চাঁদপুর, সোমবার ৮ মার্চ ২০২১, ২৩ ফাল্গুন ১৪২৭, ২৩ রজব ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নারী নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়ন
রাশেদা আতিক রোজী
০৮ মার্চ, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আজ ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-'করোনাকালে নারী নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব।'



প্রতিবছরই এই নির্দিষ্ট দিনটি এলে নারীদের নিয়ে বেশ আলোচনা হয়, বিভিন্ন জায়গায় বসে বিভিন্ন রকমভাবে নারীদেরকে নিয়ে বেশ মাতামাতি হয়। বিশেষ করে নারীর সম্মান, নারীর অধিকার, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, অনুষ্ঠান, বক্তৃতা দিয়ে নারীদেরকে সম্মানিত করা হয়। ২/১ দিন পরে আবার থেমে যায় সকল আয়োজন, কোলাহল, আলোচনা, মিটিং, মিছিল, সংবর্ধনা। মনে হয় যেন এগুলো করে অনেকেই হাঁফিয়ে উঠেন। পরিবারের ভেতর থেকে পারিবারিক শিক্ষায় যদি সকলে সচেতন হয়, তাহলে আর এতো আয়োজন নিয়ে বিশেষ বিশেষ দিবস পালন করা লাগবে না। সকলেই সচেতন থাকবে নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, পরিচয় ও সম্মানবোধ সম্পর্কে।



বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একটি উন্নয়নশীল দেশ, যার অর্থনৈতিক উৎপাদন খুবই নিম্ন। যদিও অর্ধেক জনসংখ্যা নারী, তারপরও পুরুষের তুলনায় এরা সকল ক্ষেত্রে পিছিয়ে। এদেশের নারীরা অর্থনীতি, রাজনীতি তো দূরের কথা, তারা শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের দিক দিয়েও অনেক পিছিয়ে আছে। এ দেশে এখনো এমন প্রত্যন্ত অঞ্চল রয়েছে যেখানে মেয়েরা প্রাথমিকের ধাপ পেরিয়ে মাধ্যমিকে উঠতে না উঠতেই তাদেরকে বিয়ের পিঁড়িতে বসিয়ে দেয়া হয়। ফলে তারা শিক্ষা, সংস্কৃতি এমনকি নিজেদের যে মৌলিক অধিকার রয়েছে, তা সম্পর্কেও অজ্ঞ থাকে। ফলে সূত্রপাত ঘটে আরেকটি অজ্ঞ সমাজের। এদেশের অধিকাংশ জনসংখ্যা নারী হলেও এরা অর্ধশিক্ষিত, অশিক্ষিত।



প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার হার অনেক বাড়লেও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এসে মেয়েরা অনেকটাই পিছিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে প্রথম বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাদের পরিবার, ফলে নেমে যেতে বাধ্য হয় অনেকেই উচ্চ শিক্ষার দোরগোড়ায় এসেও। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও স্পর্শকাতর। কেননা উচ্চ শিক্ষা ব্যতীত আত্মপ্রত্যয়ী, আত্মনির্ভরশীল হওয়া সম্ভবপর হয় না। আবার উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পরও অনেকে ভালো চাকরি পায় না, উচ্চ শিক্ষার জন্য বাইরে যাওয়ার সুযোগটাও পাওয়া মেয়েদের জন্যে খুবই দুষ্কর। অনেকে উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার পরও পুরুষের উপর অনেকটা নির্ভরশীল হয়ে থাকে।



বিশ্বায়নের এই যুগে এসেও অনেক পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি এখনও মধ্যযুগকেও হার মানায়। তারা সেকেলে এবং প্রাচীনতমই রয়ে গেছে এখনো। নারীদের সহযোগিতা না করে তারা নারীদের উপর কর্তৃত্ব ফলায়। উন্নয়নশীল এই দেশকে উন্নত করতে হলে অবশ্যই নারীদেরকে শিক্ষিত ও কর্মজীবী করে তুলতে হবে। কারণ একটি দেশের অর্ধাংশ পিছিয়ে থাকলে, সেদেশের কোনোক্ষেত্রেই উন্নয়ন সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন ঘটলে নারীরা সকল ক্ষেত্রে সমানতালে ভূমিকা রাখতে পারবে, নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হবে, অন্যায় প্রতিরোধ করতে পারবে এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে। বর্তমানে আশার কথা হলো, নারীরা এখন সবক্ষেত্রেই এগিয়ে যাচ্ছে। ২০২০-এর তথ্যউপাত্ত মতে, বাংলাদেশে শিক্ষার হার ৭৫ শতাংশ এবং নারী শিক্ষার হার ৭২.২ শতাংশ। তাহলে বোঝা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশে শিক্ষার ক্ষেত্রে নারীরা আগের তুলনায় অনেক এগিয়েছে। বাংলাদেশে বিসিএসের সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে নারীরা প্রথম সুযোগ পায় ১৯৮৯ সালে, প্রশাসনে ২০০০ সালে এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৬ সালে প্রথম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নারীকে এএসপি নিয়োগ দেয়া হয়। বর্তমানে নারীরা সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম এমনকি খেলাধুলায়ও এগিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে উল্লেখযোগ্য হারে নারীদের অংশগ্রহণ ও পদচারণা বাড়ছে।



বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থার দিনে দিনে উন্নতি হচ্ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে শিক্ষার হার। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে এখন নারীদের অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদের স্পীকার , বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও প্রোভিসি, রাষ্ট্রদূত, নির্বাচন কমিশনার, তথ্য কমিশনার, সচিব, যুগ্মসচিব, সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা, বৃহৎ রাজনৈতিক দলের প্রধান প্রভৃতি অবস্থানে নারীরা কৃতিত্বের সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছেন। সমাজের সকল স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নানামুখী পদক্ষেপগ্রহণ করায় নারীরা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখন বেশি দৃশ্যমান। সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো, প্রাথমিক শিক্ষাস্তরে মেয়েদের শতভাগ উপস্থিতি।



একজন পুরুষ পরিবার, দেশ ও সমাজ থেকে যা যা পেতে পারে/দিতে পারে আমরা নারীরাও তা তা দিতে পারি/পেতে পারি। বিশ্বে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনের পেছনের ইতিহাসের দিকে যদি তাকাই, তবে দেখা যাবে ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরে একটি কারখানার নারী শ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে মানবেতর জীবন ও ১২ ঘন্টা কর্মদিবসের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিল। ১৯০৯ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭৫ সাল থেকে নারীবাদীদের প্রচেষ্টায় ৮ই মার্চকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশ্ব নারী দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ২০১৮ সালে নারী দিবসে জাতিসংঘের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল 'Time is now Rural and urban activists transforming women&_s lives' অতএব বিশ্ব সৃষ্টিতে নারী আর পুরুষের সমান হস্তক্ষেপ আছে।



একজন নারীর সহযোগিতা ছাড়া সমাজের উন্নতি কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। কেননা একটা সমাজে নারী-পুরুষ সমান সমান। অর্থাৎ সমাজের অর্ধেক জনসংখ্যাই নারী এবং নারীদের ক্ষমতায়নে সমাজ বা দেশের উন্নয়ন শুধু অসম্ভব নয় উন্নতির অন্তরায়ও বটে। বিশ্বে নারীরা এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। ২০২০ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সারা বিশ্বের দারিদ্র্য সীমা বিবেচনায় নারীরাই সবচেয়ে বেশি দরিদ্র। বাংলাদেশের নারীরা সামঞ্জস্যহীনতায় দরিদ্রতা ও বৈষম্যের শিকার। ২০২০-এর এক তথ্যমতে, দক্ষিণ এশিয়ার মাত্র ২০% নারী কৃষিক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করে, যার পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন আমাদের সমাজকে দুই চাকা বিশিষ্ট শকটের সাথে তুলনা করেছেন, যার একটি চাকা পুরুষ, আরেকটি চাকা নারী। এ ক্ষেত্রে যদি দুটি চাকার মধ্যে একটি বড় আরেকটি ছোট হয়, তাহলে শকটের চলা অসম্ভব। অর্থাৎ এটি একস্থানেই ঘুরতে থাকবে এবং একসময় মুখ থুবড়ে পড়ে যাবে। ঠিক তেমনই সমাজের অর্ধেক সংখ্যক নারী যখন সকল ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে তখন সমাজের অবস্থাও দুচাকা বিশিষ্ট শকটের মতোই হবে এবং উন্নতির দোরগোড়ায় পেঁৗছানোর আগেই স্থবির হয়ে পড়বে। তাই নারীর আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। আত্মসচেতনতা মানে ব্যক্তির নিজের সম্পর্কে নিজেই উপলব্ধি করা, নিজেকে জানতে পারা ও বুঝতে পারা। আর এই সচেতনতা বাড়ানোর মূলশক্তিই হলো 'শিক্ষা'। শিক্ষাই হতে পারে নারীর প্রধান কেন্দ্রবিন্দু আত্ম-সচেতনতা বাড়ানোর এবং নারীদের নিদিষ্ট লক্ষ্যে পেঁৗছার প্রাথমিক হাতিয়ার। এক্ষেত্রে একটি আফ্রিকান প্রবাদের কথা উল্লেখ না করলেই নয়-



'If you educate a man you educate an individual,



but if you educate an women you educate a family..'



