চাঁদপুর, সোমবার ১৬ মার্চ ২০২০, ২ চৈত্র ১৪২৬, ২০ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৬-সূরা তাহ্রীম


১২ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। হে কফিরগণ! আজ তোমরা দোষ স্খলনের চেষ্টা করিও না। তোমরা যাহা করিতে তোমাদিগকে তাহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে।


 


 


চর্চার উপরই সব কিছুর সাফল্য নির্ভর করে।


-আইজ্যাক উইলিয়ামস।


 


 


যখন কোন দলের ইমামতি কর, তখন তাহাদের নামাজকে সহজ কর।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব (কোভিড-১৯) প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে করণীয়
ভার্সন-০২
১৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯)-এর প্রাদুর্ভাব ভয়াবহভাবে দ্রুততার সাথে ছড়িয়ে পড়ছে। এমতাবস্থায় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ ও আক্রান্ত বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে নিম্নোক্ত করণীয় নির্ধারণ করা উচিত।



কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে কোন পরিস্থিতিতে কি করণীয় :



কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে কোন পরিস্থিেিত কি করণীয় :



গুরুতর স্তর পরিস্থিতির বিবরণ করণীয়



১ দেশে ল্যাবরেটিতে প্রমাণিত কোন কেস সনাক্ত হয়নি। ? দেশে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) রোগীর অনুপস্থিতিতে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।



* পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে যেতে পারে (স্তর-৪)এটা মনে রেখে সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে রাখা।



* সকল পর্যায়ে মাল্টিসেক্টরাল কমিটি গঠন করা।



 



২ কেবলমাত্র বিদেশ থেকে সংক্রমিত হয়ে আসা কেস ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় সনাক্ত হয়েছে। তবে স্থানীয়ভাবে রোগ অন্য কোন মানুষের দেহে ছড়ায় নি। ? কেন্দ্র থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা পর্যন্ত মাল্টিসেক্টরাল কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা এবং বিলম্ব না করে কমিটিগুলোর কাজ শুরু করা। প্রস্তুতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।



* দ্রুত সনাক্তকরণ দলের মাধ্যমে দ্রুত কেস খুঁজে বের করা এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা।



* আইসোলেশন ইউনিটে রোগীর পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। গুরুতর অসুস্থ রোগীর চিকিৎসার জন্য আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সুবিধা নিশ্চিত করা।



* আক্রান্ত রোগী সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাদের স্ব স্ব বাড়িতে অথবা যেটা বাস্তবসম্মত সেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করা। কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাপনা সুন্দরভাবে পরিচালনা করা।



* যারা সন্দেহভাজন (রোগীর সংস্পর্শে এসেছে; লক্ষণ আছে; তবে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় প্রমাণ হয়নি) তাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা।



* রোগী এবং কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের পৃথকীকরণ শক্তভাবে বাস্তবায়ন করা।



* যারা সেবা কাজে অংশগ্রহণ করবেন তাদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পারসোনাল প্রটেকশন সরঞ্জামাদির সরবরাহ নিশ্চিত করা।



* জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। মানুষের আতংক দূর করা হাত দোয়ার অভ্যাস বৃদ্ধি করা, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে উৎসাহিত করা। হ্যান্ডশেক অনুৎসাহিত করা।



* জনসমাবেশ নিরুৎসাহিত করা। অনুষ্ঠানাদি সীমিত করা। আন্তর্জাতিক সম্মেলন নিরুৎসাহিত করা।



* বাংলাদেশীদের বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা। বাংাদেশের বিদেশী দূতাবাসসমূহকে বাংলাদেশীদের বিদেশ ভ্রমণের ভিসা সীমিতকরণের পরামর্শ দান। ? বিদেশী ব্যক্তিদের বাংলাদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করা। ভিসা অন এরাইভাল বন্ধ করা, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোকে বিদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য ভিসা দান সীমিত করার পরামর্শ দেয়া।



৩ সীমিতভাবে স্থানীয় পর্যায়ে এক বা একাধিক স্থানে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে, তবে যে কোন স্থানেই কেস সংখ্যা ১০ বা তার কম। ?উপরের সবগুলো



