চাঁদপুর, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৮ আশ্বিন ১৪২৭, ৫ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২১। তাহাদের আবরণ হইবে সূক্ষ্ম সবুজ রেশম ও স্থুল রেশম, তাহারা অলংকৃত হইবে রৌপ্য নির্মিত কংকনে, আর তাহাদের প্রতিপালক তাহাদিগকে পান করাইবেন বিশুদ্ধ পানীয়।


২২। অবশ্য, ইহাই তোমাদের পুরস্কার এবং তোমাদের কর্মপ্রচেষ্টা স্বীকৃত।


 


ভয়কে যারা মানে তারাই জাগিয়ে রাখে ভয়।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


 


 


যে ব্যক্তি নীরবতা অবলম্বন করেছে সে মুক্তি লাভ করেছে।


 


ফটো গ্যালারি
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি : প্রেক্ষিত বহির্বিশ্ব
মিরন নাজমুল
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


স্পেনে এক পরিচিত বন্ধু আমাকে আক্ষেপ করে বলছিলেন, প্রবাসে আমাদের সন্তানরা টেনেটুনে বাংলা বললেও তাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়তো শুধু গল্পের ছলে বলবে, 'আমাদের পূর্বপুরুষদের ভাষা বাংলা ছিলো'। কথাটি আসলেই ভাবনার বিষয়। আমিও একই আশঙ্কায় ভুগছি। এখানে আমাদের দেশীয় অনুষ্ঠানগুলোতে লক্ষ্য করি বাচ্চারা নিজেদের কথাবার্তায় বিদেশি ভাষাটাই বেশি ব্যবহার করে। প্রথম প্রথম এমন দৃশ্য দেখে অবাক হতাম। আমি অনেক মা-বাবাকে অনুরোধও করেছি তাদের সন্তানরা যেনো নিজেদের ভাব আদান-প্রদানে মাতৃভাষাটা ব্যবহার করে। শিশুকালে বিষয়টি ধরিয়ে না দিলে সময়ের পরিবর্তনে তাদের মনের কল্পভাষা এবং মুখের ভাষায় মাতৃভাষার চিহ্ন থাকবে কি না সন্দেহ আছে। এখানে বার্সেলোনার স্থানীয় স্কুলে সব শিশুকে তাদের নিজস্ব ভাষা তথা কাতালান এবং স্প্যানিশ ভাষা কাস্টেয়ানো শেখানো হয়। স্কুলে সহপাঠীরা নিজেদের মধ্যে ভাব প্রকাশে এই ভাষাগুলোই ব্যবহার করে। কিন্তু স্কুলের গ-ির বাইরে বাংলা ভাষাভাষী পরিবারের মধ্যে শিশুরা বাংলার পরিবর্তে স্প্যানিশ বলবে কেনো? খোদ কাতালান শিশুরাও স্পেনের নাগরিক হয়ে নিজেদের কথাবার্তায় স্প্যানিশ ভাষা পরিহার করে তাদের মাতৃভাষা কাতালান বলে। এর জন্যে কাতালান মা-বাবা খুবই সতর্ক তাদের মাতৃভাষা ব্যবহার নিয়ে। কিন্তু আমাদের বাঙালি মা-বাবা এক্ষেত্রে চরম উদাসীনতার পরিচয় দেয়। সন্তানরা নিজেদের পারিবারিক একান্ত সময়েও বাংলা ভাষার বাইরে এই বিদেশী ভাষা ব্যবহার করে। এটা কি নিজের মাতৃভাষার প্রতি সচেতন একজন অভিভাবকের মেনে নেয়া উচিত?



