চাঁদপুর, বৃহস্পতবিার ৯ জানুয়ারি ২০২০, ২৫ পৌষ ১৪২৬, ১২ জমাদউিল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • শাহরাস্তিতে ডাকাতি মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালত। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১২। তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের আনুগত্য কর; যদি তোমরা মুখ ফিরাইয়া লও, তবে আমার রাসূলের দায়িত্ব কেবল স্পষ্টভাবে প্রচার করা।


 


assets/data_files/web

যে তার দেশকে ভালোবাসতে পারে না, কিছুই সে ভালোবাসতে পারে না। -বায়রন।


 


নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারীকে শাস্তি প্রদান করেন।...কোন দেশ যখন অত্যাচারী হয়, তোমার প্রভু তাকে শাস্তি প্রদান করেন, তার শাস্তি অতীব ভীষণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
সেই কষ্টের আইজ উদ্দিনকে জাগিয়ে দাও
জাহাঙ্গীর হোসেন
০৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'রাজনীতি' এ শব্দটি কেবল শব্দই মনে হচ্ছে না। কখনও মিত্র আবার কখনও শত্রু হিসেবে দোলায়িত হচ্ছে জনমনে। সকল অপবাদ সহ্য করতে হয় রাজনীতির। তারপরও ভাল-মন্দ সব কিছু মিলিয়ে রাজনীতির সভ্য ইউনিট বাস্তবভিত্তি পাবে এটাই স্বাভাবিক। অবিরত ধৈর্য ধারণ করে রাজনীতি চলছে। তাই আলোচনা-সমালোচনার ব্যুহ থেকে এটি কখনোই বেরুবে না। তাই রাজনীতিকে তির্যক অপবাদ বহন করতে হচ্ছে সবসময়। যেমন 'মেধাবী থেকে ওরা খুনি'; 'ক্যাসিনো সম্রাটদের ধরপাকড় চলছে' এবং বিএনপি আমলে বুয়েট ছাত্রদলের দুইগ্রপের দ্বন্দ্বে 'টগর-মুক্তি যুদ্ধে নিহত সাবিকুন নাহার সনি' এসবের দায় রাজনীতির। তাই এবার জোরেশোরে আবরার হত্যার দায়ে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করার প্রস্তাব আসে। মেনে নিলাম ছাত্র রাজনীতি বন্ধ হোক। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র-শিক্ষক জঙ্গিবাদে জড়িত হয়ে দোষী সাব্যস্ত। গুলশানের রেস্তোরাঁয় হামলার মূল হোতা নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র এবং শিক্ষক ছিলেন। অথচ সেখানেতো ছাত্র রাজনীতি করতে দেয়া হয় না। সেখানে কি রাজনীতির পাঠ চুকা হয়? পক্ষান্তরে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের নামে প্রতিক্রিয়াধর্মী উপাদানগুলো কাজ করতে জ্ঞাতসারে কিংবা অজ্ঞাতসারে সেটাকেই সমর্থন করা হচ্ছে। এতে করে বিপারীত ধারারই প্রচলন ঘটবে।



প্রসঙ্গক্রমে বলতে হচ্ছে, শেয়ার বাজারে অর্থ লোপাট ক্যাসিনো জুয়াড়িদের চেয়েও ভয়ঙ্কর। অর্থনীতির মারপ্যাঁচের ঘেরাটোপে রেখে অবশেষে শেয়ার হোল্ডারদের সহস্র কোটি টাকা লুটপাটের চরিত্র অস্পষ্টই থেকে গেল। সাধারণ শেয়ার হোল্ডাররা শেয়ার বাজারের চরিত্র ধরতে পারছে না এবং মূল হিসাব উদ্ধার করতে পারছে না। তাহলে এই যে ছেঁড়াভেড়া কাণ্ড এর দায় নিশ্চয়ই দলীয় রাজনীতির। তাহলে কি রাজনীতি বন্ধ হয়ে যাবে? উত্তর মেলা ভার। কারণ রাষ্ট্র হলো রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। রাজনীতি বন্ধ হবার কোনো রাস্তা নেই। তাইতো রাজনীতির সাথে তাল মিলিয়ে সামাজিক পরিবেশও বিনষ্টের চরম মাত্রায় হাঁটছে। তার পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশও বিপর্যয়ের দীর্ঘপথ অতিক্রম করছে।



