চাঁদপুর। শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮। ২৫ কার্তিক ১৪২৫। ২৯ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫২। 'আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হইতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলিতেও অক্ষম।


৫৩। 'মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশ্তাগণ দলবদ্ধভাবে?


৫৪। এইভাবে সে তাহার সম্প্রদায়কে হতবুদ্ধি করিয়া দিল, ফলে উহারা তাহার কথা মানিয়া লইল। উহারা তো ছিল এক সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


assets/data_files/web

যদি বইটা হয় পড়ার মতো তবে তা কেনার মতো বই। -জন রাসকিন।


 


 


 


পবিত্র হওয়াই ধর্মের অর্থ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
নীরবে নিভৃতে মেলার ঐতিহ্যে আমরাও আছি
অধ্যাপিকা আইনুন্নাহার কাদ্রী
০৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শিশুদের নান্দনিক চেতনাকে জাগ্রত করতে মতলবের সূর্যমুখীরা কাজ করে যাচ্ছে ৫০ বছর। এই ৫০ বছরে তারা মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলায় তৈরি করে ফেলেছে ভালোবাসার স্মৃতিসৌধ। যার নাম 'সুবর্ণজয়ন্তী'। মতলব মেলার সুশীতল ছায়াতলে যাদের পদচারণায় মেলার আঙ্গিনা ভরে উঠেছে হৃদয়ের ঝংকারে, তাদের কথা মেলার এমন সুবর্ণ সময়ে স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার মমত্বময় প্রচেষ্টা আমাকে বারবার তাড়িয়ে বেড়াচ্ছিলো। শতসহস্র ভাইদের সাথী হয়ে যে বোনেরা মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলায় বাংলা ও বাঙালির আদর্শকে প্রেরণা হয়ে শক্তি দিয়েছে তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সাথে আমার সম্পৃক্ততা, বয়সের এবং বোধের সীমানায় দাঁড়িয়ে আমি যাদের মনে করতে পেরেছি এবং যাদের তথ্যসংগ্রহ করতে পেরেছি, কচি-কাঁচার ঐতিহ্যের সুনীল আকাশে তাদের সম্পৃক্ততা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। সকলের তথ্যসংগ্রহ করতে পারিনি বলে দুঃখ প্রকাশ করছি।

প্রয়াত রহিমা খাতুন : মতলবগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন রহিমা খাতুন, মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার প্রতি তাঁর প্রাণের টান শত ব্যস্ততার মাঝেও হাজির করেছে মেলা প্রাঙ্গণে। তাঁর আন্তরিক বন্ধন মেলাকে প্রণোদিত করেছে। তিনি সুদীর্ঘ সময় মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার উপদেষ্টা ছিলেন এবং মেলার প্রথম কার্যনির্বাহী পরিষদের (১৯৬৮ খ্রিঃ) উপদেষ্টা সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঊষা মজুমদার : মতলবগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন ঊষা মজুমদার। মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার প্রথম সঙ্গীত শিক্ষক তিনি। তাঁর নিজ বাসভবনে মেলার শিশু সদস্যদের গান শিখাতেন। নিবেদিতপ্রাণ এ মানুষ কচি-কাঁচার সদস্যদের পরম মমতায় আপ্যায়ন করতেন। কচি-কাঁচাদের জন্যে তাঁর নিরলস সঙ্গ এবং সঙ্গীত শিক্ষার সে মনোমুগ্ধকর প্রচেষ্টা মেলা সম্পৃক্ত সবাই শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। মেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য সমর মজুমদার তাঁর ছেলে। ঊষা রাণী মজুমদার মেলাতে যখন গান শেখাতেন সমর মজুমদার মায়ের সাথে তবলা বাজাতেন।

সালিমা বেগম ছবি : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার '৭৪ সালে সক্রিয় কর্মী ছিলেন সালিমা বেগম ছবি। মতলবের স্বনামধন্য এবং বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ফ্লাইট লেঃ (অবঃ) এবি সিদ্দিক সাহেবের বোনের মেয়ে। বরদিয়া সরকার বাড়ি হতে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলায় প্রশিক্ষণে আসতেন তিনি। সে সময়টা মেয়েদের জন্যে বাহ্যিক জগতে বিচরণ ছিলো বৈরী। ১৯৭৪ সালে ঢাকায় স্বাধীনতার পর প্রথম জাতীয় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নিয়েছেন তিনি।