 



এই অসচেতনতার কারণে এই শিশুরা বড় হয়ে স্কুলের গ-ি পেরিয়ে যখন কলেজে ওঠে তখন তাদের মধ্যে অনেকেই বাংলা শুদ্ধ করে বলতেও পারে না, লিখতেও পারে না। অথচ ইউরোপে বসবাস করা বেশির ভাগ পরিবারই সন্তান বড় হওয়ার সঙ্গে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উৎকণ্ঠায় ভোগেন। ভাবনায় পড়েন, সন্তান যদি আবার ইউরোপিয়ান কালচারে খুব বেশি প্রভাবিত হয়ে পড়ে! অথচ ছোট থাকা অবস্থায় অভিভাবকের উদাসীনতায় মাতৃভাষাটাই যদি হারিয়ে যায় সন্তানের মুখ থেকে, তাহলে সে আমাদের সংস্কৃতি অাঁকড়ে ধরে রাখবে_সেই আশা করাটাই তো বড় ভুল। তাই সন্তানের মুখে নিজের মাতৃভাষার পরিবর্তে অন্য ভাষা বলার অভ্যাসটাকে দূর করানো উচিত। চেষ্টা করা দরকার, অন্তত নিজেদের কথাবার্তায় বাংলা ভাষা ব্যবহার করাটা শেখানো।



 



একটা জাতির আত্মপরিচয়ের বহিঃপ্রকাশের প্রধান মাধ্যম তার মাতৃভাষা। ভাষাশহীদদের রক্তে ভেজা বর্ণমালার আবেগ কোমলমতি শিশুদের মধ্যে তৈরি করে দেয়াটা আমাদের দায়িত্ব।



 



(২)



বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের এতো বছর পরও আমাদের মাতৃভাষাকে খোদ স্বভূমিতে আইন করে এখনো সর্বস্তরে পেঁৗছে দিতে আমরা পারিনি। প্রবাসে দেখি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত মাতৃভাষার বাইরে অন্য ভাষা ব্যবহার করায় নিষেধাজ্ঞা আছে। ক্ষেত্রবিশেষে অন্য ভাষা ব্যবহার করতে হলে বিশেষ অনুমতি লাগে।



আমাদের প্রতিবেশী দেশের দিকেই লক্ষ্য করা যাক। কয়েক বছর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার আইন করে রাজ্যের সব বিলবোর্ডে বাংলা লেখা বাধ্যতামূলক করেছে। যদিও আশির দশকে বাংলাদেশ সরকারও এই আইন করেছিলো কিন্তু আমরা তা ধরে রাখতে পারিনি। প্রতিবেশী দেশ নেপালে ২০১২ সালে তাদের সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম বিদেশি ভাষা পরিবর্তন করে স্থানীয় ভাষায় রাখার আদেশ জারি করে। দুই মাসের মধ্যে নাম পরিবর্তন না করলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি বাতিল করে শাস্তি প্রদানের কথা বলা হয়েছে। সরকার সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন করতে চাইলে মন্ত্রণালয় বা মঞ্জুরি কমিশন প্রস্তাব করতে পারে ইংরেজি নাম পরিবর্তন করে বাংলায় নামকরণ করার জন্যে।



 



মুক্তবাজার অর্থনীতি তথা বিশ্ববাজারের দ্রুত সম্প্রসারণের নামে আমরা দেশে উৎপাদিত পণ্যের গায়েও বাংলার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করতে দেখি। 'আমের স্বাদ' না লিখে লেখা হয় 'ম্যাঙ্গো ফ্লেভার'। ইংরেজ, জার্মান, ফরাসিরা তাদের ভাষাকে অন্য ভাষাভাষীর মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোটি কোটি টাকা খরচ করে চলছে। কিন্তু সে তুলনায় প্রবাসে বাংলা ভাষার চর্চার জন্যে সরকারি কোনো সহযোগিতা নেই। আর বিদেশিদের বাংলা ভাষা চর্চার জন্যে উৎসাহ প্রদানে কিংবা বাংলা ভাষার আধিপত্য বা বিস্তৃতির ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আন্তর্জাতিক নীতিমালাও নেই। তবুও ভাষা বয়ে চলা নদীর মতো। বাংলাদেশের মানুষ পৃথিবীর যে প্রান্তেই গিয়েছে মুখে তার নিজের মাতৃভাষাটাকে সঙ্গী করে নিয়েছে। সেখানে সে মাতৃভাষাকে প্রকাশের চেষ্টা করেছে। বর্তমান পৃথিবীতে ২৮ কোটি বা তারও বেশি মানুষের ভাষা বাংলা। এর মধ্যে বাংলাদেশে ১৬ কোটি, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, বিহার ও ওড়িশাসহ আছে ১২ কোটি বাংলা ভাষাভাষী। আর পৃথিবীময় ছড়িয়ে আছে দেড় কোটিরও বেশি মানুষ। এই দেড় কোটি মানুষ প্রবাসে আমাদের বাংলা ভাষার প্রতিনিধিত্ব করে। বাংলা ভাষাকে ছড়িয়ে দেয় বিশ্বময়।



