চাঁদপুর, সোমবার ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৬, ২৩ জমাদউলি আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলব উত্তরের আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের মুল বেড়িবাঁধে মেঘনার আকস্মিক ভাঙ্গন শুরু
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬১-সূরা সাফ্ফ


১৪ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৩। এবং তিনি দান করিবেন তোমাদের বাঞ্ছিত আরও একটি অনুগ্রহ : আল্লাহর সাহায্য ও আসন্ন বিজয়; মু'মিনদিগকে সুসংবাদ দাও।


 


 


 


 


প্রাচীন মহিলার দেহের গহনা অবশ্যই খাদবিহীন হবে।


-জুভেনাল।


 


 


কৃপণ ব্যক্তি খোদা হতে দূরে লোকসমাজে ঘৃণিত, দোজখের নিকটবর্তী।


 


ফটো গ্যালারি
মাথা ব্যথা ও অন্যান্য মস্তিষ্ক রোগের আকুপ্রেশার চিকিৎসা
অধ্যাপক কেএম মেছবাহ উদ্দিন
২০ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


করোটির মধ্যে অবস্থিত কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের স্থিত অংশ হল মস্তিষ্ক। মস্তিষ্ক নিরেট নয়। এর মধ্যে বিভিন্ন ফাঁকা প্রকোষ্ঠের মত থাকে। এ প্রকোষ্ঠগুলোকে ভেন্ট্রিকল বলে। এগুলোকে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ভেন্ট্রিকল নামে অভিহিত করা হয়। ভেন্ট্রিকলগুলো স্পাইনাল ফ্লুইড নামক তরল পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে। প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার এবং ওজন ১.৩৬ কেজি প্রায়। এটি একটি স্বয়ংক্রিয় পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র। এতে প্রায় ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) নিউরন বা স্নায়ু কোষ থাকে। রক্ত যখন এর মধ্যে দিয়ে সঞ্চালিত হয় তখন জৈব বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ বিদ্যুতের ধনাত্মক প্রবাহ মস্তিষ্কের প্রথম ভেন্ট্রিকল দ্বারা প্রবাহিত হয় এবং ধনাত্মক প্রবাহ দ্বিতীয় ভেন্ট্রিকল দ্বারা প্রবাহিত হয়। ফলে স্নায়ু কোষগুলো উত্তেজিত ও সক্রিয় হয়ে দেহের অভ্যন্তরীণ কার্য সম্পাদন করে এবং দেহে প্রাণশক্তি সঞ্চালিত করে। রক্তে লবণের মাত্রা বেড়ে গেলে অথবা দুশ্চিন্তার কারণে নিউরন কোষগুলো শক্ত হয়ে যায়। ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত মস্তিষ্কে পেঁৗছাতে অতিরিক্ত চাপের প্রয়োজন হয়। এই অতিরিক্ত চাপ হলো উচ্চ রক্তচাপ। উচ্চ রক্তচাপের সাথে যদি মানসিক দুশ্চিন্তা যোগ হয়, তখন চুলের মত সূক্ষ্ম স্নায়ু কোষগুলো ছিঁড়ে যায়। ফলে ব্রেইন স্ট্রোক হয়।



মস্তিষ্কের সমস্যাগুলো সাধারণত (ক) মাথা ব্যথা (খ) স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা (গ) ভ্রুণের মস্তিষ্কের সমস্যা।



মাথা ব্যথা



মাথা ব্যথার মূল কারণ :



১. দেহের বাড়তি তাপ : জন্ডিস, অবিবেচিতভাবে কৃমির ঔষধ সেবন (অতিরিক্ত কৃমির ঔষধ লিভারকে অকেজো করে দেয়) অথবা অন্য কোনো কারণে জীবন রক্ষাকারী অঙ্গ লিভার ধীরগতিসম্পন্ন হলে পিত্ত রস উৎপাদনও ধীর গতিতে হয়। ফলে পাকস্থলী থেকে অর্ধ-পরিপাককৃত খাদ্য সম্পূর্ণরূপে এসিডমুক্ত না হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রবেশ করে। ইহা পাকস্থলী অন্ত্রের বায়ুকে উত্তপ্ত করে। এই উত্তপ্ত বায়ু মাথা ও মুখের ফাঁকা জায়গা দখল করে। দিনের এই উত্তপ্ত বায়ু যখন ফ্যানের বাতাস, এয়ার-কন্ডিশনার রুম অথবা রাতের শীতল হাওয়ার সংস্পর্শে আসে তখন পানিতে পরিণত হয়। এই পানি যখন মস্তিষ্কের স্নায়ুর সংস্পর্শে আসে তখন মাথা ব্যথা দেখা দেয়।



