চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪। ইহা এইজন্য যে, উহারা আল্লাহ ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল, এবং কেহ আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করিলে আল্লাহ তো শাস্তিদানে কঠোর।


 


 


আকৃতি ভিন্ন ধরনের হলেও গৃহ গৃহই। -এন্ড্রি উল্যাং।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের টুকিটাকি
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মাত্র ৫ দিন আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় শুরু হয়েছে অষ্টাদশ জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯। চাঁদপুর স্টেডিয়ামে এ টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ মাজেদুর রহমান খান। উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুবুর রহমান, পিপিএম (বার), চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালসহ অন্য অতিথিবৃন্দ।



টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের খেলাগুলো সোমবার শেষ হয়েছে। নক আউট পদ্ধতির এ টুর্নামেন্টে অংশ নেয় হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, মতলব দক্ষিণ, কচুয়া, মতলব উত্তর, হাইমচর, ফরিদগঞ্জ ও চাঁদপুর সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল দল। এ টুর্নামেন্টের ২য় রাউন্ডে অর্থাৎ সেমি-ফাইনালে উঠেছে ৪টি দল। দলগুলো হলো- চাঁদপুর সদর, মতলব উত্তর, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সহ খেলা চলাকালীন বিভিন্ন টুকিটাকি সংবাদগুলো ক্রীড়ামোদী পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো।



কথা রাখেনি শাহরাস্তি?



চাঁদপুর স্টেডিয়ামে অষ্টাদশ জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল উপ-কমিটি অংশ নেয়া দলগুলোকে নিয়ে খেলার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা সহ খেলার ফিকশ্চার তৈরি করে। এ সময় সকল উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ একমত পোষণ করেন যে, খেলা চলাকালীন যে দলই মাঠে খেলতে নামবে তাদের দলের খেলোয়াড়দের ড্রেসআপ ও মোজা একই কালারের হবে। কিন্তু টুর্নামেন্টের ৩য় দিনের খেলায় অংশ নেয় শাহারাস্তি ও হাইমচর উপজেলা দল। খেলা চলাকালীন দেখা যায় যে, শাহরাস্তি দলের যে ক'জন খেলোয়াড় খেলতে নেমেছিলেন, তাদের পুরো ড্রেসের সাথে কারোরেই মিল ছিলো না। কেউ সাদা, কেউ বা বিভিন্ন কালারের মোজা ও শর্টপ্যান্ট পরে খেলতে নেমেছিলেন। অবশ্য ওই দলটি হাইমচরের সাথে ২-১ গোলে হেরে রোববার টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়। মাঠে কিছু সংখ্যক দর্শক বলতে থাকেন, জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল খেলতে শাহরাস্তি দল কি এভাবেই আসলো?



সাংবাদিকদের জন্য গোল্ডকাপ



যে কোনো খেলার টুর্নামেন্ট কিংবা লীগ উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠান কাভার করার জন্য ফটোসাংবাদিকরা উপস্থিত হন। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় যে, মোবাইল দিয়ে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে। তবে এসব মোবাইল দিয়ে ছবি তোলা সকলেই কিন্তু সংবাদকর্মী নয়। কেউ নিজের জন্য আবার কেউবা ভিভিআইপি নেতাদের সাথে ছবি তোলার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। মঞ্চ থেকে দূরে যারা থাকে কিংবা অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিরাও এ বিষয়টিকে ঠিকমতো মেনে নেয় না। তেমনি জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বেলুন উড়ানোর সময় ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় পত্রিকার ফটোগ্রাফারদের থেকে মাঠে আসা উৎসুক ব্যক্তিরাও ছবি তুলতে থাকেন। এ অবস্থা দেখে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল সবার সামনেই বলে ফেলেন, সাংবাদিকদের জন্যে গোল্ডকাপ আয়োজন করা দরকার।



কোচের এ কেমন আচরণ!



খেলা চলাকালীন মাঠে খেলোয়াড়দেরকে দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচরা বিভিন্ন পরামর্শ দেন। এ সময় খেলোয়াড়রা তার পরামর্শ অনুযায়ীই খেলা খেলতে থাকেন। কিন্তু চাঁদপুর স্টেডিয়ামে চাঁদপুর সদর ও কচুয়ার খেলা চলাকালীন দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। তাও আবার খেলাটি ছিলো শুক্রবার উদ্বোধনী দিনের খেলা। কচুয়ার কোচ মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে খেলোয়াড়দেরকে অপরপক্ষে আক্রমণের জন্যে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। আর অপর দিকে কচুয়ার সাথে ১টি গোল খাওয়ার পর সদরের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফুটবল কোচ সোহেল অনেকটা ভিন্ন ধরনের আচরণমুখী হয়ে উঠেন। তিনি তার দলের বিদেশী খেলোয়াড়দেরকে গালাগালি করতেও দেখা গেছে। খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে চাঁদপুরের উঠতি বয়সী রাইট আউট পজিশনে খেলা সদরের ৭ নম্বর জার্সি পরিহিত তুহিনকে বল নিয়ে কেনো অপরপক্ষের খেলোয়াড়কে ঠিকমতো বাধা দিলো না, এজন্যে কোচ ওই খেলোয়াড়ের সাথে খুব খারাপ আচরণ করেন। এ সময় ওই ফুটবলার বলতে থাকেন, আপনি কেনো এই খারাপ আচরণ করছেন। আমি তো ইচ্ছে করলেই কোনো ফুটবলারকে আঘাত করতে পারি না। আপনি তাহলে মাঠে নামেন, আমি মাঠ থেকে উঠে যাই।



মাঠে এরা কারা?



খেলা চলাকালীন দেখা যায় যে, মাঠের ভেতর অনেক মানুষ। এরা কিন্তু সবাই অংশ নেয়া দলেরও নয়। আবার অংশ নেয়া দলের কর্মকর্তা সেজেও অনেকে খেলা চলাকালীন মাঠে ঢুকে যাচ্ছে। আবার যারা মাঠে ঢুকতে চান কাজের জন্যে, তাদেরকে অনেক সময় দায়িত্বরতরা ঢুকতে দিচ্ছেন না। খেলা চলাকালীন এ বিষয়টি নিয়ে এর আগে রিপোর্ট করার পর খেলা চলাকালীন বহিরাগতদের বেশি দেখা যেতো না। কিন্তু এবার শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলের খেলাগুলোতে বহিরাগতদের মাঠে উপস্থিতি দেখা যায় বেশি।



টেবিল, তবে রোদে...



অবশেষে জেলা ক্রীড়া সংস্থা খেলার নিউজ কাভার করা সাংবাদিকদের জন্য মাঠের একপাশে একটি টেবিল বসিয়েছেন। অবশ্য সেই টেবিলের সামনে ৩টি থেকে ৪টি চেয়ারও রাখা থাকে। কিন্তু এমন স্থানে টেবিল বসানো হয়েছে যে, ভরদুপুরের পুরো রোদটুকুই ওই টেবিলে বসলে মাথার উপর পড়ে। খেলা শুরু হলে দেখা যায় যে, ছবি তুলতে গেলে পরে এসে সেই চেয়ারও পাওয়া যায় না। সেই চেয়ারগুলো মাঠে আসা বিভিন্ন লোকজন বসার জন্যে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা মাঠে বসেই খেলার নিউজ ও ছবি সংগ্রহ করেন।



 



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২৮০৪৬
পুরোন সংখ্যা