ঢাকা। সোমবার ২১ জানুয়ারি ২০১৯। ৮ মাঘ ১৪২৫। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, কিংবদন্তীতুল্য সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ এম এ গফুর আর বেঁচে নেই। আজ ভোর ৪টায় ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।বাদ জুমা পৌর ঈদগাহে জানাজা শেষে বাসস্ট্যান্ড গোর-এ-গরিবা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৫৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

যাকে মান্য করা যায় তার কাছে নত হও। -টেনিসন।


 


 


যারা ধনী কিংবা সবকালয়, তাদের ভিক্ষা করা অনুচিত।


 


 


ফটো গ্যালারি
করিম পাটওয়ারীকে নিয়ে ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আবুল ফজলের স্মৃতিচারণ
২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারীকে নিয়ে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ভাষা সৈনিক অ্যাডঃ আবুল ফজল তাঁর জীবদ্দশায় স্মৃতিচারণ করেছেন। দু'জনই এখন পৃথিবীতে নেই। অ্যাডঃ আবুল ফজলের স্মৃতিচারণটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো :



মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারীর সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দের ২০ আগস্ট। আমি তখন আমার রাজনৈতিক নেতাদের পরামর্শে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসের কলকাতা গড়ের মাঠের বক্তৃতা শুনে ফিরে আসছিলাম।



গড়ের মাঠের বক্তৃতার পর পরই কলকাতায় ঘৃণ্য-সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু হয়। তারপর মারামারি, হানাহানি, রাহাজানি শুরু হয়। প্রচারিত হয় যে, হিন্দু-মুসলমান পৃথক জাতি এবং পাকিস্তান জন্মের স্বপক্ষ প্রমাণ। সে মারামারি বিহার ও নোয়াখালীতে ছড়িয়ে পড়েছিলো।



আব্দুল করিম পাটওয়ারী এবং আমার মধ্যে বয়সের ব্যবধান খুব একটা ছিলো না। আমি তখন শাহারাস্তি হাই মাদ্রাসায় ৯ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করি। এখন মনে হয় দু'জনই অপরিণত বয়সের ছেলে মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাদের রাজনৈতিক ভাবধারার শিক্ষায় আমাদের মধ্যে চিন্তার ব্যতিক্রম থাকলেও পর্বতপ্রমাণ বৈষম্য ছিলো না। তারপর ভারতবর্ষের নদ-নদীর স্রোত অনেক গড়িয়েছে। কখনো একমত হয়েছি, কখনো দ্বিমত হয়েছি; কিন্তু মত বৈষম্যে মন বৈষম্য হয়নি।



১৯৫০-'৫১ খ্রিস্টাব্দে আমি চাঁদপুর কলেজের ছাত্র। একদিন ভোরে দোতলা হোস্টেলের বারান্দায় দাঁত ঘষছিলাম। তখনকার দিনের তুখোড় ছাত্রনেতা শেখ মজিবুর রহমান রাস্তা থেকে ডাকলেন। আমরা একত্রিত হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে আব্দুল করিম পাটওয়ারী সাহেবসহ একত্রে বর্তমান চাঁদপুর নিউ মার্কেট (তদানীন্তন নীরোদ পার্ক) মরহুম হোসেন শহীদ সোহাওয়ার্দী মরহুম আবদুল হামিদ খান ভাসানীসহ ১ ঘণ্টার চোঙ্গা প্রচারে সভা হয়। আমিও মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারীসহ সে পথসভার ব্যবস্থা করি। আমার মনে হয় মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারীর সঙ্গে শেখ মজিবুর রহমানের (পরে বঙ্গবন্ধু) সঙ্গে এর আগেই কোনো সূত্রে পরিচয় ছিলো। আবদুল করিম পাটওয়ারী উপরোক্ত ৩ জনের মধ্যে আমাদের ২ জনের খুব প্রশংসা করেন।