২. মাইগ্রেনের সমস্যা : কোন কারণে অগ্ন্যাশয় গ্রন্থি অধিক সক্রিয় হলে রক্তে গ্লুকোজ ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে মস্তিষ্ক ও মস্তিষ্কের তরলে (স্পাইনাল ফ্লুইড) প্রয়োজন মত গ্লুকোজ পেঁৗছতে পারে না। এ কারণে প্রায় মাথার এক পাশে ব্যথা করতে থাকে। এ ব্যথা দূর করার জন্য নিয়মিত বেদনানাশক ঔষধ সেবন করতে হয়। যা কিডনীর সমস্যা ও অন্ত্রে আলসার হওয়ার কারণ হয়।



৩. চোখের সমস্যার কারণে মাথা ব্যথা : চক্ষু লেন্সের পেছনে অক্ষি গোলক সংলগ্ন স্নায়ু তন্ত্রের তৈরি গোলাপী পাতলা আবরণকে রেটিনা বলে। কোনো বস্তু থেকে আগত আলোক রশ্মি চোখে পড়লে রেটিনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং রেটিনার উপর এর একটি প্রতিবিম্ব সৃষ্টি হয়। চক্ষু স্নায়ু মস্তিষ্কে এর দর্শন অনুভূতি জাগায়। যারা নিকটে ভাল দেখতে পারে কিন্তু দূরে ভাল দেখতে পারে না। এদের ক্ষেত্রে দূরের বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে গঠিত হয়। এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের স্নায়ুর উপর পরে মাথার দু'পাশে ব্যথা করে।



৪. কখনো কখনো অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম করলে মাথা ব্যথা হতে পারে।



মাথা ব্যথার চিকিৎসা :



১. বাড়তি তাপ জনিত মাথা ব্যথা : প্রথমে শরীরের বাড়তি তাপ বের করে দিতে হবে। হজমশক্তি বাড়াতে হবে।



২,৫, ২২,২৩ ও ২৭ নং বিন্দুতে দিনে দু'বার চাপ দিতে হবে।



২. মাইগ্রেনের সমস্যাজনিত মাথা ব্যথা



২, ৫ ও ২৫ নং বিন্দুতে দিনে দু'বার চাপ দিতে হবে।



প্রতিরাতে এক পিচ পিঁয়াজ কপালে বেঁধে রাখলে অল্প কয়েক দিনের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা ভাল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।



৩. চোখের সমস্যাজনিত মাথা ব্যথা : ২, ৫ ও ৩৫ নং বিন্দুতে দিনে দু'বার চাপ দিতে হবে।



চিত্রের অনুরূপভাবে প্রতি দিন দু'বার দু'মিনিট করে চাপ দিলে -২.৫ উ পাওয়ার ও স্বাভাবিক হয়ে যায়।



৪. অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রম করার ফলে মাথা ব্যথা হলে ৯নং বিন্দুতে দু'মিনিট চেপে ধরে রাখলে মাথা ব্যথা তাৎক্ষণিক ভাল হয়ে যায়।



স্মৃৃতিশক্তি দুর্বলতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা : আমাদের দেহে যে জৈব বিদ্যুৎ প্রবাহিত, মস্তিষ্ক তার উৎস। মস্তিষ্কে উৎপন্ন আয়ন এ বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি করে। যদি কোনো কারণে অতিরিক্ত উৎপন্ন হয় তবে ইহা শ্বাস-প্রশ্বাসের গৃহীত অঙ্েিজনের সাথে বিক্রিয়া করে পানিতে পরিণত হয়। কিন্তু যদি আয়ন উৎপন্নের মাত্রা অনেক বেশি হয় তবে অতিরিক্ত আয়ন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং স্মৃতিশক্তি লোপ পেতে থাকে। অতিরিক্ত সঞ্চালন স্নায়ুকোষ ও সুষম্মাকা-কে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং স্পাইনাল কড দুর্বল হয়ে যায়। ফলে স্নায়ুবিক দুর্বলতা দেখা দেয়।



