চাঁদপুর, বুধবার ৩ জুন ২০২০, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১০ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্‌কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৭। 'হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত!


২৮। 'আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।


২৯। 'আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।'


 


 


শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল যেদিন প্রথম খেলে
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
০৩ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন অন্য উচ্চতায়। টাইগারদের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা নিয়ে হইচই চলছে সবসময়। কিন্তু এ দিনটি আনার জন্যে একদিন শুরু করতে হয়েছিল শূন্য থেকে। সেই গল্পই বিভিন্ন অনলাইন সূত্রে আজ তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য।



১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ নামের কোনো ক্রিকেট দলের মাঠে নামতে ৬ বছর সময় লেগেছিল। বাংলাদেশ প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ খেলে ১৯৭৭ সালের ৭ জানুয়ারি। তিনদিনের একটি ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ডের একটি ক্লাবের বিপক্ষে। এ ম্যাচটি মূলত আয়োজিত হয় বাংলাদেশের সামর্থ্য যাচাইয়ের জন্য। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের যোগ্য কি না সেটা পরীক্ষা করে দেখতেই এই খেলা।



ঢাকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী একটি ক্লাব মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি। এমসিসি ক্লাবটির এখন আর কোনো টিম নেই। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সাথে ক্রিকেটের আইন-কানুন নিয়মেই এ এমসিসি এখনও আলোচনা করে থাকে।



এ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের অন্যতম ক্রিকেটার ছিলেন শফিকুল হক হীরা। যিনি পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এবং ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন। তার স্মৃতিচারণে উঠে আসে ৪০ বছর আগে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচের কথা, 'মূল প্রশ্ন ছিল আমাদেরকে সহযোগী সদস্য করবে কি করবে না। কারণ আমরা পূর্ব পাকিস্তান ছিলাম, মুক্তিযুদ্ধের পর দুই বছর এবং শেখ মুজিবুর রহমান মারা যাবার পর বেশ ক'দিন ক্রিকেট বন্ধ ছিল। '



তিনি বলেন, 'ফুটবল তখন তুঙ্গে ছিল, সবাই ছিল ক্রিকেটের বিপক্ষে। লোকের ঝোঁক ছিল ফুটবলের দিকে। ক্রিকেটকে মনে করা হতো বনেদি খেলা, তাই অনেকেই ক্রিকেটের বিপক্ষে ছিলেন। সবাই ভাবত পাকিস্তান ভালো ক্রিকেট খেলত, কিন্তু দেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশও যে ভালো ক্রিকেট খেলত সেটা আন্তজার্তিকভাবে স্বীকৃত ছিল না। '



সেই দলে আরো ছিলেন রকিবুল হাসান, জালাল আহমেদ চৌধুরী, ফারুক আহমেদ, সৈয়দ আশরাফুল হক, দিপু রায় চৌধুরী, অধিনায়ক ছিলেন শামীম কবির।



শফিকুল হক হীরা বলেন, 'আমরা খুব উত্তেজিত ছিলাম। কেননা ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী এমসিসি খেলবে। এই খেলার ওপর নির্ভর করত যে আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সদস্য হব কি না। দল নির্বাচনে একটু সমস্যা ছিল। আমরা ছিলাম জ্যেষ্ঠ। আমাদের কিছু সুপারিশ ছিল। তবে পরবর্তীতে সবাই আলোচনা করে দল নিয়ে একমত হন। 'তিন দিনের এই ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছিলো। বিশ্লেষক ও ক্রিকেটাররা বলছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই ম্যাচের তাৎপর্য অনেক। শফিকুল হক হীরা মনে করেন, বাংলাদেশের সহযোগী সদস্য হওয়া থেকে শুরু করে টেস্ট খেলার মর্যাদা পাওয়া পর্যন্ত এই ক্রিকেট ম্যাচের একটা প্রভাব ছিল।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৪৩
পুরোন সংখ্যা