তারপর চড়াই-উৎড়াই আমাদের জীবনে রয়েছে; কিন্তু মানবধারার অমিল-বেমিল কখনো হয়নি। আমাদের আলোচনা হতো যারা মুসলমানদের ঐক্যের জন্যে বক্তৃতা করতেন 'আল্লাহ্র রজ্জুকে একত্রে ধরো তোমরা পৃথক হইও না'। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ঘোষিত পাকিস্তানের তার ইচ্ছেটা কি? দীর্ঘ রাজনৈতিক চড়াই-উৎড়াই সম্পর্কে ব্যক্ত করার এই পরিসন এবং পরিবেশ নেই। মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারী সাহেব প্রথমে আওয়ামী মুসলিম লীগ তারপর আওয়ামী লীগ ও উক্ত রাজনৈতিক পতাকা তার হাত থেকে পড়েনি। ব্যক্তি জীবনে নিরলস পরিশ্রমী কঠোর নীতিবান এবং মননে মানুষে বুঝে শুনে উপলদ্ধি করে গোঁড়া আদর্শে অটল এক নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তি। তাঁর বিবাহ হয় একটা ঐতিহ্যশালী বনেদী পরিবারে। কিন্তু তিনি গোঁড়া ধার্মিক ছিলেন না অথচ ধর্মকর্মে, নামাজ-রোজায়, আদব-কায়দায় পরিশুদ্ধ নিলর্োভ সর্বদা সুন্দর মানুষ। তদানীন্তন পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে যতবার ব্যক্তিগত লোভ-লালসা এবং স্বার্থের প্রলোভন এসেছে, মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেব একটা অমলীন অবজ্ঞার হাসি হেসে বলে দিয়েছে আদর্শের চামড়া বিক্রয় সে আব্দুল করিম পাটওয়ারীর নয়, অন্য কেউ। বিপদ এসেছে পালিয়ে বেড়ানো পছন্দ করি না। বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজনের পরমর্শে অপর পক্ষের এবং পুলিশ মিলেটারীর নির্যাতন এড়িয়ে চলেছেন। ১৯৫২ সালে ভাষার আন্দোলনে আমি এলাকার বাইরে ব্যাপক পূর্ব পাকিস্তানে ঝটিকার মতো ঘুরেছি। মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারী সাহেবকে চাঁদপুরে সবার আগে সবার সামনের কাতারে পাওয়া গেছে। ছেলেমেয়েদের যদি তার স্ত্রী শক্ত হাতে মানুষ না করতেন তাহলে ভাবাই যায় না কী হতো। আমি অল্প ক'জন মানুষকে জানি যাদের স্ত্রী যাদের বাইরে-ভেতরের কাজে এবং নির্মল ফলের মতো দরদ দিয়ে শক্ত হাতে প্রশাসন দিয়ে সজিব রেখেছে। যেমনি মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারী সাহেবের স্ত্রী করেছেন। ১৯৫৪ সনের যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনের সময় ২১ দফা বিষয়বস্তু মানুষকে জনসভায় বুঝানোর সময় মনে হতো আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেব মুখস্থ করেছেন প্রত্যেকটি দফাকে স্থানীয় দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক অবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়ায়ে দিকদর্শন করতেন। আমরা বলাবলি করতাম তাকে সকলের শেষে বক্তব্য দিতে বলবো। যাতে তার জন্যে আর কথা না থাকে। কিন্তু আব্দুর করিম পাটওয়ারী সাহেব সত্যিই সার্বিক পুরাতন তথ্য সঠিক দিকদর্শন করেন নব্যভাবে ব্যক্ত করে তার বক্তব্য লম্বা হতো। কিন্তু শ্রোতামন্ডলী ধৈর্য হারায়নি।



যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভার জোরপূর্বক পতন ঘটানোর পর তিনি বলেছেন, অনেক চড়াই-উৎড়াই পার হতে হবে। ১৯৫৬ সনের ইসলামী রিপাবলিক অব পাকিস্তান ঘোষিত হলে তিনি বলেন, খুশি হওয়ার কিছু নেই অনেকগুলো ধাপ পেরুতে হবে। ১৯৫৮ সনের সামরিক আইন জারির পর সবাই ভয় পেয়েছে। তখন মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারী সাহেব বলেছেন, লোহায় আগুন পড়েছে, লাল হলেই নরম হবে আঘাতের সময় তখনই। আমরা ভয়ে জড়োসড়ো। মৌলিক গণতন্ত্রের আমলে আমরা বলাবলি করেছি সিমেন্ট খোয়া বালি পানি। মিশ্রিত পদার্থ জমলে শক্ত হবে। জমতে দেয়া যায় না।