পার্কিনসন্স : স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হলে দেহের কোন কোন অংশ বিশেষ করে হাত, পা ও ঘাড় ইত্যাদি অঙ্গ কাঁপতে থাকে। একে পার্কিনসন্স বলে।



অচেতন অবস্থা : মস্তিষ্কের মোটর নিউরোন ক্ষতিগ্রস্ত হলে রোগী অচেতন হয়ে পড়ে, মৃত্যুর আগে কখনো কখনো রোগী ছয় মাস পর্যন্ত এই অবস্থায় থাকে।



স্মৃৃতিশক্তি দুর্বলতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতার চিকিৎসা : (ক) ১, ২, ৫, নিউরোন বিন্দু ও সাইটিকা বিন্দুতে দিনে দু'বার চাপ দিতে হবে।



২) সোজা হয়ে বসার অভ্যাস করুন। খাবারের আগে বা দুই ঘন্টা পর চেয়ারে পিঠ রেখে সোজা হয়ে বসুন। প্রথমে লম্বা করে নিঃশ্বাস ছেড়ে দেন। তারপর লম্বা করে নিঃশ্বাস নিন। প্রতিদিন ৮-১০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে।



৩) দেহ থেকে টঙ্নি বের করে দেয়ার জন্য প্রতি রাতে (একাধারে তিন দিন) দুচামচ কফি পাউডার, এক চামচ কাস্টোর-ওয়েল ও পাঁচ মিলি পানি ভালভাবে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ঢুস দিন। এই মিশ্রণ শরীরের টঙ্নিকে জ্বালিয়ে দেয়। এই পদ্ধতি এক নাগাড়ে সাত দিন ব্যবহার করে আমার এক রোগীর ওজন প্রায় আট কেজি কমেছে।



৪) ৬০ গ্রাম মরিচা মুক্ত লোহা, ৬০ গ্রাম বিশুদ্ধ তামা, ৩০ থেকে ৬০ গ্রাম রুপা, ১০ থেকে ৩০ গ্রাম সোনা আট গ্লাস পানিতে রেখে ফুটিয়ে চার গ্লাস করে নিন। তারপর ছেঁকে নিয়ে সম্ভব হলে ফ্লাঙ্ েরেখে দিন। সারা দিন এই পানি কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় পান করতে দিন। যে কোন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী (ডায়েবেটিস, হাই-প্রেসার, ক্যান্সার ইত্যাদি) রোগের ক্ষেত্রে এই পানি অবশ্যই পান করা উচিত।



ভ্রুণের মস্তিষ্কের সমস্যা : গর্ভ ধারণের তিন মাস পর থেকে মানব শিশুর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন অংশের উন্নতি শুরু হয় এবং জন্মের পর নয় মাস পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। এজন্য এই সময় গর্ভবতী মায়ের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ভ্রুণ অবস্থায় মস্তিষ্কের সামান্য ক্ষতি পরিণত বয়সে গুরুতর অঙ্গহানির কারণ হয়ে থাকে। অনেক শিশুর ক্ষেত্রে জন্মের পর পরই একপাশ প্যারালাইসিস হয়ে থাকে।