মুকুল মজুমদার : শিশুসদস্য হিসেবে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার কার্যক্রমে যোগদান করেন মুকুল মজুমদার। তার মা ঊষা রাণী মজুমদারের অনুপ্রেরণায় মেলার সাথে সম্পৃক্ত হয়েছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপ-সচিব পদে কর্মরত থেকে অবসরগ্রহণ করেছেন তিনি। এখনও মেলার একনিষ্ঠ শুভাকাঙ্ক্ষী ও সবসময় মেলার খোঁজখবর রাখেন।

শেফালি সিদ্দিক : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সম্মানিত সদস্য, সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ী এবং প্রাক্তন সংসদ সদস্য ফ্লাইট লেঃ (অবঃ) এ. বি. সিদ্দিক সাহেবের স্ত্রী শেফালি সিদ্দিক। মেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর আন্তরিক উপস্থিতি মেলার কর্মী ও সাথীদের উৎসাহিত করতো। তিনি চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সাথে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে তাঁর ছেলে জাবেদ সিদ্দিক বাবা ও মার হাত ধরে কচি-কাঁচা বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মেলার শিশু সদস্য হিসেবে মেলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। সুদীর্ঘ সময় অতিক্রম হলেও এখনও শেফালি সিদ্দিক মেলার সুহৃদ রয়ে গেছেন।

শামছুন্নাহার : মানুষ বাবার বাড়ির সুশীতল ছায়াতলে একজীবন অতিক্রম করে। স্বামীর বাড়িতে এসে নারীরা শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবর-ননদকে নিয়ে আবিষ্কার করে আরেকটি নতুন জগৎ। শামছুন্নাহার তার জীবনে তৃতীয় একটি জগৎকে আবিষ্কার করেছেন, সে জগতের নাম মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা। যে জগতে এসে তিনি রূপান্তরিত হলেন মিসেস মাকসুদুল হক (বাবলু ভাবী), যেখানে বাবার বাড়ির অতীত, স্বামীর বাড়ির সংসার সমরাঙ্গনকে ছাপিয়ে তিনি হয়ে গেলেন মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার একান্ত আপন দায়িত্বশীল সবার অতি আপন বাবলু ভাবী। কচি-কাঁচার সমস্ত জঞ্জাল মাথায় নিয়ে ভাবী নিঃশব্দে নীরবে খেটে যাচ্ছেন। শামছুন্নাহার বাবলু ভাইয়ের সঙ্গী আর মেলার আজীবন বন্ধু হয়ে আছেন আমাদের পাশে। কচি-কাঁচার মেলার প্রতি সকল প্রকার ত্যাগের পাশাপাশি কচি-কাঁচাদের আদর-আপ্যায়ন তিনি এখনও করে যাচ্ছেন।

ইসমত পারভীন রুনু : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা শিশুদের প্রথম সংগঠন বলে মতলবের সচেতন মহলের মেলার প্রতি আন্তরিকতা ছিলো অনেক বেশি। এ সচেতন মহলের প্রণিধানযোগ্য মানুষ ডাঃ আবদুল আজিজ। তাঁরই সুযোগ্য সন্তান ইসমত পারভীন রুনু্। রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই, সুফিয়া কামাল ওনাকে পারিবারিকভাবে চিনতেন। একটি দেশের পতাকার কী মানে দাদাভাই ওনাদের বুঝিয়েছেন। মেলায় কবিতা, গান, শরীরচর্চা বিষয়ে ওনার আগ্রহ ছিলো। সে সময় তিনি মেলার সর্বজনগ্রাহ্য একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। বাবলু ভাইয়ের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা ওনার। ওনাদের ছোটবেলায় সকল বাবা মায়ের বাবলু ভাইয়ের প্রতি আস্থা ছিলো অবিচল। শুধু মতলব নয়, তখন ছেঙ্গারচর ছিলো দুর্গম রাস্তা, সেখানেও তিনি গিয়েছেন। মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলাকে প্রতিনিধিত্ব করতে ঢাকার সেগুনবাগিচায় তিনি গিয়েছেন। মেলার প্রতি স্মৃতিময় ভালোবাসা আজও তার মন কাঁদায়।

মাকসুদা হোসেন কিরণ : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের প্রবীণ (উপদেষ্টা) সদস্য এবং মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি উৎসব (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্যাপনের অভ্যর্থনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক তিনি। তার বড় ছেলে প্রয়াত ডাঃ এনায়েত হোসেন শিপলু মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার আহ্বায়ক এবং প্যারেড কমান্ডার ছিলেন। মাকসুদা হোসেনের ছোট ছেলে জাভেদ হোসেন লাভলু মেলার সাধারণ পরিষদের সদস্য, মেয়ে ডাঃ তামান্না হোসেন তনি্ন মেলার একান্ত আপন সাথী।