কিছু কষ্টসম কথা জুড়ে দিয়ে সেই 'আইজউদ্দিনের' সেই আলোচিত বাণী 'কষ্টে আছি আইজ উদ্দিন' কে প্রতিপাদ্য ধরে আরো বেশ কিছু কথা বলতে চাই । কষ্টের এ পর্বে একটি দিনের একটি বাস্তব ঘটনা তুলে ধরবো।



পরিবারের সকলের দুপুরের খাওয়া শেষ। আমার একমাত্র ৬ বছরের সন্তান দুপুরের খাবার তখনও খায়নি। হঠাৎ ভিক্ষুক এসে খাবার চাইলো। আমার স্ত্রী বলেন, আপনাকে দেবার মতো আপাতত ভাত নেই। অন্যদিন আসেন, এখন মাফ করেন। কিছুক্ষণ পর মেয়েকে যখন তার মা খাবার দিল তখন সে বায়না ধরলো, না আমি খাবো না। তুমি ওই দাদাটারে ভাত দেও নাই। মিথ্যা কথা বলেছো। ওইদিন সে আর ভাত খেলো না। এ রকমের শিশুরা দার্শনিক জ্যাঁ পিয়াজোর মতে, জ্ঞানস্তরের মতবাদের প্রাক-সক্রিয়তার স্তরের। এরা সত্যকে সত্য হিসেবেই জানে। বয়স্করা যেমন প্রতীকের মাধ্যমে চিন্তন কাজ করতে পারে, তেমনি বস্তুর অনুপস্থিতিতে ২ থেকে ৭ বছর বয়সী শিশুরা তা করতে সক্ষম। পানিম-ল থেকে শিশু যখন ভূমিষ্ঠ হয়ে বায়ুম-লে আসে তখন ধীরে ধীরে প্রকৃতি-প্রতিবেশ তাকে আচ্ছন্ন করে নানাভাবে। শিশুদের প্রথম অবস্থায় সামাজিক নানা টানাপোড়েনের চিন্তা পরিবার থেকে দেয়া না হলেও পরিবারের আত্মকেন্দ্রিকতা ও মহানুভবতা তাকে আকৃষ্ট করে। সে কারণে তারা যা দেখে তা সত্য ভাবেই দেখে এবং মিথ্যার আশ্রয় নিতে অপারগ থাকে। কিন্তু এ শিশুরা যখন বড় হয় তখন বিপরীত পরিবর্তন চিন্তা জগতে ঘুরপাক খায়। তার দুটি কারণ আছে। যেমন : ১। পারিসরিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ২। নিমিত্তবাদ। পারিসরিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রাকৃতিক। আর নিমিত্তবাদ হলো সমাজ হতে উদ্ভুত আচরণ থেকে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। সেটি হলো জ্যাঁ পিয়াজোর জ্ঞানস্তরের চতুর্থ ধাপ। এ স্তরেই মানুষ দুঃসাহসিক হয়। মারমুখী হয়, উদাসী হয় ও উদ্যোগী হয়। ৭-১১ বছর হলো মূর্তসক্রিয়তার স্তর । এ স্তরের শিশুরা সমাজকে বিকাশ ও বিনাশ করতে কিছুটা ধারণা পোষণ করতে পারে। ১১ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত হলো যৌবন স্তর। এ স্তরের আওতায় আবরার হত্যাকারীদের দুঃসাহসিক ও আতঙ্কিত ভাব এবং বিপরীতে এই স্তরের যুবকরাই প্রতিবাদ করে থাকে। যা মূর্ত সক্রিয়তার স্তর বা যৌবন স্তর। এ স্তরটি Danger Point কিংবা Revival Point। এতো গেল সামাজিক পরিস্থিতি।



এবার প্রকৃতি নিয়ে কিছু বলতে চাই। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে মানুষের দ্বারা। নদী হতে বালু উত্তোলন এবং বালু সিন্ডিকেট শহর-গ্রামের পুকুর, ঝিল, ডোবা ভরাট করে পরিবেশ অশান্ত করছে। এতে করে পরিবেশ উষ্ণায়ন হচ্ছে। তাতে করে কয়েক বছর ধরে গোটা দেশে বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে। উষ্ণায়নের মাত্রা বেড়ে উঠার দরুণ শীতকালও ছোট হয়ে আসছে। ভূ-বিদদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক দশকের মধ্যে বাংলাদেশের বিরাট অংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে। এতো গেলো প্রাকৃতিক পরিবেশের হাল। এখন কিছু আলোচনা হবে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে ।



