চাঁদপুর, সোমবার ২৮ অক্টোবর ২০১৯, ১২ কার্তিক ১৪২৬, ২৮ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


০৩। যাহারা নিজেদের স্ত্রীগণের সহিত যিহার করে এবং পরে উহাদের উক্তি প্রত্যাহার করে, তবে একে অপরকে স্পর্শ করিবার পূর্বে একটি দাস মুক্ত করিতে হইবে, ইহা দ্বারা তোমাদিগকে উপদেশ দেওয়া যাইতেছে। তোমরা যাহা কর আল্লাহ তাহার খবর রাখেন।


 


 


 


assets/data_files/web

গণতন্ত্রের উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর নির্বাচন।


-এইচ. জি. ওয়েলস।


 


 


অতিথি সৎকারকারীর অসুবিধা উৎপাদন করিয়া অতিথির বেশিদিন অবস্থান করা উচিত নয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
শিশু-কিশোরদের পুষ্টির চাহিদা
আখতারুন নাহার আলো
২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিশু জন্মের প্রথম ছয় মাস মায়ের দুধ পান করাতে হবে। এমনকি এ সময় এক ফোঁটা পানিও দেয়া যাবে না। শিশুকে মায়ের প্রথম যে দুধ দেয়া হয় তাকে শালদুধ বা কোলোস্ট্রাম বলে। এটির হলুদ রঙের এবং এটি রোগ প্রতিরোধ করে। এরপর থেকে শিশুকে নতুন খাদ্যে অভ্যস্ত করাতে হবে। প্রথমে তরল খাবার যেমন- বিভিন্ন ফলের রস, সবজির পাতলা স্যুপ ইত্যাদি দিতে হবে। তারপর তরল খাবার কিছুটা ঘন করে দিতে হবে। এ সময় ভাত, ডাল, সবজি বেস্নন্ড করে দেয়া যাবে। ধীরে ধীরে নরম খাবারের অভ্যাস করাতে হবে। এ সময় নরম সিদ্ধ মাছ, নরম ভাত, ডিমের কুসুম দেয়া যাবে। দুধ-সুজিও দেয়া যাবে।



 



শিশুর অন্যতম পরিপূরক খাবার হলো খিচুড়ি। পরীক্ষায় দেখা গেছে, যদি খাদ্যশস্য ও ডালের পরিমাণ ৫:১ এ অনুপাতে থাকে, তাহলে এদের মিলিত প্রোটিন দেহ গঠনে বিশেষ সহায়তা করে। সুতরাং খিচুড়ি একটি পুষ্টিকর ও উপাদেয় খাবার। এটি রান্নার সময় সামান্য তেল, সবজি ও ছোট মাছ কেটে দেয়া যেতে পারে। খাওয়ানোর সময় লেবুর রস দিলে ভিটামিন সিও পাওয়া যাবে।



 



কৈশোরের পুষ্টি



 



কৈশোরে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে বলে এ সময় সুষম খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এ জন্য খাবারে থাকতে হবে আমিষ, শর্করা, চর্বি, খনিজ লবণ ও ভিটামিনযুক্ত খাবার। আজকাল দেখা যায়, এই বয়সের ছেলেমেয়েরা বাইরের খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হয়, অথচ এই খাবারগুলোতে তেল, চর্বি, লবণ অনেক বেশি থাকে, যা শরীরের জন্য ভালো নয়। এ কারণে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে দেখা দেয় ওজনাধিক্য এবং অপুষ্টি।



 



মেয়েদের বেলায় রক্তস্বল্পতার ঘাটতি প্রায়ই হয়ে থাকে। এ কারণে আয়রনের জন্যে তাদের নিয়মিত ডিম, মাংস, কলিজা, সামুদ্রিক মাছ, সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামের জন্য দুধ খাওয়া প্রয়োজন। কিশোরদের খেলাধুলা, বাইরে ছোটাছুটির জন্যও প্রোটিন, ভিটামিন ও আয়রন বা লৌহের দিকে নজর দিতে হবে।



 



প্রতিদিন একটি ডিম তাদের দেহগঠন ও কর্মক্ষমতার জন্য প্রয়োজন। মধ্যবয়সের মানুষের কাজের পরিধি বেড়ে যায়। এ কারণে তাদের শক্তির প্রয়োজন। এ সময় ক্যালরি খরচ বেশি হয়। আবার এ সময় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা যায়। এজন্যে এ সময় ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যুক্ত খাবার খেতে হয়। এই বয়সে এ দুটি খাদ্য উপাদানের অভাবে হাড়ের রোগ দেখা যায়। হাড় সহজেই ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।



লেখক : অধ্যাপক, পুষ্টি বিশেষজ্ঞ।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৯৯৩১৮
পুরোন সংখ্যা