অধ্যাপক ডাঃ মাহমুদা আক্তার নাজনীন : তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল বিভাগের অধ্যাপক। ছাত্রজীবনে তিনি সঙ্গীতচর্চা করতেন। মেলার সাংস্কৃতিক বিভাগের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিলো। তাঁর স্বামী কায়কোবাদ সাহেবও মেলার সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ী।

শাহনাজ পারভীন কাকলী : পারিবারিক চেতনা থেকেই মেলার সাথে সম্পৃক্ত থেকেছেন তিনি। ওনার বাবা কখনোই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বাধা দিতেন না। ভাই ব্রিঃ জেঃ (অবঃ) ফারুক চৌধুরী এবং বড় বোন ইসমত পারভীন রুনুর হাত ধরে মেলায় সম্পৃক্ততা। আশির দশকে মেলার শিক্ষা শিবিরে প্যারেড কমান্ডার ছিলেন তিনি। মেলায় ফেলে আসা দিনগুলোতে আবৃত্তি, বিতর্ক, শরীরচর্চা সহ বিবিধ সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের স্মৃতিচারণ করেন তিনি এবং মেলায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও শরীরচর্চা বিষয়ক কার্যক্রম বৃদ্ধি করার বিষয়ে তাগিদ বোধ করেন শাহনাজ পারভীন কাকলী। তিনি মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের কম্পিউটার অপারেশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। জীবন জীবিকা ও বাস্তবতার নিরিখে তিনি শিশুকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত অবিকল ভালবাসেন মেলাকে।

শাহিনা মজুমদার রত্না : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। শিক্ষকতা করেন কচি-কাঁচার আঙ্গিনায় কচি-কাঁচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ছাত্র জীবন থেকে মেলার শিশু সদস্য হিসেবে মেলার কার্যক্রমে সর্বদাই আন্তরিক ছিলেন। মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা'র ৫০ বছর পূর্তি উৎসব (সুবর্ণ জয়ন্তী) উদ্যাপনে নিবন্ধন উপ-কমিটি সদস্য। একসময় তিনি মেলার সঙ্গীত বিভাগের সাথে সক্রিয় ছিলেন।

দিনাত জাহান মুন্নী - জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী, বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার কবির বকুলের স্ত্রী মুন্নী। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন চ্যানেলের নিয়মিত জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও উপস্থাপিকা। মুন্নী একসময় মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা'র সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এ মেলাই সঙ্গীত জগতে মুন্নীকে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং সঙ্গীতের হাতেখড়ি। বর্তমানে মুন্নী মেলার সম্পৃক্ত একজন স্মৃতিগাঁথা শিল্পী।

কামরুন নাহার কাদ্রী : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সাধারণ পরিষদের সদস্য। মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি উৎসব (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্যাপনে নিবন্ধন উপ-কমিটির সদস্য। কচি-কাঁচা প্রি-ক্যাডেট স্কুলের (মাধ্যমিক শাখা) শিক্ষিকা, আবৃত্তি শিল্পী, উপস্থাপিকা।

জেনিফার কাইউম অমি : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সাধারণ পরিষদের সদস্য। মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি উৎসব (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্যাপনে অভ্যর্থনা উপ-কমিটির সদস্য। শ্রেষ্ঠ কাব-শিশু নির্বাচিত ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত।

নুসরাত ফারহানা বিনতু : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার প্রাক্তন যুগ্ম আহ্বায়ক। মেলার বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য (তরুণ) ও মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি উৎসব (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্যাপনে সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য। আবৃত্তিশিল্পী ও উপস্থাপিকা। কাব স্কাউটের সর্বোচ্চ পদক 'শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড' ও স্কাউটের সর্বোচ্চ পদক 'প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড' অর্জন। মেলার কার্যক্রমে সক্রিয় সাথী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।

আরেফা ইয়াসমিন ইতানা : মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার প্রাক্তন যুগ্ম আহ্বায়ক। মেলার বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য (তরুণ) ও মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি উৎসব (সুবর্ণজয়ন্তী) উদ্যাপনে সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য। সঙ্গীতে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী। কাব স্কাউটের সর্বোচ্চ পদক 'শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড' ও স্কাউটের সর্বোচ্চ পদক 'প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড' অর্জন। মেলার সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সক্রিয় সহযোগী হিসেবে নিজকে সম্পৃক্ত রেখেছেন।

