চাঁদপুর, সোমবার ১০ জুন ২০১৯, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৬ শাওয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা যারিয়াত


৬০ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৬। আর সেথায় আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোনো আত্মসমর্পণকারী পাই নাই।


৩৭। যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।


৩৮। এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফিরআউনের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলাম,


 


 


assets/data_files/web

প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


কবরের উপর বসিও না এবং উহার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িও না।


 


 


ফটো গ্যালারি
আমাদের সমস্যা রোগ নয় টক্সিন
কে এম মেজবাহ উদ্দিন
১০ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


অধিকাংশ লোকের রোগ সম্বন্ধে ধারণা অদ্ভূত। তারা রোগকে এক ধরনের আজাব, মুসিবৎ এবং অভিশাপ মনে করে থাকে। বর্তমান বিজ্ঞানের যুগেও গ্রামের লোকজন রোগকে জ্বীন, ভূত ও প্রেতাত্মা নির্ভর অসুস্থতা মনে করে থাকে। কোন কোন শিক্ষিত সম্মানী ব্যক্তিও রোগকে খারাপ কাজ ও পাপের প্রায়শ্চিত্ত বলে মনে করে থাকেন। কিন্তু রোগ পাপের কারণ নয় বরং পাপ মোচনের উপায়, আল্লাহর রহমত পাওয়ার মাধ্যম এবং মানব চরিত্রের ক্ষতিকারক গুণাবলি যেমন অহংকার, হিংসা, আত্মগরিমা, বদমেজাজ ইত্যাদি দমনের কারণ হয়।



প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করলে দেখা যায়, রোগের কারণে কঠোর প্রকৃতির লোকেরাও শিথিল ও স্বাভাবিক হয়ে যায়, কঠিন থেকে কঠিনতর মনের মানুষের মধ্যেও কোমলতা সৃষ্টি হয়, ধনী লোকেরা গরিবের দুঃখ উপলব্ধি করতে পারে। এই রোগের কারণেই মানুষের মধ্যে আল্লাহর ভয় পয়দা হয়। ফলে অপরাধ প্রবণতা কমে যায়। এক কথায় মানব সমাজের ভারসাম্য রক্ষায় রোগ আল্লাহ তায়ালার এক রহস্যময় সৃষ্টি ।



রোগ আমাদের শত্রু নয়।: রোগের নাম শুনলেই ভয়ে, আতঙ্কে আমরা জড়সড় হয়ে যাই। হতাশা, নিরাশা ইত্যাদি আমাদেরকে ঘিরে ধরে। অনেকে রোগকে গালমন্দ করতে থাকে। রোগকে শত্রু হিসাবে মনে করে। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে বিষয়টি সত্য হলেও প্রকৃত পক্ষে রোগ আমাদের শত্রু নয়। যেমন জ্বরের কথাই ধরা যাক, বহু কল্যাণ বহন করে দেহ ও মনকে পবিত্র করে। যেমন একটি হাদিসে আছে "তোমরা জ্বরকে গালি দিও না। কারণ ইহা গুনাহকে এমন ভাবে মিটিয়ে দেয় যেভাবে আগুন লোহার মরিচা এবং ময়লা পরিষ্কার করে দেয় (তীব্বে নববী)।" জ্বর আমাদের দেহের টঙ্নি নামক বিষাক্ত পদার্থকে জ্বালিয়ে দেয় এবং দেহ ব্যবস্থাকে পরিষ্কার করে। সুতরাং ঔষধের সাহায্যে আমরা জ্বরের সাথে মোকাবেলা না করে নিম্ন লিখিত উপায়ে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।



১. ছয় থেকে আট গ্লাস পানিতে সোনা অথবা রূপা অথবা তামা অথবা লোহাসহ জাল দিয়ে অর্ধেক করে (হালকা গরম ) ঘন ঘন পান করতে দিন। এটি আমাদের জীবন ব্যাটারীকে সক্রিয় করে ।



২. যদি এটি সম্ভব না হয় তবে দেড় ঘন্টা পরপর এক গ্লাস গরম পানি পান করতে দিন।



৩. সম্ভব হলে কয়েক ঘন্টা ভুখা রাখুন না হয় সবুজ রস এবং ফলের রস পান করতে দিন।



৪. যদি তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রি অথবা এর চেয়ে বেশি হয় তবে মাথা ও পাকস্থলিতে (পেটে) বরফের প্যাকেট রেখে দিন। কিন্তু ঠা-া অথবা সাইনোসাইটিস থাকলে মাথায় বরফ দেয়া ঠিক নয়।