* প্রস্তুতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।



* আক্রান্ত এলাকা বাস্তবভিত্তিকভাবে লক্ষ ডাউন করা।



* স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা।



* প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি করা।



* পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য আশু পদক্ষেপ



৪ ব্যাপকভাবে স্থানীয় পর্যায়ে কেস ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রায় প্রতিটি স্থানেই কেস সখ্যা ১০-এর বেশী। ? উপরের সবগুলো, প্রস্তুতি অনুযায়ী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।



* মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ।



* মাননীয় মন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটিকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পরিচালনা।



* হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সক্ষমতা বৃদ্ধি।



* নূতন নূতন আইসোলেশন ইউনিট তৈরি।



* মেক শিফট হাসপাতাল বানানো। সেনাবাহিনীর ভ্রাম্যমান হাসপাতাল ব্যবহার।



*অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন ক্যাম্প স্থাপন। লক ডাউন প্রসারিত করা, সেনাবাহিনীর সহায়তা নেয়া।



* ব্যাপক সংখ্যায় পারসোনাল প্রটেকটশন সামগ্রির সরঞ্জামাদির সরবরাহ নিশ্চিত করা।



 



প্রাদুর্ভাব ক্রমান্বয়ে হ্রাস নুতন সংক্রমণ ও রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাওয়া ? উপরোক্ত সতকর্তা ক্রমান্বয়ে হ্রাস



 



স্বাভাবিক অবস্থা দেশে বা বিদেশে নূতন সংক্রমণ এবং রোগী সংখ্যা শূন্য হলে এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি অবস্থার ঘোষনা প্রত্যাহার করলে। ? জনজীবনে স্বাভাবিক অবস্থা সৃষ্টি করা।



 



এই মুহূর্তের করণীয়



* জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মাল্টিসেক্টরাল কমিটিগুলো সক্রিয় করা।



* পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে যেতে পারে (স্তর-৪) এটা মনে রেখে সম্ভাব্য সকল প্রস্তুতি নিয়ে রাখা।



* জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইসোলেশন হাসপাতাল/ইউনিট নির্ধারণ করে পূর্ণ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা।



* প্রাইভেট হাসপাতালগুলোতেও এই আইসোলেশন ইউনিট পূর্ণ প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে।



* জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গঠিত সকল রেসপন্স টিমের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।



* এলাকায় অবস্থিত বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর ও স্থল বন্দরে পরিচালিত স্ক্রিনিং কার্যক্রমের তদারকী।



* জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রচার/প্রচারণা করা, গুজব, বিভ্রান্তি দূর করতে সক্রিয় থাকতে হবে। এ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের জন্য আইইডিসিআর ওয়েবসাইট দেখুন।



* সরকারের অন্যান্য বিভাগের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা বিশেষ করে নিরাপত্তা, কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থাপনা ইত্যাদিতে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে দায়িত্ব দেয়া।



* প্রতিটি জেলা সদর/উপজেলা পর্যায়ে এক বা একাধিক সুবিধাজনক স্থান যেমন : স্কুল, কলেজ, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার জন্য নির্ধারণ করে রাখতে হবে।



* কোন গ্রাম/পাড়া/মহল্লায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলে উক্ত গ্রাম/পাড়া/মহল্লাকে কর্ডন করে রাখতে হবে, যাতে করে উক্ত স্থানসমূহ হতে কোন ব্যক্তি বের হতে বা উক্ত স্থানসমূহে কেউ প্রবেশ করতে না পারে।



* বিদেশ থেকে আগত সকলকে আবশ্যিকভাবে নিকটস্থ সিভিল সার্জন/উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করতে হবে। রিপোর্টকালীন সময়ে নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করতে হবে :



* বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের তারিখ;



* সর্বশেষ ভ্রমণকৃত দেশ;



* দেশের সংখ্যা একাধিক হলে বিগত ১৪ দিনে যে সকল দেশ ভ্রমণ করেছেন সে সকল দেশের নাম;



* ভ্রমণের সময়কাল;