আজকাল আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে শিশু সংগঠনের বিকল্প নেই। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে শিশু-কিশোরদের আস্থার প্রতিষ্ঠান মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এ আন্দোলনের সাথে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার নিবেদিতপ্রাণ বোনদের পদযাত্রা মেলার ইতিহাস ঐতিহ্যকে গৌরবান্বিত করে তাদের অনেকের নাম আমাদের স্মৃতিতে আছে। সকলের পূর্ণাঙ্গ নাম সংগ্রহ করা যায়নি। মেলার স্মৃতিপাতায় ধরে রাখার জন্যে অনেকের 'ডাক নাম' ব্যবহার করা হয়েছে।

লাভলী, কনু, রেখা, মুসফিকা, কামরুন নাহার হেনা, সাজেদা বেগম (প্রয়াত), বন্যা, বেবী, রিনা তরফদার, নাদিরা পাঠান শিল্পী, জাকিয়া ফারজানা, ফরিদা ইয়াসমিন লুবনা, ইসরাত জাহান সঙ্গীতা, লক্ষ্মী রাণী সাহা, গীতা রাণী সাহা, কামরুন নাহার ছোটমণি (চিত্রাঙ্কনে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত), কস্তুরিকা (সঙ্গীতশিল্পী), শাহিন, সুমি, বন্যা, স্বপ্না, রিনি, নারগিস আক্তার (শিক্ষক শেরে বাংলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়), অ্যাডভোকেট মাহমুদা আক্তার সীমা, শাহিন সুলতানা, ফাতেমা আক্তার (প্রাইমারী শিক্ষক ট.ঝ.অ.), মাহবুবা রহমান নূপুর, ডেইজি, সানজিদা খাতুন (মেলার প্যারেড কমান্ডার), মাহমুদা আক্তার শিরিন, দিলরুবা পপি, অ্যাডভোকেট ফারহানা আক্তার হ্যাপি, নয়ন, সেলিনা ইয়াসমিন লাকি, মার্জিয়া, এলিন, প্রকৌশলী বিউটি বেগম, প্রকৌশলী আফরিন ইসলাম নিশি, লাকি, শিউলি, ফৌজিয়া হোসেন পুতুল, কাজী জাকিয়া পারভীন, রিনা বণিক, মঞ্জু রাণী সরকার, মাহবুবা আক্তার (সদস্য, মেলার সাধারণ পরিষদ), লিজা, মোনালিসা ইসলাম মিলি, ইফাত জাহান স্বর্ণা, উম্মে হাবিবা তুষি, জান্নাতুল হক সাকি (শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড ও স্কাউট সদর দপ্তরের সক্রিয় সদস্য), ফিরোজা আক্তার (মেলার প্রাক্তন আহ্বায়ক ও শ্রেষ্ঠ কাব শিশু), মুুমু পোদ্দার (মেলার প্রাক্তন আহ্বায়ক ও শ্রেষ্ঠ কাব শিশু), দীপা, প্রিনাকি (শ্রেষ্ঠ কাব শিশু), সামিয়া আক্তার, লামিয়া আক্তার, সিনথিয়া (শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ড), ফাতেমা আক্তার সান্ত্বনা (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত), ইসরাত জাহান স্বর্ণ (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), নুসরাত রেজা রিনি (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), সুমাইয়া কাদ্রী (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), শাফরিদা সুলতানা সুখি (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), নুসরাত জাহান আফরিন (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), তন্দ্রিকা সাহা (সদস্য, মেলার কার্যনির্বাহী পরিষদ), মুনা চৌধুরী (সদস্য, মেলার সাধারণ পরিষদ), নিসা মেহনাজ (সদস্য, মেলার সাধারণ পরিষদ ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত)।

মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সোনালী দিনগুলো যাঁদের স্বপ্ন কল্পনার প্রাচীরঘেরা আল্পনার উপর রচিত হয়েছে, তাদের জন্যে অনেক শ্রদ্ধা। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে মেলায় অসংখ্য মা-বোনের শ্রম-ঘাম, ত্যাগ-তিতিক্ষা ভালোবাসার স্মৃতিচিহ্ন রয়ে গেছে, আমার চেষ্টায় যাঁদের নাম উঠে আসেনি, আপনারা তথ্য পাঠাবেন, আমি যদি বেঁচে নাও থাকি কচি-কাঁচার প্রজন্ম হীরকজয়ন্তীর স্মরণিকায় আপনাদের নাম মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যে সম্পৃক্ত করবে। কচি-কাঁচাদের সম্ভাবনাময় জীবনের জন্যে দোয়া রইলো।

লেখক : প্রাক্তন আহ্বায়ক, সদস্য কার্যনির্বাহী পরিষদ, মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা; সম্পাদক, স্মরণিকা সম্পাদনা পরিষদ ও অধ্যাপিকা (বাংলা বিভাগ), মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭৯৫৯৯
পুরোন সংখ্যা