চাঁদপুর। সোমবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৬ ভাদ্র ১৪২৫। ২৯ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৬। অতঃপর আমি তাদেরকে পার্থিব জীবনে শাস্তি আস্বাদন করাবার জন্যে তাদের বিরুদ্ধে অশুভ দিনে প্রেরণ করেছিলাম প্রচ- ঘূর্ণিঝড়। পরকালের শাস্তি তো অধিকতর লাঞ্ছনাদায়ক এবং তাদের সাহায্য করা হবে না।

১৭। আর সামূদ সম্প্রদায়ের ব্যাপার তো এই যে, আমি তাদেরকে পথ নির্দেশ করেছিলাম; কিন্তু তারা সৎপথের পরিবর্তে অন্ধত্ব (ভ্রান্ত পথ) অবলম্বন করেছিল। অতঃপর তাদের কৃতকর্মের পরিণাম স্বরূপ লাঞ্ছনাদায়ক বজ্র (শাস্তি) আঘাত হানলো।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


রূপে চক্ষু জুড়ায় কিন্তু গুণ হৃদয় জয় করে।

 -পোপ।


অত্যাচার কেয়ামতের দিন সমূহ অন্ধকারের কারণ হবে।

 


ফটো গ্যালারি
স্ত্রীর প্রেগনেন্সির সময়ে হোন সাপোর্টিভ স্বামী
রিয়াদুন্নবী শেখ
১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

সন্তানের বাবা-মা হওয়া প্রতিটি নারী-পুরুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। আর মাতৃত্ব তো নারীর জীবনে পরম আরাধ্য এক স্বপ্ন। তবে তা বাস্তবায়নের পথ বেশ কঠিন। গর্ভকালীন সময়ে প্রত্যেক নারীরই নিবিড়ভাবে পরিচর্যা প্রয়োজন। বলার অপেক্ষা রাখে না এই সময়টাতে স্বামীর একান্ত সাহায্যও খুব দরকার। নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে এই সময়টায় সঙ্গীর আচার-আচরণ নারীকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে। তাই এ সময়টায় কিছুদিন পর বাবা হতে চলা মানুষটিকে বেশ কিছু ব্যাপার লক্ষ্য রাখতে হবে।

আগের সে এখনকার থেকে ভিন্ন :

গর্ভকালীন সময়ে স্ত্রীর ভিতরে বেড়ে ওঠে আরো একটি জীবন। ফলে শরীরে আসে অনেকরকম পরিবর্তন। বিশেষ করে হরমোনের পরিবর্তনের ফলে দেখা দেয় মুড সুইং। এ সময়ে তার পছন্দ-অপছন্দকে মেনে নিন, রেগে গেলে- মন খারাপ করলে শান্ত করুন। আপনার সাহায্য ও বোঝাপড়া তার খুব প্রয়োজন। এই সময়ে নারীর নানান শারীরিক পরিবর্তনের মধ্যে ধীরে ধীরে ওজন বেড়ে যাওয়া উল্লেখযোগ্য। এতে আপনার স্ত্রী হয়তো হীনম্মন্যতায় ভুগতে পারেন। তাকে আশ্বস্ত করুন, প্রশংসা করুন, ভালোবাসুন।

তাকে বিশ্রাম নিতে দিন :

বিশ্রাম গর্ভবতী মায়েদের একান্ত প্রয়োজন। গর্ভকালের প্রথম তিনমাস ও শেষের দিকে তিনি অনেক ক্লান্ত বোধ করবেন। ফলে তার কাজের চাপ কমানোর দায়িত্ব কিন্তু স্বামীরই। বাসায় দুজন একসাথে থাকলে তাকে অন্য সময়ের মতো দৈনন্দিন কাজ করতে না দিয়ে নিজে সাহায্য করুন। যতটা সম্ভব বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ করে দিন।

খাবারে অনীহা বুঝুন ও ব্যবস্থা নিন :

এ সময় নারীর শরীরের জন্যে দরকার অতিরিক্ত ক্যালরি। খাবারেও তার নতুন স্বাদ-বিস্বাদ তৈরি হয়। আজকে যে খাবার তার কাছে মুখরোচক লাগবে কালকে হয়ত তাই বিরক্তিকর লাগবে। এটাই স্বাভাবিক। তাই তার প্রতি বিরক্ত না হয়ে মেনে নিন। তার পছন্দের খাবারের ব্যবস্থা করুন যতটা সম্ভব।

তার কথা শুনুন :

এটা তার সঙ্গী হিসেবে সবসময়ই করা উচিত। কিন্তু এ সময়টা অনেক বেশি সেনসিটিভ ও তার কাছে আবেগময়। অন্য সময়ে যে কথায় তিনি ভ্রূক্ষেপ করেন না, সে কথা এখন তার কান্নার কারণ হতে পারে। তার ভেতরে তৈরি হওয়া জীবনটা কি ঠিকমতো বেড়ে উঠছে? প্রেগন্যান্সি কি নরমাল হবে? তিনি কি ভালো মা হতে পারবেন? এমন নানা শঙ্কা তার মধ্যে তৈরি হয়। তাকে কথা বলতে দিন, তার শঙ্কাগুলো ভাগ করে নিন। আশ্বস্ত করুন।

নিয়মিত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান :

সঙ্গীর সাথে নিয়মিত ডাক্তারের চেকআপে যান। যখন প্রথম বেবির হার্টবিট শুনলেন বা ২০তম সপ্তাহে আল্ট্রাসাউন্ড করানো- এ সময়গুলোতে তাকে সঙ্গ দিন। গর্ভকালীন সময়ে স্ত্রী প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, সমস্যা দেখা দিতে পারে তখন তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া ও ভুলে গেলে তা মনে করিয়ে দেওয়া আপনার একান্ত দায়িত্ব।

একসাথে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করুন :

আসন্ন নতুন জীবন নিয়ে গর্ভবতী নারীর অনেক রকম স্বপ্ন ও পরিকল্পনা থাকে। তার কতগুলোতে শুধুই আবেগ আর ভালোবাসা আবার কোনটা জরুরিও বটে। বাচ্চার নাম কী হবে, বিছানা কেমন হবে, পোশাক কেমন হলে ভালো হবে এমন কত পরিকল্পনা। আর স্ত্রী চাকরিজীবী হলে বাচ্চার জন্যে ডে-কেয়ার ঠিক করা এমন অনেক হ্যাঁপা থাকে। দুজন মিলে সব ঠিকঠাক করুন।

মনে রাখুন সন্তান জন্মদানে নিজের জৈবিক দায়িত্ব পূরণের পরও স্ত্রীর পাশে থেকে গর্ভধারণের পুরো প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশীদার হওয়া স্বামীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৩১৪৯
পুরোন সংখ্যা