* দেশে অবস্থানকালীন ঠিকানা, ফোন নম্বর, মোবাইল ফোন নম্বর;



* দেশে প্রত্যাবর্তনের পরে দেশে অন্য কোন স্থানে/জেলায় ভ্রমণ করে থাকলে সে স্থানের নাম/ঠিকানা ।



* উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উপজেলা চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নিয়ে সভা করে এ বিষয়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবেন ও এ সংক্রান্ত তথ্য স্থানীয় কেবল টিভি অপারেটরদের মাধ্যমে কেবল টিভিতে প্রচার ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।



* বিদেশ থেকে আগতদের তালিকা নিয়মিত আইইডিসিআর এ প্রেরণ করবেন।



* আক্রান্ত দেশ থেকে আগমনের ১৪দিন পর্যন্ত তাদেরকে কোয়ারান্টাইনে রাখা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের স্ব স্ব বাড়িতে অথবা যেটা বাস্তবসম্মত সেভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন করতে হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে আইইডিসিআর এর সাথে পরামর্শ করতে পারেন।



* কাউকে করোনা আক্রান্ত বলে সন্দেহ হলে পরিচালক/সিভিল সার্জন/তত্ত্বাবধায়ক/ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তাৎক্ষনিকভাবে ইন্সটিটিউট অফ ইপিডিমিওলোজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) কে অবহিত করবেন।



* করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত সচেতনতামূলক বার্তা জেলা/উপজেলা প্রশাসন স্থানীয় কেবল টিভি অপারেটরদের মাধ্যমে কেবল টিভিতে প্রচার ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।



আইসোলেশন হাসপাতাল/ইউনিট



? সর্বোচ্চ ৪-৫টি বেড নিয়ে একটি আলাদা কক্ষ থাকতে হবে। কক্ষে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (ইনফেকশন প্রিভেনশন ও কন্ট্রোল, আইপিসি)-এর সমস্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে। কক্ষের বাইরে 'করোনা ভাইরাস আইসোলেশন ওয়ার্ড' কক্ষটি পরিষ্কারভাবে প্রদর্শন করতে হবে।



? ২টি বেডের মধ্যে দূরত্ব কমপক্ষে ১ মিটার হতে হবে।



? মহিলা ও পুরুষদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা করতে হবে।



? কক্ষে পর্যাপ্ত পরিমাণ গ্লাভস, মাস্ক ও অন্যান্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা পোশাক (চচউ) এর ব্যবস্থা থাকতে হবে।



?সম্ভব হলে কক্ষের সাথেই হাত ধোওয়া ও পোশাক পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে হবে।



? হাত ধোওয়ার স্থানে এবং আইসোলেশন কক্ষে ঢোকা ও বের হওয়ার সময় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার/অ্যালকোহল-বেজড হ্যান্ড র‌্যাব এর ব্যবস্থা থাকতে হবে।



?কক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে।



? শুধুমাত্র আইসোলেশন কক্ষের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্রের(রোগীর বেড, ট্রলি, টুল, সাকার, মেশিন, অঙ্েিজন টিউব ও সিলিন্ডার ইত্যাদি) ব্যবস্থা রাখতে হবে।



? আইসোলেশন কক্ষের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ও নির্দিষ্ট ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য সহায়ক স্টাফদের রোস্টার অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে।



? সাধারণ বর্জ্য, সংক্রমণ বর্জ্য, ব্যবহৃত পোশাক ইত্যাদি ফেলার জন্য আলাদা আলাদা ঢাকনাযুক্ত বিন থাকতে হবে।



কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থা



আইএইচআর-২০০৫ এর আর্টিকেল ৩২ অনুসারে, কোন বিদেশ ফেরত সুস্থ যাত্রী, অথবা কোন করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যক্তি, যার অথবা যাদের কোন শারীরিক উপসর্গ নেই, তাদের কোয়ারেন্টাইন করার জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা/নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে হবে :