ভ্রুণের মস্তিষ্কের সমস্যার মূল কারণ : পুরুষের শুক্রাণু ও মেয়েদের ডিম্বাণুকে কাঁচা ইটের (পর্যাপ্ত তাপ না পেলে অপরিপক্ক থেকে যায়) সাথে তুলনা করা যায়। বয়ঃসন্ধিকালে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু উৎপন্ন হওয়া শুরু হয়, ২১ থেকে ২৪ বছর বয়সে তা পরিপক্কতা লাভ করে। এ সময়ের মধ্যে যদি ছেলেদের ( অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ এবং হস্তমৈথুন, যৌন বিষয়ক বই পড়ে, যৌন বিষয়ক ভিডিও দেখে অথবা দেহের বাড়তি তাপের কারণে শুক্ররস পাতলা হলে) শুক্রাণু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মেয়েদের (যৌন বিষয়ক বই পড়ে, যৌন বিষয়ক ভিডিও দেখে অথবা দেহের বাড়তি তাপজনিত কারণে অতিরিক্ত সাদা স্রাব নিঃসৃত হলে) ডিম্বরস পাতলা হয়। তবে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু অপরিপক্ক থেকে যায়। এসব অপরিপক্ক শুক্রাণু বা ডিম্বাণু থেকে যে ভ্রূণ জন্ম হয় তাদের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত থাকে।



২. কোন মা সন্তান গর্ভে ধারণ করা অবস্থায় যদি অধিক যৌন মিলন করে, অতিরিক্ত টেনশন করে অথবা পেটে কোন আঘাত পায় তবে গর্ভস্থ সন্তানের মস্তিষ্কের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।



৩. কোন মা সন্তান গর্ভে ধারণ করা অবস্থায় যদি ঠা-া, জ্বর, মাম্পস, গ্যাস্ট্রিক অথবা অধিক তাপ জনিত সমস্যায় ভোগেন তবে গর্ভস্থ সন্তানের মস্তিষ্কের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।



মস্তিষ্কের সমস্যা শুরু হওয়ার সাথে সাথে মস্তিষ্কে অবস্থিত পিটুইটারী ও পিনিয়াল গ্রন্থি আক্রান্ত হয়। এই আক্রান্ত গ্রন্থিগুলো যৌন গ্রন্থিকে বিশৃঙ্খল করে দেয় এবং থাইরয়েড/প্যারাথাইরয়েড ও এড্রিনাল গ্রন্থি শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে।



ভ্রুণের সমস্যাগুলো : ভ্রুণের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে সাধারণত পোলিও, পেশীর ক্ষয়িষ্ণুতা, স্নায়ুবিক পীড়া ইত্যাদি হয়।



চিকিৎসা : গর্ভ ধারণ করা অবস্থায় মস্তিষ্কের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য সর্ব প্রথম এর মূল কারণগুলো জেনে এগুলো প্রতিকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।



১) বিবাহিত মেয়েদের মাসিক অনিয়মিত থাকলে তার চিকিৎসা করে নিন। গর্ভ ধারণের পূর্বে কম পক্ষে চার মাস মাসিক নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন।



২) গর্ভ ধারণের পর থেকে সন্তান প্রসব পর্যন্ত নিয়মিত আকুপ্রেশার চিকিৎসা করতে হবে।



৩) শিশুর কোন ধরণের মস্তিষ্কের সমস্যা দেখা দিলে ১ থেকে ৫, ৭ থেকে ৯, ২৫, ২৮ ও ২৬ নং বিন্দুতে দিনে দু'বার আকুপ্রেশার চিকিৎসা করতে হবে।



৪) ৬০ গ্রাম মরিচা মুক্ত লোহা,৬০ গ্রাম বিশুদ্ধ তামা, ৩০ থেকে ৬০ গ্রাম রুপা, ১০ থেকে ৩০ গ্রাম সোনা চার গ্লাস পানিতে রেখে ফুটিয়ে এক করে নিন। তারপর ছেঁকে নিয়ে সম্ভব হলে ফ্লাঙ্ েরেখে দিন। সারাদিন এ পানি কুসুম কুসুম গরম অবস্থায় বার বার এক/দু'চামুচ করে পান করান।



যদি ছেলেরা একুশ বছর বয়স পর্যন্ত তাদের শুক্রাণু এবং মেয়েরা আঠার বছর বয়স পর্যন্ত তাদের ডিম্বাণু সুরক্ষা করতে পারে তাহলে তাদের দাম্পত্য জীবন হবে সুখের এবং তারা সুস্থ ও সবল সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হবে।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫০৬৮২৪
পুরোন সংখ্যা