৫. শরীর থেকে টঙ্নি বের করে দিন।



৬. ১২টি গোল মরিচ চূর্ণ ও ৩ চামচ চিনি এক গ্লাস পানিতে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পান করুন। জ্বরের প্রচ-তা বেশি হলে দুই তিন ঘন্টা ভিজিয়ে রেখেও পান করতে পারেন।



৭. জ্বরের কারণে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলো, হজম প্রণালীর সাথে সম্পর্কিত অঙ্গসমূহ, ফুসফুস ও কিডনী দুর্বল হয়ে পড়ে। এজন্যে এই সকল অঙ্গের বিন্দুতে দিনে দু'বার আকুপ্রেশার চিকিৎসা করুন । এভাবে আমরা যেকোন রোগকে প্রাকৃতিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।



 



রোগ দর্শন : গভীরভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অধিকাংশ রোগই আমাদের দেহে রাতারাতি প্রবেশ করে না। যেকোন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রকাশের পূর্বে দেহ কিছু সতর্ক সংকেত বা লক্ষণ দেয়। এই সংকেতগুলো বুঝে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায় তবে ঐ সমস্ত জটিল রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। যেমন যকৃতে (লিভার) পিত্তরস উৎপন্ন হয়ে পিত্তথলিতে সংগৃহীত হয়। সেখান থেকে প্রয়োজনমত পিত্তরস ক্ষরণ হয়। কোন কারণে পিত্ত প্রবাহ বেড়ে গেলে দেহের তাপ বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত তাপ বের করে দেয়ার জন্য ঘন ঘন ঠা-া লাগে। সুতরাং ঘন ঘন ঠা-া লাগা লিভার ও পিত্তথলির জন্য একটি সতর্ক সংকেত। ঔষধ দ্বারা এটিকে চাপা দিলে ধীরে ধীরে সাইনোসাইটিস, অ্যালার্জি, অ্যাজমা ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয় । এরপরও যদি এই অতিরিক্ত তাপকে অবজ্ঞা করা হয় তবে দেহ এর চেয়ে শক্তিশালী সংকেত জন্ডিসকে পাঠায়। এটিও অবজ্ঞা করলে লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি জটিল রোগে আক্রান্ত হয়।



আবার কোন কারণে পিত্ত প্রবাহ কমে গেলে দেহে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। দিনের বেলা কর্ম ব্যস্ততার কারণে এই পানি উত্তপ্ত থাকে। ফলে এর কোনো প্রভাব লক্ষ্য করা যায় না। কিন্তু রাতের ঠা-া আবহাওয়া এবং ঘুমের মধ্যে শরীর যখন শীতল হয়ে যায় তখন এই পানি ফুসফুস ও মস্তিষ্কে আর্দ্রতা সৃষ্টি করে। দিনের জলীয়বাষ্প যেমন রাতে শিশির আকারে পড়তে থাকে তেমনিভাবে সকালে ঘুম থেকে উঠলে মস্তিষ্কে জমা এই পানি সর্দি আকারে পড়তে থাকে এবং ঘন ঘন হাঁচি আসে। অতএব ঘন ঘন ঠা-া লাগা, জন্ডিস, সর্দি, হাঁচি ইত্যাদি হল লিভারের সমস্যার পূর্বাভাস ।



সমস্যার প্রথম দিকে ফুসফুস ও মস্তিষ্ক পরিস্কার থাকে। ধীরে ধীরে এইসব অঙ্গে শ্লেষ্মা জমা হতে থাকে। পরবর্তীতে সাইনোসাইটিস, অ্যালার্জি, অ্যাজমা ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে এক অঙ্গের সংকেতকে অবজ্ঞা করলে অন্যান্য অঙ্গও আক্রান্ত হয়।