? স্থাপনা : কোয়ারেন্টাইন স্থাপনার জন্য সার্বজনীন কোনো বিধি বাধ্যকতা না থাকলেও এখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের মধ্যে যেন রোগ ছড়ানোর সম্ভাবনা স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি না পায় এবং তাকে যেন নিয়মিত রোগের উপসর্গ সম্বন্ধে খোঁজখবর নেয়া যায়।



? অন্ততপক্ষে ১০ জন ব্যক্তিকে কোয়ারান্টাইন ব্যবস্থায় রাখা যাবে এমন স্থান নির্ধারণ করতে হবে।



? বিভিন্ন ব্যক্তিকে বিভিন্ন সময়ে কোয়ারেন্টাইনে রাখার প্রয়োজন হতে পারে, তাই প্রতি ব্যক্তিকে যেন আলাদা কক্ষে কোয়ারান্টাইন করা যায় এরূপ ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তির বাড়িতেই কোয়ারান্টাইন করা সম্ভব।



? সম্ভব হলে, প্রতি কক্ষে সাথের আলাদাভাবে টয়লেট, গোসলখানা, হাত ধোওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে।



? হাত ধোওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার/অ্যালকোহল-বেজড হ্যান্ড রাব এর ব্যবস্থা থাকতে হবে।



? কক্ষে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখতে হবে।



? পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার, পানি, পোশাক পরিচ্ছদ, সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে। কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।



? বর্জ্য ফেলার জন্য প্রতি কক্ষে আলাদ ঢাকনাযুক্ত বিন থাকতে হবে।



? কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে, তাদেরকে সঠিক স্বাস্থ্য বার্তা দিতে হবে, তাদের মধ্যে যেন কোন রকম তারা ভয় না পায় এবং কোন রকম উপসর্গ দেখা দিলে তাড়াতাড়ি সঠিক চিকিৎসা নিতে পারে।



? কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে যাতে কোন প্রকার মানবাধিকার লংঘিত না হয় এবং তার লিঙ্গ, তার সামাজিক, জাতিগত এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।



? কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের বিদেশ থেকে ফেরত আসার অথবা কোন করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসার শেষদিন থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে।



জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রচারের তথ্য



শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয়



? নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে দুই হাত ধোবেন (অন্তত ২০ সেকেন্ড যাবৎ)



? অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করবেন না



* ইতোমধ্যে আক্রান্ত এমন ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এড়িয়ে চলুন



?*কাশি শিষ্টাচার মেনে চলুন (হাঁচি/কাশির সময় বাহু/টিস্যু/কাপড় দিয়ে নাক-মুখ ঢেকে রাখুন)



? হাত মেলানো, কোলাকুলি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।



?অসুস্থ পশু/ পাখির সংস্পর্শ পরিহার করুন মাছ-মাংস-ডিম ভালোভাবে রান্না করে খাবেন।



*অসুস্থ হলে ঘরে থাকুন, বাইরে যাওয়া অত্যাবশ্যক হলে নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করুন



* জরুরি প্রয়োজন ব্যতীত আক্রান্ত বিদেশে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন এবং এ সময়ে অন্য দেশ থেকে প্রয়োজন ব্যতীত বাংলাদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করুন।



* অত্যাবশ্যকীয় ভ্রমণে সাবধানতা অবলম্বন করুন।



* কোভিড-১৯ সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আইইডিসিআর-এর হটলাইন নম্বর এ যোগাযোগ করুন : ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১



 



করোনা আক্রান্ত বলে সন্দেহ হলে করণীয়



* অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে (আইসোলেশন ইউনিটে) যেতে বলুন



* রোগীকে নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করতে বলুন



* রোগীর নাম, বয়স, যোগাযোগের জন্য পূর্ণ ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার সংরক্ষণ করুন এবং আইইডিসিআর এর করোনা কন্ট্রোল রুমে (০১৭০০-৭০৫৭৩৭) অথবা হটলাইন নাম্বারে (০১৯৩৭-০০০০১১, ০১৯২৭-৭১১৭৮৪, ০১৯২৭-৭১১৭৮৫ যোগাযোগ করুন।



 



 



 



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৭৩৯২
পুরোন সংখ্যা