১৯৫৬ সনে ফাতেমা জিন্নাহ্ ও আইয়ুবের নির্বাচনের সময় মরহুম আবদুর রব অ্যাডভোকেট ঢাকা তার গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর শাহরাস্তি। আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেব সকলের মুখের দিকে একবার চেয়ে মরহুম চাঁদবঙ্ পাটওয়ারী, অ্যাডঃ মরহুম নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী, অ্যাডঃ প্রয়াত ধীরেন্দ্র চন্দ্র সোম, অ্যাডঃ যোগেন্দ্র চন্দ্র দাস, অ্যাডঃ মরহুম হাবিউল্লাহ পাটওয়ারী এদের মুখের দিকে একবার চেয়ে মত দিলেন আব্দুর রব আটক কেসের জামিনের ব্যবস্থা করবে, আবুল ফজল জামিনদার হবে। সিদ্ধান্তটা আমি মেনে নিলাম।



১৯৬৯ সনের ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনের সময় আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেবকে দেখেছি দিনের পর দিন রাত-দিন গভীর রাত্রে সবাই মিলে পরিকল্পনা করতে। পরদিন মিটিং মিছিল সঙ্গে মিছিলের মাথায় নেতৃত্ব বক্তৃতায় তার ভূমিকা ছিলো অগ্রগণ্য। আবদুল করিম পাটওয়ারী নাওয়া-খাওয়া নিদ্্রা নেই কাজের পর কাজ কাজের ওপরে কাজ এমন নিরলস অবিরাম এমন হ্যালা শরীরে এমন কঠোর পরিশ্রম একমাত্র আব্দুল করিম পাটওয়ারী ব্যতীত আর অপর ব্যক্তি আমার জানা নেই। ফলাফল দৃষ্ট হয়। ফলাফলের ওপর জেনারেল আইয়ুব খানের পতন জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খানের আগমন। চাঁদপুর সারা দেশের তুলনায় বিচ্ছিন্ন স্থান নয়। বৃটিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলনে চাঁদপুর তদানীন্তন মহকুমা পুরোভাগে ছিলো। পাকিস্তান আন্দোলনে মানুষ রাজনৈতিক বিভক্ত হয়। পাকিস্তান আন্দোলনে আবদুল করিম পাটওয়ারী তদানীন্তন মুসলিম লীগের উল্লেখযোগ্য লোক ছিলেন।



বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে আবদুল করিম পাটওয়ারী বিশিষ্ট ভুমিকা পালন করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ অনুসারী এবং নিবেদিতপ্রাণ কর্মী এবং নির্বাচনে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সংসদের নির্বাচিত সদস্য অতঃপর মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুর ট্রন্সের প্রথম সারির নেতা। নৌকায় নৌকায় নেতৃত্বে পরিকল্পনা প্রবীণ সুচিন্তিত ব্যক্তিত্ব। কিন্তু এক স্থানে তার ব্যতিক্রম ছিলো। যুুদ্ধের বিভীষিকাকে মনেপ্রাণে গ্রহণ করতে পারেন না। আমি অনিবার্য কারণে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণ দিতে পারি না। কারণ স্মরণে নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের নোয়াখালীর রামগঞ্জ থানায় পালিয়ালা ক্যাম্পে তার নামকরণ হয় বিশ্বশান্তি। যুদ্ধের বিভীষিকা, হিংসা, রক্তপাত, অনাহুত মৃত্যু তিনি কখনো পছন্দ করেননি।



স্বাধীনতার পর চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান আবদুল করিম পাটওয়ারীর অন্যতম সারল্য রিঙ্া শ্রমিকের শ্রমিক মজুরদের অকৃত্রিম ভালোবাসা অনেক গর্বিত অপরাধের শাস্তি ছিলো রিঙ্াওয়ালাদের 'এই বেটা ও রকম করবিনে বুঝে শুনে চল'। যেখানে কঠিন শাস্তির প্রয়োজন, যেখানে বিনা লাইসেন্স রিঙ্া চালান বেআইনী, সেখানে নিজের গাটের পয়সা দিয়ে রিঙ্ার লাইসেন্স করে দেয়া সেতো চেয়ারম্যান নয়, মহামানুষ।



