চাঁদপুর। সোমবার ২২ জানুয়ারি ২০১৮। ৯ মাঘ ১৪২৪। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের সুধীজন ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির পিপিএম বলেন, যে কোনো মূল্যে চাঁদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা হবে। এছাড়া তিনি সড়কে ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখার সবপ্রকার চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৪-সূরা সাবা

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মাক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২০। আর তাদের উপর ইবলিস তার অনুমান সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল। ফলে তাদের মধ্যে মুমিনদের একটি দল ব্যতীত সকলেই তার পথ অনুসরণ করল।

২১। তাদের উপর শয়তানের কোন ক্ষমতা ছিল না, তবে কে পরকালে বিশ্বাস করে এবং কে তাতে সন্দেহ করে, তা প্রকাশ করাই ছিল আমার উদ্দেশ্য। আপনার পালনকর্র্তা সব বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


টাকা যখন কথা বলে তখন সত্য চুপ করে থাকে।              


-রুশ দেশীয় প্রবাদ।


যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবে না।


ফটো গ্যালারি
রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মান বৃদ্ধি
ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
২২ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ক্রিয়েটিনিন কী?



মানবদেহে মাংসপেশীর বিপাক কর্ম বা মেটাবলিজমের কারণে উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থই হলো ক্রিয়েটিনিন, যা ক্রিয়েটিন থেকে উৎপন্ন হয় এবং রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে পৌঁছায়। ক্রিয়েটিন মাংশপেশীতে শক্তি উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রতিদিন গড়ে ২% ক্রিয়েটিন বিপাকের ফলে ক্রিয়েটিনিনে পরিণত হয়। কিডনি ছাঁকনের মাধ্যমে দেহ হতে মূত্রের সাথে ক্ষতিকর ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয়।



 



রক্তে ক্রিয়েটিনিন-এর স্বাভাবিক মাত্রা



স্বাভাবিক নারীদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা থাকে ০.৫-১.১ গ্রাম। স্বাভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসি লিটার রক্তে এর মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম। একটা কিডনী যাদের নেই তাদের ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ১.৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত স্বাভাবিক। শিশুদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ২ গ্রাম/ডিএল-এর বেশি হলে মারাত্মক কিডনী দুর্বলতা হয়েছে বলে বুঝা যায়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে রক্তে ক্রিয়েটিনিন ৫.০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের চেয়ে বেশি হলে কিডনী ড্যামেজ হয়েছে বুঝা যায়।



 



রক্তে ক্রিয়েটিনিনের উচ্চমাত্রার লক্ষণ



* কিডনী ফেইলিয়র



* অবসাদ



* ইডিমা বা রসস্ফীতি



* শ্বাসকষ্ট



* কনফিউশন



* ত্বক শুকিয়ে যায়



* বমি ও বমিভাব



 



রক্তে ক্রিয়েটিনিন-এর মাত্রা বৃদ্ধির কারণ



* উচ্চ রক্তচাপ



* ডায়াবেটিস



* কতিপয় ড্রাগ যেমন : সিমেটিডিন, ব্যাকট্রিম ইত্যাদি সেবন



* অধিক পরিমাণে মাংস আহারের পর পর রক্তে সাময়িকভাবে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বাড়ে।



* কিডনীতে জীবাণু সংক্রমণ



*অস্বাভাবিক হারে মাংসপেশী বিশ্লিষ্ট হওয়া



* মূত্রপথে বাধা



 



ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে করণীয়



* অতিরিক্ত কসরত ও শারীরিক ব্যায়াম হতে দূরে থাকা, যাতে মাংসপেশীর বিপাক কম হয় ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে।



* ক্রিয়েটিন সমৃদ্ধ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ হতে বিরত থাকা



* প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে আনা



* রেড মিট বর্জন



* অাঁশ সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ বাড়িয়ে দেওয়া



* পর্যাপ্ত পানি পান করা



* দৈনিক আট গ্লাস পানি পান করা।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬৭৩১৫
পুরোন সংখ্যা