চাঁদপুর, সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬, ১৭ জিলহজ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৮। প্রত্যুষে বিরামহীন শাস্তি তাহাদিগকে আঘাত করিল।


৩৯। এবং আমি বলিলাম, 'আস্বাদন কর আমার শাস্তি এবং সতর্কবাণীর পরিণাম।'


৪০। আমি কুরআন সহজ করিয়া দিয়াছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেহ আছে কি?


 


 


 


ভালোবাসার কোনো অর্থ নেই, কোনো পরিমাপ নেই।


-সেন্ট জিরোমি


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
আকুপ্রেশার পদ্ধতি স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা
অধ্যাপক কে. এম. মেছবাহ উদ্দিন
১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পূর্ব প্রকাশের পর



বিনা যন্ত্রে চেক-আপ ও বিনা খরচে চিকিৎসা : কোনো রোগীর চিকিৎসা করার পূর্বে রোগের মূল কারণ কী তা জানা চিকিৎসকের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।



বর্তমানে বিজ্ঞানের দ্রুত অগ্রগতির যুগে রোগ নির্ণয়ের জন্যে শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াও মল মূত্র ও রক্ত পরীক্ষা এক্স-রে, ই.সি.জি, সনোগ্রাফী, কার্ডিওগ্রাম, ব্রেন-স্ক্যানিং ইত্যাদি রিপোর্টের প্রয়োজন হয়। এগুলো হলো ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া, যা অধিকাংশ রোগীর সামর্থ্যের বাইরে। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। হেকিমী, আয়ুর্বেদী ইউনানী পদ্ধতিতে রোগ নিরাময়ের চিকিৎসা উপাদান দুষ্প্রাপ্য ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল।



হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে রোগীর সাথে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হয়। যার ফলে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ ডাক্তার অল্প কয়েক জন রোগীকে চিকিৎসা দিতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর অনেক গোপনীয় সমস্যা প্রকাশ করতে ইতস্ততবোধ করেন। ফলে প্রকৃত রোগের চিকিৎসা হয় না।



আকুপ্রেশার পদ্ধতিতে খুব সহজে এবং অল্প সময়ের মধ্যে রোগের মূলে পেঁৗছা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রোগীর নিকট থেকে কোনো তথ্য জানারও প্রয়োজন হয় না। তাছাড়া আকুপ্রেশারের বিন্দুগুলোর অবস্থান হাতের তালু ও পায়ের তালুতে হওয়ায় কোনো অনভিজ্ঞ ব্যক্তিও চিত্রের পাশাপাশি হাত রেখে খুব সহজে শরীরের কোনো অঙ্গের বিন্দুতে চাপ দিয়ে ঐ অঙ্গের সুস্থতা-অসুস্থতা সম্বন্ধে জানতে পারেন। এ পদ্ধতি এতো সহজ যে এটি শেখার জন্যে বেশি সময়ও ব্যয় করতে হয় না।



শিশুদের রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আকুপ্রেশার বিশেষভাবে কার্যকর। কারণ শিশুরা নিজেদের সমস্যা প্রকাশ করতে পারে না, তারা শুধু কাঁদতে জানে। কোনো অঙ্গে সমস্যা হলে ঐ অঙ্গের অনুরূপ বিন্দুতে চাপ দিলে হয় সে হাত-পা সরিয়ে নিবে অথবা কেঁদে উঠবে। তাছাড়া শিশুদের গ্রন্থিগুলোর বিন্দুতে যদি প্রতিদিন ৫ মিনিট চিকিৎসা করা হয় তাহলে তারা সুস্থ সবল ও বিশেষ চারিত্রিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠবে।



বোবাদের জন্যে এই চিকিৎসা বিশেষ উপযোগী, কারণ তারাও তাদের সমস্যার কথা প্রকাশ করতে পারে না।



প্রয়োজনীয় যন্ত্র : আকুপ্রেশার চিকিৎসায় বিশেষ কোনো যন্ত্রের প্রয়োজন নেই। উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল হলো প্রধান যন্ত্র। তবে একাধিক বিন্দুতে সমস্যা থাকলে এবং পায়ের তালুর চামড়া মোটা হওয়ায় ও বিন্দুগুলো গভীরে থাকায় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের দ্বারা বিন্দুগুলো সনাক্ত করা ও চিকিৎসা করা কঠিন। এর ফলে বৃদ্ধাঙ্গুলো ব্যথা হয়ে যায়। এজন্যে চাপ দেয়ার সুবিধার্থে এবং শরীরের সব অঙ্গের সুইচগুলো তথা অঙ্গগুলোকে সক্রিয় রাখার জন্যে আমরা সাধারণত হ্যান্ড রোলার, ফুট রোলার ও সেফা কাঠি ব্যবহার করে থাকি।