সর্বদা সবখানে একটি কথা বার বার চলে আসে, ভাল ছাত্র কিংবা মেধাবী ছাত্র আদর্শবান হবে। ভাল চর্চা করবে, ভাল চিন্তা করবে-এরকমই সাধারণের মাঝে সাধারণ হিসাব-নিকাশ। কিন্তু মেধাবীদের অপূর্ণতা কোথায়-এ জায়গায় দার্শনিক ব্লুমস টেক্সোনমির তিনটি Domain-এর আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেখিয়েছেন, একজন মানুষ সফল হতে তিনটি বিষয়ের সমন্বয় অতি জরুরি। তা হলো, Cognitive (বুদ্ধিবৃত্তীয়), অভভবপঃরড়হ (আবেগীয়/দৃষ্টিভঙ্গিগত/চরিত্রগত), Psychomoto (প্রায়োগিক বা ব্যবহারিক)। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে Cognitive এবং Psychomoto-এ দুটি উপস্থিত। কিন্তু অনেকটা অনুপস্থিত Affection (আবেগীয় বা দৃষ্টিভঙ্গিগত)। Affection-এর ঘাটতির কারণে মানবিক দিক ভোঁতা বা বন্ধ্যা। Affection-এর সঠিক ক্রিয়া না থাকায় ছাত্রাবস্থা থেকে কর্মজীবন ও পারিবারিক জীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। মৃত হয়ে যাচ্ছে চরিত্র ও মননশীলতা । যেন সব কিছুকেই বিসদৃশ করে দিচ্ছে। তারই প্রতিরূপ বুয়েট শিক্ষার্থী আলোচিত আবরার হত্যাকাণ্ডটি। যা নিয়ে গোটা মানব সমাজ হতাশ ও স্তম্ভিত। সাধারণ ভাবনা এই যে, এখনকার শিক্ষা বাণিজ্যের প্রতিযোগিতায় বুয়েট-মেডিকেলে মেধাবী গরিব সন্তানদের ঠাঁই কম হয়। কারণ মেধা থাকা সত্ত্বেও অর্থাভাবে প্রতিযোগিতায় গরিব ছাত্ররা আসতে পারছে না। তারপরও প্রতিযোগিতায় অসচ্ছল পরিবারের সন্তান বুয়েটের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ পাচ্ছে। কিন্তু বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কী করে পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে আবরারকে হত্যা করলো। এই মেধাবীরা ক্ষমতালিপ্সু ও রাতারাতি ধনী হবার অভিপ্রায়ে অর্থলিপ্সু হয়ে যাওয়ার প্রতিবিম্বস্বরূপ এহেন অপকর্মটি করলো। গণমাধ্যমে চলে এসেছে, একটা ভাল চাকরির জন্যও নাকি এ অপপ্রয়াস ছিল এদের মধ্যে একজনের। অশুভ রাজনীতির হাতছানির ভেল্কিবাজিতে উচ্চাভিলাষীর ঘেরাটোপে আটকে গিয়ে সকল কিছু ধূলিসাৎ হয়ে গেলো। দলীয় নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এ উন্মত্ততা বিকর্ষণ বৈকি? এ হত্যাকাণ্ডের কাহিনী বাংলা চলচ্চিত্রের উপকরণ হয়েছে। অন্যদিকে এদের পরিবার বেকায়দায় পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। অথচ পরিবারের করুণ বিষয়টি এদের মাথায় আনাটার সময় পর্যন্ত ছিল না। এখানে একটি ব্যাপার ভাবনার মতো। আবরারের পিতা-মাতার কষ্ট এক জায়গায় সেটা হলো খুনিদের হাতে ছেলের নির্মম মৃত্যু। আর অপরদিকে খুনিদের পরিবারের কষ্ট দুরকমের। প্রথমত ছাত্র হত্যার দায়ে খুনিদের পিতা-মাতা হয়ে সমাজে জীবন যাপন এবং দ্বিতীয়ত পরিকল্পিত হত্যার দায়ে বিচারক সিদ্ধান্তে মৃত্যুদণ্ডে মৃত্যু হওয়া। চলার পথে প্রশ্ন আসবে-এমন সন্তান পেটে ধরলেন কিভাবে? শুধুই কি তাই, এ মামলা মোকাবেলা করতেও আর্থিক ক্ষতি হবে খুনি সন্তানদের পরিবারগুলোর। এখন দুজন খুনি ছাত্রের পরিবারের অবস্থা উল্লেখ করা যাক।