কিডনীর কাজ হলো রক্তকে ছেঁকে বিশুদ্ধ করা এবং দূষিত পদার্থ (কার্বন, টঙ্নি ইত্যাদি) শরীর থেকে বের করে দেয়া। কিন্তু কিডনীর কোনো সমস্যা হলে এটি দূষিত পদার্থ ছাঁকতে পারে না। ফলে রক্তে দূষিত পদার্থ বেড়ে যায়, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হয় এবং হাত পা ফুলে যায়। সমস্যার প্রথম দিকে বাস, ট্রেন ইত্যাদি ভ্রমণে অথবা দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে থাকলে পা ফুলে যায়। সুতরাং হাত পা ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, প্রস্রাব দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া ইত্যাদি কিডনী সমস্যার সতর্ক সংকেত ।



এইভাবে যেকোন অঙ্গে সমস্যা হলেই শরীর আমাদেরকে কোন না কোন সংকেত দেয়। এই সব সংকেত সবার পক্ষে বুঝা সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু শরীরে কোন অস্বাভাবিক অবস্থা হলেই এর একটি প্রভাব (ব্যথা) ঐ অঙ্গের সুইচের উপর পড়ে। সুতরাং শরীরে কোন সমস্যা দেখা দিলেই আকুপ্রেশারের বিন্দুগুলো পরীক্ষা করে কোন অঙ্গে সমস্যা তা বের করা যায় এবং কোনো রকম ঔষধ ব্যবহার না করেই নিরাময় করা যায়।



আকুপ্রেশারের এই বিন্দুগুলোর অবস্থান নির্ণয় এত সহজ যে, যে কোন ব্যক্তি এমনকি দশ বছরের শিশুও চিত্র দেখে যেকোন অঙ্গের সুইচের অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে এবং চাপ দিয়ে এর সুস্থতা-অসুস্থতা সম্বন্ধে জানতে পারবে।



 



বিভিন্ন অঙ্গের আরও কতিপয় সংকেত :



১. কোন রোগীর চোখের কোণায় (নিচের পাপড়ির ভিতরে) যদি লালবর্ণ না থাকে অর্থাৎ সাদা থাকে তবে এটি রক্তশূন্যতা এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে কৃমি আছে নির্দেশ করে।



২. কোন রোগীর চোখের নিচের পাপড়ির নিচে যদি বৃত্তাকার ফোলা ও কালো থাকে তবে তার কিডনী সঠিকভাবে কাজ করছে না বুঝায়।



৩. কোন রোগীর মুখে যদি অসংখ্য কালো তিল থাকে তবে তার শরীরের উত্তাপ বেশি এবং তার লিভার ও পিত্তথলি সঠিকভাবে কাজ করছে না বুঝতে হবে।



৪. কোন বালকের পরিণত বয়সে দাড়ি গোঁফ না গজায় তবে তার যৌন সমস্যা আছে অথবা তার অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হয় বুঝতে হবে।



৫. যদি কোন মেয়ের দাড়ি গোঁফ গজায় তবে বুঝতে হবে তার যৌনগ্রন্থি সঠিকভাবে কাজ করছে না।



৬. কোন রোগীর যদি হাত-পায়ের তালু ও মাথার তালু জ্বালা-পোড়া করে তবে তার মূত্রথলিতে ইনফেকশন আছে বুঝতে হবে।



আমাদের প্রধান শত্রু টঙ্নি। টঙ্নি এক ধরনের বিষ। এটি বিভিন্নভাবে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলোকে নিস্তেজ করে দেয়। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত এই ক্ষতিকর টঙ্নি (খাদ্যদ্রব্য ও শ্বাস-নিঃশ্বাস-এর মাধ্যমে) অবাধে প্রবেশ করছে। কখনো নিজের অজান্তে আবার কখনো জেনে শুনে প্রবেশ করাচ্ছি এই ভয়ংকর বিষ। পূর্বেই উল্লেখ করেছি, আমাদের শরীর আল্লাহতায়ালার এক আশ্চর্য সৃষ্টি। সে নিজেই জানিয়ে দেয় তার সমস্যা। সুতরাং শরীরে টঙ্েিনর মাত্রা বেশি হলেই বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তা জানিয়ে দেয়।



