১৫নং কক্ষে 'জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে' এ সেবা দেয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস অর্থাৎ গত ৮ মাসে ১১৩৯ জন জলাতঙ্ক প্রতিরোধক ভ্যাকসিন নিয়েছেন। সংখ্যা বিশ্লেষণে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে ২৩৮, ফেব্রুয়ারি মাসে ২১২, মার্চ মাসে ১৬৫, এপ্রিল মাসে ৭৬, মে মাসে ৬৭, জুন মাসে ১০৩, জুলাই মসে ১৩৭ ও আগস্ট মাসে ১৪১ জন কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বানরের অাঁচড় বা কামড়ের শিকার হয়ে এ সেবা গ্রহণ করেন। যা গত বছরের তুলনায় কম। করোনার কারণে মানুষ ঘরবন্দী থাকায় আক্রান্তের হার কম বলে জানান জলাতঙ্ক প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে দায়িত্বরত হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মোঃ ছাদেক আলী।



তিনি বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূল করতে কাজ করছে সরকার। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। এতে করে মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বানরের অাঁচড় বা কামড়ের শিকার হলে সাথে সাথে ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিন না দিলে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর জলাতঙ্কে আক্রান্ত হলে মৃত্যু নিশ্চিত। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পশু-পাখি নিধন করা যাবে না। তাই প্রতি বছর কুকুরকে জলাতঙ্ক রোধের প্রতিশেধক টিকা দেয়া হচ্ছে।



মোঃ ছাদেক আলী বলেন, মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, চট্টগ্রামে অবস্থিত সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ এবং দেশের ৬৪টি জেলা সদরে অবস্থিত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে বিনামূল্যে জলাতঙ্কের টিকা প্রদান করা হয়। টিকা গ্রহণে জলাতঙ্ক প্রতিরোধ সম্ভব। কামড়ানো প্রাণির দেহে র‌্যাবিসের জীবাণু না থাকলেও টিকা নিতে কোনো অসুবিধা নেই।



 



 



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়মানুসারে জলাতঙ্ক প্রতিরোধের চিকিৎসা



ধাপ ১ : যদি আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বকে কোনো ক্ষত না থাকে এবং পশু যদি জিহ্বা দিয়ে চাটে, তাহলে তেমন ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন নেই। ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে ধুয়ে নিলেই হবে।



 



ধাপ ২ : প্রথমে ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ১৫/২০ মিনিট ক্ষতস্থান ফেনা তুলে ধুতে হবে। যদি প্রাণীটি অাঁচড় দেয় এবং রক্তক্ষরণের ঘটনা না ঘটে, তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব চারটি ভ্যাকসিন নিতে হবে। ০.১ মিলি করে দুই বাহুতে প্রথম দিন, তৃতীয় দিন, সপ্তম দিন ও ২৮তম দিনে দিতে হয়। গর্ভবতী নারীদেরও দেয়া যায়।



 



ধাপ ৩ : প্রথমে ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ১৫/২০ মিনিট ক্ষতস্থান ফেনা তুলে ধুতে হবে। যদি চামড়ার ক্ষতস্থানে কামড়ের দাগ পাওয়া যায় ও প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে টিকার পাশাপাশি র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিনও নিতে হয়।



 



 



* চিকিৎসাঙ্গন বিভাগে লেখা পাঠানোর ই-মেইল : into.alamin@gmail.com



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৫৪৬৮
পুরোন সংখ্যা