(ঢ) হ্যান্ড রোলার ও ফুট রোলার ব্যবহারের উপকারিতা : দিনে দুইবার (সকালে নাস্তার পরে ও রাত্রে খাবারের পরে) ব্যবহার করলে নিম্নের উপকার গুলো হয়।



১। হজম প্রণালী সহ শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গ সক্রিয় হয়।



২। ডায়াবেটিস, এসিডিটি, গ্যাসট্রিক, মেদ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে।



৩। হাঁটু, কোমর, পিঠ ও গাঁটের ব্যথা ইত্যাদি সাইটিকা জনিত সমস্যা নিরাময় করে।



৪। ১৮ বছরের নিচের ছেলে মেয়েদের উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।



৫। ক্লান্তি অবসাদ ও অনিদ্রা দূর করে। ৪০ বছর বয়সের পর প্রত্যেক ব্যক্তি এই রোলার গুলো নিয়মিত



ব্যবহার করলে অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো সতেজ থাকবে এবং রোগের প্রবণতা কমে যাবে।



আকুপ্রেশারের বিন্দুগুলোর অবস্থান : পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, আমাদের শরীরে যে বিদ্যুৎ প্রবাহ চলে, তার বর্তনী হাতের তালু ও পায়ের তালুতে শেষ হয়েছে। এজন্যে হাতের তালু ও পায়ের তালু হচ্ছে ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের সুইচ বোর্ড। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গের সুইচ হচ্ছে হাতের তালু ও পায়ের তালুর বিন্দু।



অধিকাংশ অঙ্গ ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি শরীরের ডান ও বাম উভয় দিকে অবস্থিত। সুতরাং তাদের অনুরূপ বিন্দুগুলো উভয় হাত ও উভয় পায়ের তালুতে অবস্থিত। যেহেতু লিভার, পিত্তথলি এবং উপাঙ্গ (অঢ়ঢ়বহ ফরী) শরীরের ডান দিকে অবস্থিত। তাদের বিন্দুগুলো ডান হাত ও ডান পায়ের তালুতে অবস্থিত। হার্ট ও প্লীহা শরীরের বাম দিকে অবস্থিত এবং তাদের অনুরূপ বিন্দু গুলো বাম হাতের তালু ও বাম পায়ের তালুতে অবস্থিত। নিচের গুলোতে তাদের অবস্থান দেয়া হলো। চিত্র-২,



চিত্র-৩



মেরুদ-, চক্ষুর স্নায়ু, স্নায়ু এবং স্তন ইত্যাদি অঙ্গের বিন্দুগুলো হাতের ও পায়ের তালুর উল্টো দিকে অবস্থিত। চিত্র-৪, চিত্র-৫



চিত্রে বর্ণিত বিন্দুগুলোর মধ্যে গ.ঋ., ঘ.চ., অন্ত্রগুচ্ছ এবং শক্তির বিন্দু ছাড়া সকল অঙ্গ ও গ্রন্থিগুলোর সাথে আমরা পরিচিত। এই বিন্দুগুলোর সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে দেয়া হলো।



শক্তি (বিন্দু নং ৩২) : বিনিদ্র রাত্রি যাপন করলে বা অধিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে ক্লান্তি-অবসাদ সৃষ্টি হয়। ঐ সময় ৩২ নং বিন্দুতে ব্যথা অনুভব হয়। এর অর্থ হল ঘুম বা বিশ্রামের দ্বারা আমাদের জীবন ব্যাটারী যেমন পূর্ণ চার্জ হয় তা ঠিক মত হয়নি। তখন ৩২ নং বিন্দুতে চাপ দিয়ে চিকিৎসা করলে এবং হালকা গরম পানি পান করলে এই চার্জের ঘাটতি পূরণ হয়। তবে স্বাস্থ্যকর পানীয় নিয়মিত পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায় (স্বাস্থ্যকর পানীয় নিয়ে বিশদ আলোচনা পরে আসছে)।



গ.ঋ. ও ঘ.চ. বিন্দু : অতিরিক্ত মানসিক চাপ, হতাশা, অনিদ্রা ও অস্থিরতার কারণে মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় গ.ঋ. ও ঘ.চ. বিন্দুতে চাপ দিলে ব্যথা হয়। যদি ব্যথা অসহ্য হয়, তবে বুঝতে হবে ঐ ব্যক্তি ভেঙে পড়তে চলেছেন। এ অবস্থায় এক হাতের আঙ্গুলগুলো অন্য হাতের আঙ্গুলগুলোর মধ্যে ঢুকিয়ে সজোরে চেপে ধরুন। তারপর ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে বাম হাতের পেছনে এবং বাম হাতের আঙ্গুল দ্বারা ডান হাতের পেছনে দুই মিনিট চাপ দিন।



