চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর শহরে গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪। ইহা এইজন্য যে, উহারা আল্লাহ ও তাঁহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করিয়াছিল, এবং কেহ আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করিলে আল্লাহ তো শাস্তিদানে কঠোর।


 


 


আকৃতি ভিন্ন ধরনের হলেও গৃহ গৃহই। -এন্ড্রি উল্যাং।


 


 


স্বদেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ।


 


 


ফটো গ্যালারি
সাঁতারকে ঠিকমতো প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে না
-----------------সাঁতারু আশীষ কুমার লোধ
১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমাদের এ জেলায় একসময় সাঁতারের অনেক জৌলুস ছিলো। লেক সহ বিভিন্ন স্থানে অবিরাম ও দূরপাল্লার সাঁতারের ব্যবস্থা করা হতো। এখন তো আর সেগুলো চোখেই পড়ে না। এক সময় দুদিনব্যাপী বিভাগীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে একাই চারটি বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করেন আশীষ কুমার লোধ। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে চাঁদপুরের সাঁতারুদের প্রাধান্যটা ছিলো সবচেয়ে বেশি। এমনকি চাঁদপুরের সাঁতারুদেরকে নিয়ে কুমিল্লা জেলা বিভাগীয় পর্যায়ে দেশের যে কোনো স্থানেই সাঁতারে অংশ নিতো । মুক্ত, বুক, প্রজাপতি ও পিঠ সাঁতারে আশীষ বিভিন্ন স্থান থেকে পুরস্কার জয় করে নিয়েছেন।



তিনি জানান, আমাদের সময় সারাদেশেই চাঁদপুরের সাঁতার ও সাঁতারুদের সুনাম ছিলো। কিন্তু সেই সাঁতারের নাম-ডাক কেনো হারিয়ে যাচ্ছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি অনেকটা চুপ করে থাকেন। তারপর বলতে থাকেন, আমাদের সময় স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে অনেক সাঁতার প্রতিযোগিতা হতো। কয়েকদিন পরপরই এই প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হতো। জেলা ক্রীড়া সংস্থা যদি ফুটবল ও ক্রিকেটের মতো এ ইভেন্টটির প্রতি নজর দিতো তাহলে এ জেলার সাঁতারের ঐতিহ্যটা ধরে রাখা যেতো। সাবেক সাঁতারুদেরকে নিয়ে কিভাবে সাঁতারের ভালো কার্যক্রম শুরু করা যায় এ বিষয়টির প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে বেশি করে প্রতিযোগিতা শুরু করতে হবে। বিভিন্ন স্থান থেকে সাঁতারু খুঁজে জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে তাদেরকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৭৪৯৬
পুরোন সংখ্যা