আবদুল করিম পাটওয়ারীর অন্যতম প্রকাশিত কাজ বর্তমান বিপণীবাগ। তিনিই নামকরণ করেছেন, যা' স্মরণাতীতকাল থেকে হরিজন পল্লী ছিলো, যা তিনি পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে বর্তমান স্বর্ণখোলায় বদলী করেন। মরহুম আয়াত আলী ভূঁইয়ার বাড়ির দক্ষিণ পাশ থেকে বাস স্ট্যান্ড বর্তমান স্থানে আনার, জমি এবং বর্তমান গোর-এ গরিবাসহ পৌরসভার কবরস্থানের পুকুর ও মসজিদ মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেবের কৃতিত্ব। দয়াল চিত্র দুর্বচ্চিত্র নয় এমন দূরদর্শিকতা জনদরদী জনগণ মন মানষের কল্যাণকারী সেবক বিংশ একবিংশ শতাব্দীতে তার মতো পাওয়া দুষ্কর হয়। চাঁদপুর পৌর ঈদগাহসহ অপরাপর জনগুরুত্বপূর্ণ কর্ম নেই-যাতে মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেবের হাতের ছোঁয়া লাগেনি।



বিষ্ণুদী পাটওয়ারী বাড়ি আমি ১৯৪২ সন থেকে চিনি। অথচ পরবর্তীকালে ইদানিং সেই বাড়ির আবদুল করিম পাটওয়ারী বাড়ি নামে সকলের অলক্ষ্যে অগোচরে খ্যাত হয়ে গেল। তার মহাপ্রয়াণের ১৫ ঘন্টার পূর্বে এক সন্ধ্যায় তার এক ছেলেকে দিয়ে আমাকে এবং আমার পাশের বাড়ির দলিল উদ্দিন শিকদারকে খবর দিলেন যাওয়ার জন্যে। আমরা মাগরিবের নামাজের পর গেলাম। আমাদের যাওয়ার কিছুক্ষণ পূর্বে মাওলানা সাহেব তাঁকে তওবা পড়ায়ে যান। আমাদের প্রতি তাঁর নির্দেশ ছিলো বাস স্ট্যান্ডের মসজিদের উন্নয়ন কাজ করার। ইতিমধ্যে চারদিক খবর হচ্ছিলো। নিজ বাড়ির আশপাশের অনেক মহিলা তাকে দেখবার জন্যে এসেছেন। উপস্থিত সকলে চান আমরা বিদায় হই। কিন্তু আমার আফসোস হচ্ছিল, যে লোকটার সঙ্গে হাসতে হাসতে জীবনের এতগুলো বছর কাটালাম তাকে তো কান্নার মধ্যে রেখে যেতে পারি না। আমি আমাদের ভালো স্বাস্থ্যের দিনের একটা কৌতুকবহ কথা বলা মাত্র তিনি পুরো পূর্বের মতো হেসে উঠলেন। আমি গোপনে অশ্রু বিসর্জন করে সর্বশ্রেষ্ঠ বন্ধুর সর্বশেষ সানি্নধ্য ত্যাগ করি। তারপর তিনি ১৫ ঘন্টা দুনিয়ায় ছিলেন। তাঁর বাড়ির মসজিদের পশ্চিম-দক্ষিণ কোণে রাজপথের উত্তর পাশে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।



 



সম্রাট আকবরের সমাধি সেকেন্দ্রায় একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি লিখেছেন,



'এখানে মোঘলের মুকুট রতন শায়িত।



শান্তির মাঝে, পথিক সুজন নেহারিয়া



এই সমাধি ভক্তিপুতঃ মনে সম্ভ্রমে নোয়াব শির



হৃদে গগন জমে তার মত কতপূর্ণ ছবি কথা



কত বর্ষের হায় কত শত ব্যথা।



মনে পড়ে এই পথে এমনি সময়ে বীর



যোদ্ধা আগমন উৎফুল্ল হৃদয়ে চরিত



অবিরাম আর আজি হায়



ভাঙিতে এই নীরবতা



ঝিল্লা ভয় পায়।'



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১০০১৫২
পুরোন সংখ্যা