চাঁদপুর, সোমবার ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৬, ২৩ জমাদউলি আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলব উত্তরের আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মুল বেড়িবাঁধে মেঘনার আকস্মিক ভাঙ্গন শুরু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬১-সূরা সাফ্ফ


১৪ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৩। এবং তিনি দান করিবেন তোমাদের বাঞ্ছিত আরও একটি অনুগ্রহ : আল্লাহর সাহায্য ও আসন্ন বিজয়; মু'মিনদিগকে সুসংবাদ দাও।


 


 


 


 


প্রাচীন মহিলার দেহের গহনা অবশ্যই খাদবিহীন হবে।


-জুভেনাল।


 


 


কৃপণ ব্যক্তি খোদা হতে দূরে লোকসমাজে ঘৃণিত, দোজখের নিকটবর্তী।


 


ফটো গ্যালারি
নাক ডাকা বন্ধে সহজ কিছু উপায়
২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, নাক ডাকার প্রবণতা থাকলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ফলে আইকিউ তো কমেই, সেইসঙ্গে স্মৃতিশক্তিও ঝাপসা হতে শুরু করে।



নাক ডাকা সমস্যায় অনেকে ভোগেন। মাঝবয়সী ও বয়স্ক পুরুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের কম্পন ও ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাধাগ্রস্ত বায়ু চলাচলের ফলে সৃষ্ট শব্দকেই আমরা নাক ডাকা বলে থাকি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, শব্দ নরম হতে পারে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি জোরে এবং অপ্রীতিকর হতে পারে।



সমপ্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, নাক ডাকার প্রবণতা থাকলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ফলে আই কিউ তো কমেই, সেইসঙ্গে স্মৃতিশক্তিও ঝাপসা হতে শুরু করে।



নাক ডাকার কারণসমূহ



১. শরীরে বাড়তি ওজন, গর্ভাবস্থা ও কিছুটা বংশগত কারণে মানুষ নাক ডেকে থাকে।



২. অ্যালার্জি, নাক বন্ধ হওয়া অথবা নাকের ভিন্ন গঠনও নাক ডাকার একটি কারণ। এসব কারণে নাকের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে না এবং নাক ডাকার সৃষ্টি হয়।



৩. মদ্যপান, ধূমপান ও বিশেষ কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে মানুষ নাক ডাকে।



৪. বয়স বেড়ে যাওয়ার কারণে শরীরে চামড়া ঝুলে যায়, পুরু হয় ও গলার কিছু পেশীও ফুলে যায়। এরজন্য বয়স্করা নাক ডাকেন তুলনামূলক বেশি।



নাক ডাকা বন্ধের সহজ কিছু উপায়



১. ওজন কমানো



শরীরের অতিরিক্ত ওজন নাক ডাকার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। বাড়তি ওজন নাকের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গা সংকীর্ণ করে দেয় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস চলাচলের সময় শব্দের সৃষ্টি করে। তাই ওজন কমালে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্ত হওয়া সম্ভব।



২. শোয়ার অবস্থান পরিবর্তন



সোজা ও চিৎ হয়ে শোবার কারণে জিহ্বা এবং নরম তালু পেছনের দিকে হেলে যায়। যার কারণে মুখের ভেতরে বাতাস চলাচলের জায়গাটা আটকে যায় ও শব্দের সৃষ্টি হয়। ডান কাতে শোয়া এক্ষেত্রে খুবই ভালো একটি সমাধান। বাম কাতে শোয়ার জন্য বুকের উপর বেশি চাপ পড়তে পারে। তাই সবদিক থেকে ডান কাতে শোয়াটা একটি ভালো উপায়।



 



৩. মদ্যপান করা যাবে না



অ্যালকোহল শরীরের বিভিন্ন পেশীকে অনেক বেশি শিথিল করে দেয়। ফলে শিথিল মাংস পেশীগুলো মুখের ভেতরের জায়গা আটকে দেয়। এটি শরীরের জন্যেও খুব ক্ষতিকর। যারা মদ্যপান ছাড়তে পারছেন না তারা নাক ডাকার হাত থেকে রেহাই পেতে অনুপ্রাণিত হতে পারেন।



৪. পর্যাপ্ত ঘুম



আপনার যদি দৈনিক পর্যাপ্ত ঘুম (৭ থেকে ৯ ঘণ্টা) না হয়ে থাকে তাহলে নাক ডাকা বেড়ে যেতে পারে কিংবা হঠাৎ করে শুরুও হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তি শরীরের পেশীগুলোকে অলস করে দেয় যা নাক ডাকার আরেকটি কারণ।



৫. নাসারন্ধ্র খোলা রাখুন



নাক বন্ধ থাকার জন্যও নাক ডাকার সৃষ্টি হতে পারে। এজন্যই অনেকে যারা কখনোই নাক ডাকেন না তাদের বিরুদ্ধেও নাক ডাকার অভিযোগ আসে। আপনার যদি ঠা-াজনিত কারণে নাক বন্ধ থেকে থাকে তাহলে শোবার আগে গরম পানির ভাপ নিয়ে যথাসম্ভব নাক পরিষ্কার করে ফেলুন।