পায়ের আঙ্গুলগুলোর মধ্যে হাতের আঙ্গুলগুলো ঢুকিয়ে সজোরে উল্টো দুই থেকে তিন মিনিট চাপ দিন। হঠাৎ অজ্ঞান হওয়া রোগীদের এভাবে চাপ দিলে দ্রুত জ্ঞান ফিরে আসে।



অন্ত্রগুচ্ছ (বিন্দু নং ২৯) : এটি পাকস্থলীর পেছনে মেরুদ-ের কটিদেশীয় প্রথম কশেরুকা বরাবর অবস্থিত একগুচ্ছ স্নায়ু। মধ্যচ্ছদা বা ডায়াফ্র্যাম-এর নিচে অবস্থিত (যেমন লিভার পাকস্থলী ইত্যাদি) সকল অঙ্গের নিয়ন্ত্রণ হয় অন্ত্রগুচ্ছ দ্বারা। এর আরেক নাম 'নাভী চক্র'। চিত্র-৬



অন্ত্রগুচ্ছের পরীক্ষা : সকাল বেলা খালি পেটে সমতল স্থানে চিৎ হয়ে শুয়ে নাভীর উপর আঙ্গুল দ্বারা চাপ দিলে যদি হৃৎকম্পনের মত অনুভব হয়, তাহলে বুঝতে হবে অন্ত্রগুচ্ছ ঠিক আছে। অতিরিক্ত বায়ুর চাপে অথবা অতিরিক্ত ওজন তুললে অন্ত্রগুচ্ছ স্থানচ্যুত হয়। যাদের পাকস্থলী ও লিভারে সমস্যা এবং পিত্তের দোষ আছে তাদেরও নাভীচক্র সঠিক স্থানে থাকে না। এই অবস্থা স্পন্দন নাভীর মধ্যে না হয়ে আশে পাশে হয়।



অন্ত্রগুচ্ছ সরে গেলে কী কী সমস্যা হয় :



১। অন্ত্রগুচ্ছ উপরে সরে গেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। দীর্ঘ দিনের কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে অর্শ্ব, মলদারে গ্যাজ এমন কি মলাশয়ে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়।



২। অন্ত্রগুচ্ছ নিচে সরে গেলে পাতলা পায়খানা উদরাময় ঘটায়। ঔষধ দ্বারা এটির সাময়িক উপশম হয় কিন্তু স্থায়ী নিরাময় সম্ভব নয়।



৩। মেয়েদের মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা হয়।



দীর্ঘ দিন অন্ত্রগুচ্ছ সঠিক স্থানে না থাকলে বুকে পিঠে ব্যথা হতে পারে যাকে, হৃদযন্ত্রের ব্যথা বলে অনেক সময় ভুল করা হয়।



সাইটিকা স্নায়ু : মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকা- থেকে সৃষ্ট টেলিফোন ক্যাবল-এর ন্যায় এক গুচ্ছ স্নায়ু মেরুদ-ের ভেতর দিয়ে এসে দু'হাত ও দু'পায়ের মধ্য দিয়ে আঙ্গুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত । আবার মেরুদ- থেকে উৎপন্ন স্বল্প দৈর্ঘ্যের স্নায়ু শরীরের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল অংশের সাথে যুক্ত। চিত্র-৭



ধাক্কা লাগলে, ভারী বস্তু তুললে, ঠা-া লাগলে অথবা উচুঁ হিলযুক্ত জুতা পরলে পায়ের সায়টিকা স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে হাঁটু কোমর এবং গোড়ালীতে ব্যথা হয়। কিন্তু মেরুদ-ের কোন ক্ষতি হয় না। ব্যথার মূল কারণ এঙ্-রেতেও ধরা পড়ে না। একই ভাবে হাতের রেডিয়াল স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাত ভাঁজ করতে কষ্ট হয়, কাঁধের পেছনে ব্যথা হয় এবং হাত উপরে উঠাতে কষ্ট হয়। যারা চেয়ারে বসে নামাজ পড়েন তাদের অধিকাংশ পায়ের সাইটিকা স্নায়ুর সমস্যায় ভুগছেন।