মিডিয়ার সুবাদে জেনে গেলাম আবরার খুনিদের পারিবারিক অবস্থা। পুলিশি তদন্তে দোষী হয়ে আটক হন ইশতিয়াক আহমেদ মুন্না। সে ছাত্রলীগ বুয়েট শাখার গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক। তার বাবা ১২ বছর আগে মারা গেলে তার মায়ের অন্যের সাথে বিয়ে হয়। মায়ের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। পরে ঢাকার ক্যামব্রিয়ান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে বুয়েটে ভর্তি হন। মোঃ আকাশ হোসেনও একজন খুনি । প্রাথমিক তদন্তে দোষী। আকাশ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাবা আতিকুল ইসলাম একজন ভ্যান চালক। জয়পুরহাট সদরে তার বাড়ি। আকাশ এস.এস.সি. ও এইচ.এস.সি.তে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। প্রতিবেশীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে বুয়েটে ভর্তি হবার খরচ তার যোগাতে হয়েছিল। এ জায়গায় ব্যথিত মনে বলতে হয়, আকাশ-ইশতিয়াকরা অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের বেড়ে উঠার গল্প হয়তো পড়েনি। যদি পড়তো এ ধরনের বিধ্বংসী কাজে হয়তো যেতো না। যদি এখন তাদের অভাগা পিতা মাতার কাছে বিচার চাওয়া হয় তাহলে তারাও সঠিক রায় দিবেন আবরার খুনিদের বিচার করতে। প্রিয় সন্তান খুনি হলেও ন্যায় বিচার মূর্খ বাবাও করতে পারেন। কিন্তুু জাতি চিন্তিত ছিল আইনী বেড়াজালের মারপ্যাঁচে বিশ্বজিৎ হত্যাকারীদের মতো যাতে খুনিরা পার পেয়ে না যায়। যেমন নুশরাত হত্যার বিচার হয়েছে। তাই কোনো খুনের বিচার যাতে ধূসর রঙে ঢাকা না পড়ে যায়। এই প্রত্যাশা সকলের। কিন্তু আবরার বিচার কাজ এগিয়েছে অনেক দূর। অন্যথায় রাজনীতির তৈরি যমদূত আরও মহান হয়ে যেতো। যখন এ অচলাবস্থা সমাজ নিয়ত দেখছে ঠিক সেই মুহূর্তে কষ্টে থাকা সেই আইজ উদ্দিনের লিখা তাচ্ছিল্য বাক্যটি অমীয় বাণী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় 'কষ্টে আছি আইজ উদ্দিন'। এ বাক্যটি ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ঘুরে ঘুুরে যুবক আইজ উদ্দিন খড়িমাটি কিংবা রংতুলি দিয়ে লিখেছেন। সময়ের গ-িতে অন্যায়ের আতিশয্যে কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ মানুষ। ভালভাবে বেঁচে থাকার বেশি সময়ের আয়োজন করতে পারেনি এ সমাজ কেবল আতঙ্ক ও আশঙ্কা ছাড়া। তাই সমস্বরে কষ্টের সেই আইজউদ্দিনকে জাগিয়ে দিতে হবে।



ক্যাসিনো-জুয়াড়িদের ধরপাকড়ের মহোৎসবের অন্তরালে আবরার হত্যাটি জনমানসে বিষিয়ে ওঠার মতোই। বছরে ক্যাসিনো জুয়া থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা মাত্র কয়েকজনের ডিপোতে। এটুকুকেই বড় অপরাধ বলে একধরনের অপরাধই করা হবে। শেয়ার বাজারের দ্বারা কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লক্ষ লক্ষ শেয়ার হোল্ডারদের পথে বসানো হয়েছে। সেখানে একটা বড় ঝাঁকুনি প্রয়োজন। এটাই বড় ম্যাজিক যা সাধারণ মানুষ বোঝে না। এটায় বড় জুয়া যা স্বল্প পুঁজি খুইয়ে গরিব শেয়ার হোল্ডারগণ পথে বসেছে। যার কূল কিনারা তারা এখন পর্যন্ত বোঝে না।



 



লেখক : প্রাবন্ধিক, জাহাঙ্গীর হোসেন, ০১৬২৭৮৪০৪৯৫।



 



 



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৯০৬৬১৪
    পুরোন সংখ্যা