টঙ্েিনর পরিমাণ বেড়ে গেলে কী কী সমস্যা হয় : মস্তিষ্কের নিউরোন কোষে (স্নায়ু কোষ) টঙ্নি জমে থাকে ফলে সাইনোসাইটিস, ক্রমাগত মাথাব্যথা (মাইগ্রেনের সমস্যা), অনিদ্রা, টেনশন ও হাইপ্রেশার ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে হাঁটু ও কোমরে ব্যথা হয় এবং পায়ের সাইটিকা স্নায়ু শক্ত হয়ে যায়। ফলে উঠলে বসতে পারে না ও বসলে উঠতে পারে না।



কিডনী রক্তের টঙ্নি ছেঁকে বের করে দেয়। শরীরে টঙ্েিনর মাত্রা বেড়ে গেলে কিডনী অধিক কাজ করতে হয়। ফলে কিডনী দুর্বল হয়ে যায় এবং এর কর্মক্ষমতা লোপ পায়। আবার অতিরিক্ত এই টঙ্নি ঘামের সাথে বের হয়। ফলে বিভিন্ন প্রকার চর্ম রোগ দেখা দেয়।



লিভার টঙ্নিকে ধ্বংস করে। শরীরে টঙ্নি বেড়ে গেলে লিভারকে অধিক কাজ করতে হয়। ফলে শরীরের উত্তাপ বেড়ে যায় এবং প্রচুর ঘাম বের হয়।



টঙ্নি বেড়ে গেলে শরীরের ওজন বাড়তে থাকে। দেখা যায় খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করে কিংবা বিভিন্ন প্রকার ব্যায়াম করেও ওজন কমানো যায় না।



এছাড়া শরীরে টঙ্নি বেড়ে গেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে উঠা, শরীরের বিভিন্ন স্থােেন ব্যথা, ক্ষতস্থান দেরীতে শুকানো, ঘন ঘন জ্বর হওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।



 



টঙ্নি শরীর থেকে বের করার পদ্ধতি :



প্রথম পদ্ধতি : দু'চামচ কফি পাউডার, এক চামচ কাস্টোর-ওয়েল এবং আধা চামচ পানি ভালভাবে মিশিয়ে রাতে ঘুমানোর আগে ঢুস দিন। এই মিশ্রণ শরীরের টঙ্নিকে জ্বালিয়ে দেয়। এই পদ্ধতিতে এক নাগাড়ে সাত দিন ব্যবহার করে আমার এক রোগী প্রায় আট কেজি ওজন কমিয়েছে।



দ্বিতীয় পদ্ধতি : দু'টি পিঁয়াজ নিন। প্রতিটি পিঁয়াজ পাঁচ টুকরা করে (পয়সার মত) কেটে নিন। রাত্রে শোয়ার সময় প্রতিটির মাঝে তিন টুকরা নিয়ে দু'পায়ে মোজার মাধ্যমে অথবা নেকড়া পেঁচিয়ে ঘুমিয়ে থাকুন। সকালে পিঁয়াজের টুকরাগুলো মাটিতে পুঁতে রাখুন। পিঁয়াজ শরীর থেকে টঙ্নি টেনে বের করে নেয়।



প্রচ- মাথা ব্যথার সময় এক পিচ পিঁয়াজ কপালে বেঁধে রাখলে অল্প সময়ের মধ্যে ইনশাআল্লাহ মাথা ব্যথা ভাল হয়ে যাবে। এইভাবে কয়েক দিন বেঁধে রাখলে মাইগ্রেনের সমস্যা ভাল হয়।



জ্বর হলে এক পিচ পিঁয়াজ কপালে রেখে দিলে দ্রুত জ্বর সেরে যায়।



সর্দি, সাইনোসাইটিস, নাক ডাকা ও ঘন ঘন হাঁচি আসা ইত্যাদি সমস্যায় রাতে শোয়ার সময় এক পিচ পিঁয়াজ কপালে বেধে রাখলে কয়েক দিনের মধ্যেই ইনশাআল্লাহ এই সব সমস্যা ভাল হয়ে যাবে। এভাবে শরীর থেকে টঙ্নি বের করলে প্রথম প্রথম হালকা দুর্বলতা অনুভব হতে পারে, কিন্তু ভয়ের কোনো কারণ নাই।



 



লেখক : অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ এবং আকুপ্রেশার গবেষক। মোবাইল : ০১৯১৪৯১০৬২৬



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫৮৪৭০
পুরোন সংখ্যা