সাইটিকা সমস্যার সাথে যদি থাইরয়েড গ্রন্থি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সে ক্ষেত্রে অবস্থা আরো জটিল হয়। রোগীকে বেদনা নাশক ঔষধের সাথে বাড়তি ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সেবন করতে হয়। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায় অধিক বেদনা নাশক বড়ি এবং ক্যালসিয়াম সেবনের ফলে কিডনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু আকুপ্রেশার চিকিৎসার মাধ্যমে খুব সহজে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।



দাঁতের চিকিৎসা : আল্লাহতায়ালা আমাদের খাদ্য চিবিয়ে খাওয়ার জন্য দাঁত দিয়েছেন। কোনো খাদ্য গ্রহণের সময় ১০ থেকে ১২ বার চিবিয়ে খাওয়া উচিত। অন্যথায় পাকস্থলীর উপর অর্ধেক চাপ পড়বে। প্রত্যেক বার খাদ্য গ্রহণের পর দাঁতের আটকে যাওয়া খাবার বের করার জন্য খেলাল করা এবং সামান্য লবণ চিবিয়ে পানি দ্বারা গড়গড় করা বা কুলি করা উচিত। এতে গলা ও দাঁত পরিষ্কার হয়। চিত্র-৮



দাঁতের গোড়ায় ব্যথা, দাঁত নড়া, দাঁতের গোড়ায় পুঁজ হওয়া ইত্যাদি যে কোনো দাঁতের সমস্যার জন্য দাঁতের ক্রম অনুসারে নির্দিষ্ট আঙ্গুলের অগ্রভাগে খাড়াভাবে দুই থেকে তিন মিনিট বিরামহীন চাপ দিলে উপশম হয়। স্থায়ী নিরাময়ের জন্য নিয়মিত কয়েকদিন চিকিৎসা করতে হয়। দাঁতে গোড়ায় ঘা থাকলে এর সাথে ১৬ নং বিন্দুতে চাপ দিতে হয়।



দাঁতের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে হজমের গোলযোগ এবং পিত্তের দোষের কারণে হয়। সেক্ষেত্রে এই বইয়ের চতুর্থ অধ্যায়ে বর্ণিত হজম শক্তি বৃদ্ধির চিকিৎসা এবং ২২ নং বিন্দুতে চাপ দিতে হবে। প্রতিবেলা খাওয়ার পরে দুটি লবঙ্গ চিবিয়ে খেতে হবে।



২৯ নং চিত্রে দাঁতের ক্রমের সাথে আঙ্গুলের ক্রম দেখানো হয়েছে। মধ্যরেখার ডান পাশের উভয় পার্টির দাঁতের ক্রম ডান হাতের আঙ্গুলের সাথে এবং বাম পাশের উভয় পাটির দাঁতের ক্রম বাম হাতের আঙ্গুলের সাথে সম্পর্কিত।



চুলের যত্নে আকুপ্রেশার : চুল ওঠা অল্প বয়সে চুল পাকা বর্তমান সমাজে একটি বিরাট সমস্যা। নিয়মিত আকুপ্রেশার চিকিৎসা চালিয়ে গেলে যেমন চুল ওঠা বন্ধ হয় এবং চুলপাক ধরার সময় এই চিকিৎসা নিয়মিত করলে চুল পাকা বিলম্বিত হয় এবং চুল অনেক দিন কালো থাকে। চিত্র-৯



দু হাতে শাহাদাত আঙ্গুল থেকে কনিষ্ঠ আঙ্গুল পর্যন্ত এই আটটি আঙ্গুলের নখে নখে সকালে পাঁচ মিনিট ও বিকালে পাঁচ মিনিট ঘষলে অথবা যে কোনো সময় একাধারে দশ মিনিট ঘষলে চুল উঠা বন্ধ হয় এবং চুল পাকা বিলম্বিত হয়। অনেক সময় পিত্তাধিক্য ও যৌন সমস্যার কারণেও এ সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে উপরের চিকিৎসার সাথে পিত্তাধিক্যের কারণ হলে ২২ ও ২৩ নং বিন্দুতে চিকিৎসা করুন এবং দেহের অতিরিক্ত তাপ বের করে দিন। আর যৌন সমস্যার কারণ হলে ১১ থেকে ১৪ নং বিন্দুতে নিয়মিত চিকিৎসা করুন।



লেখক : অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারী কলেজ এবং আকুপ্রেশার গবেষক।



মোবাইল ফোন : ০১৯১৪৯১০৬২৬ (আকুপ্রেশারের বই পেতে এই নম্বরে যোগাযোগ করুন)।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭২৪৪৪
পুরোন সংখ্যা