৬. কক্ষ পরিষ্কার রাখুন



ধুলাবালিতে অ্যালার্জির কারণে নাকের ভেতরে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। দৈনিক আপনার কক্ষের ফ্যান, আসবাবপত্র, বই-খাতা, চেয়ার-টেবিল ও প্রাত্যহিক ব্যবহার্য জিনিসপত্র ঝেড়ে রাখুন।



৭. ধূমপানকে 'না' বলুন



সিগারেটের ধোঁয়া নাকের ভেতরে ও গলার মেমব্রেন টিস্যুর ক্ষতি করে। গলার ভেতরে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করে এবং মাংসপেশী ফুলে যায়। নাক ডাকা তখন আসলে একটি ক্ষতিকর লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়।



৮. উঁচু জায়গায় শোয়া



ঘুমানোর সময় একটি বাড়তি বালিশ নিয়ে মাথাটা একটু উঁচু জায়গায় রেখে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। লক্ষ্য রাখুন যেন শুধু মাথাই নয়, বুকের দিকটাতেও যেন সামঞ্জস্য বজায় থাকে। তা না হলে ঘাড়ে প্রচ- চাপের সৃষ্টি হতে পারে।



৯. কক্ষের আর্দ্রতা বজায় রাখুন



শুষ্ক বাতাসে শ্বাসকষ্ট বাড়ে। সেজন্য কক্ষের আর্দ্রতা স্বাভাবিক থাকলে নাক ডাকা কমানো সম্ভব। এটা আপনার স্বাস্থ্যের পক্ষেও উপকারী।



১০. ধ্যান করুন



ধ্যান বা মেডিটেশন শারীরিক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার অন্যতম সমাধান। ধ্যানের মাধ্যমে আপনার অজানা অনেক সমস্যার সমাধানও হতে পারে। হয়ত এর মাধ্যমে আপনি নাক ডাকা থেকেও মুক্তি পেতে পারেন!



১১. চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন



ঘুম হলো শরীর ও ব্রেনকে শিথিল করার ও বিশ্রাম দেওয়ার সময়। ঘুমের উপর নির্ভর করছে আপনার পরের দিনের শক্তি। তাই এই ব্যাপারে কোনো আপস না করাই শ্রেয়। একজন ভালো চিকিৎসকের কাছে যান। আপনাকে প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ব্যায়াম (যা শরীরকে ক্লান্ত করবে) দেওয়া হতে পারে। ডাক্তারের দেয়া নিয়ম-কানুন অনুসরণ করুন এবং বেরিয়ে আসুন এই সমস্যা থেকে।



নাক ডাকা বন্ধের ঘরোয়া কিছু উপায়



এলাচ



অনেক সময় নাকের অন্দরে কোনো বাঁধা থাকার কারণে নাক ডাকার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে নিয়মিত ঘুমানোর আগে এলাচ চা খেলে কিন্তু দারুণ উপকার মেলে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান নাকের ভেতরের বাঁধা সরিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। আর একবার শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক মতো হতে থাকলে নাক ডাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।



হলুদ



অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানে পরিপূর্ণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেইসঙ্গে কমে নাক ডাকার প্রবণতাও। এক্ষেত্রে প্রতিদিন শুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এক গ্লাস গরম দুধে ২ চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করার অভ্যাস করতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন রাতের ঘুমে কেউ ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না।



ঘি



নাক ডাকার সমস্যা কমাতে ঘিয়ের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে অল্প পরিমাণ ঘি গরম করে তার থেকে ২-৩ ড্রপ করে নিয়ে যদি নিয়মিত নাকে দেওয়া যায়, তাহলে নাসিকা গর্জন থামতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে ঘিয়ে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারী উপাদান নাকের অন্দরে বায়ু-চলাচলের পথকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। ফলে নাক ডাকার প্রবণতা একেবারে কমে যায়।



মধু



রাতে শুতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে যদি এক গ্লাস গরম জলে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে নাক ডাকার সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পায় না। কারণ মধুর অন্দরে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদান গলার প্রদাহ কমায়। সেই সঙ্গে শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করে তোলে। ফলে নাক ডাকার সম্ভাবনা কমে।



অলিভ অয়েল



রাতে শুতে য়াওয়ার আগে মনে করে দু'চামচ অলিভ অয়েল খেলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে রেসপিরেটরি প্যাসেজ খুলতে শুরু করে। আর একবার এমনটা হয়ে গেলে বাতাস চলাচলে কোনো বাঁধার সৃষ্টি হয় না, ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।



সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৪২৩৯০
পুরোন সংখ্যা