কর্মক্ষেত্রে নারীরা অনেক এগিয়েছে ঠিকই, তেমনি তারা সহিংসতার শিকারও হচ্ছে বেশি, যা বর্তমানে কঠোর আকার ধারণ করেছে। এর ভুক্তভোগী হচ্ছে বিশেষ করে কর্মজীবী নারীরা। তারা পথে-ঘাটে, এমনকি অফিসে বসেও আজকাল নারীরা নিরাপদ নয়। এর ফলে তাদের মধ্যে কর্মবিমুখতা সৃষ্টি হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতি মিনিটে দুজন মেয়ে অথবা নারী ধর্ষণের শিকার হয়। আমেরিকার মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ সভ্য দেশেও বিদ্যুৎ চলে গেলে নারীরা সবচেয়ে অসহায়। প্রতি মিনিটে ওখানে ৯ জন নারী ধর্ষণের শিকার। প্রতিদিন ৩ জন নারীর অপমৃত্যু হয় তার স্বামী/ছেলে বন্ধুর দ্বারা। এছাড়াও ১০০ মিলিয়নের বেশি মেয়েশিশু হত্যা ও মেয়েশিশুর ভ্রুণ হত্যা করা হয়। এসব কারণ নারীমুক্তির অবক্ষয় ঘটায় এবং নারীর ক্ষমতায়নেও ব্যাঘাত ঘটিয়ে থাকে।



করোনাকালীন সামাজিক দূরত্বের কারণে নারীদের চলাচলও নিয়ন্ত্রিত। এ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যে তাকে নির্যাতন করলো, তার সঙ্গে একঘরে/স্থানে তাকে থাকতে হচ্ছে। ফলে আবার নির্যাতিত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে দ্বিগুণ হারে। আমরা জানি যেকোনো জরুরি অবস্থা, দুর্যোগ, মহামারী নারী পুরুষকে ভিন্ন মাত্রায় প্রবাহিত করে। এক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীর মতামত প্রকাশ এবং সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা অনেক সীমিত। কিন্তু শিক্ষিত নারী/কন্যার ক্ষেত্রে এ চিত্র একেবারে ব্যতিক্রম। আজকের একবিংশ শতাব্দীর নারী শুধু বধূ, মাতা/কন্যা নয়। তারা পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সমঅংশীদার। পুরুষের পাশাপাশি নারী দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারিগর এবং সাফল্যের নিদর্শন। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, বিরোধী দলের নেত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, সচিব, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে নারীরা আজ অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে রাষ্ট্রীয় গুরুদায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো আমাদের নারী জাতির অহংকার।



পরিশেষে নারী দিবসে বলতে চাই, ক্ষমতায়ন কোনো মানবিক দর্শন নয়। নারী/পুরুষ যেই হোক না কেন, শুভবুদ্ধি সম্পন্ন না হলে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়। তাই নারীর ক্ষমতায়নের পাশাপাশি নারীর শুভবুদ্ধির উদয় হোক, সকল মানসিক দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করুক এবং পুরুষের প্রতিযোগী না হয়ে সহযোগী হয়ে সমানতালে অগ্রসর হয়ে দেশ সমাজের উন্নয়ন বয়ে আনুক।



কবিতার ভাষায়-



নারী,



সাধারণ হলেও, অতি জটিল



দুর্বল হলেও, অতি শক্তিশালী



দ্বিধাগ্রস্ত হলেও, অতি আকাঙ্ক্ষিত



এলোমেলো হলেও, অতি চমৎকার



নারী--------------------------।



 



 



লেখক : রাশেদা আতিক রোজী, ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।



 


এই পাতার আরো খবর -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

১০০-সূরা 'আদিয়াত


১১ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৯। তবে কি সে সেই সম্পর্কে অবহিত নহে যখন কবরে যাহা আাছে তাহা উত্থিত হইবে।


১০। এবং অন্তরে যাহা আছে তাহা প্রকাশ করা হইবে?


১১। সেইদিন উহাদের কী ঘটিবে, উহাদের প্রতিপালক অবশ্যই তাহা সবিশেষ অবহিত।


 


 


মানুষ কদাচিত একইসঙ্গে ভালো ভাগ্য ও শুভবুদ্ধি আশীর্বাদস্বরূপ লাভ করে থাকে।


_লিভি।


 


 


প্রত্যেক কওমের জন্য একটি পরীক্ষা আছে এবং আমার উম্মতদের পরীক্ষা তাদের ধন-দৌলত।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৬,৪৪,৪৩৯ ১৩,২১,৯৪,৪৪৭
সুস্থ ৫,৫৫,৪১৪ ১০,৬৪,২৬,৮২২
মৃত্যু ৯,৩১৮ ২৮,৬৯,৩৬৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৬১৭৩৫
পুরোন সংখ্যা