 



বাংলা ভাষা চর্চার ক্ষেত্রে বহির্বিশ্বে স্বাধীনতার আগে ইংল্যান্ড, জাপান, আমেরিকা এবং পরে আশির দশক পর্যন্ত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলো। সেখান থেকে বাংলা ভাষার সেরা সব ক্লাসিক গ্রন্থাবলি প্রকাশিত হতো। ছাপানো হতো শিশু, নারীসহ নানা বিষয়ভিত্তিক আকর্ষণীয় পত্রিকা। এসব প্রকাশনা কাজে বিভিন্ন সময় জড়িত ছিলেন ননী ভৌমিক, হায়াত মামুদ, প্রফুল্ল রায়সহ অনেক খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব।



 



পৃথিবীতে এই বিপুলসংখ্যক বাংলা ভাষা মানুষের সংখ্যা বিবেচনায় রেখেই বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা, রেডিও তেহরানসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো তাদের নিজেদের দেশ থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে যাচ্ছে।



 



(৩)



আমার লেখার প্রথমে প্রবাসে শিশুদের বাংলা শেখানোর জন্যে অভিভাবকদের যে অসচেতনতার কথা উল্লেখ করেছি। কারণ, বিশ্বায়নের যুগে সন্তানের কণ্ঠে মাতৃভাষাকে ধরে রাখতে সবার আগে সতর্ক হতে হবে মা-বাবাকে। তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রবাসে বাংলা ভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সম্মিলিতভাবে অনেক উদ্যোগ নেয় প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং বাংলা ভাষাকেন্দ্রিক বিভিন্ন গণমাধ্যম ও প্রতিষ্ঠান। আমাদের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে দুজন প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্যোগে।



 



১৯৯৮ সালে কানাডা প্রবাসী রফিকুল ইসলাম এবং আবদুস সালাম প্রাথমিক উদ্যোক্তা হিসেবে এইদিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার আবেদন জানিয়েছিলেন তৎকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানের কাছে। এরই ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে এই প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। অমর একুশ এখন গর্বভরে স্মরণ করে বিশ্ববাসী।



 



ইউরোপজুড়ে যেখানে বাংলাদেশি কমিউনিটি আছে সেখানেই প্রবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে বাংলা স্কুল তৈরি করে স্বল্প পরিসরে হলেও নিজেদের সন্তানদের বাংলা শিক্ষা দেয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রচেষ্টার পেছনে মূল কারণ, সন্তানের ভেতর নিজের দেশের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটানো। প্রবাসে বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকা, জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিয়ত বাংলা চর্চার জন্যে বিভিন্ন সুযোগ প্রবাসীরা তৈরি করছে। প্রবাস থেকে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি অনলাইন ও প্রিন্ট সংস্করণে বাংলা ভাষায় পত্রিকা-ম্যাগাজিন বের করছে। বর্তমানে ইউরোপে প্রায় ৭ থেকে ৮টি বাংলা টিভি চ্যানেল বাংলা খবরসহ বিনোদন অনুষ্ঠান প্রচার করছে। ইংল্যান্ডের ইস্ট লন্ডন ও বার্মিংহামসহ পুরো দেশজুড়ে ৪ লক্ষাধিক বাংলা ভাষাভাষী মানুষের বাস। সেখানকার সরকারি স্কুলগুলোতে বাংলা শেখার ও চর্চার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া কমিউনিটির উদ্যোগে ব্যক্তিগত অনুদানের মাধ্যমেও বাংলা স্কুল তৈরি করে শিশুদের জন্যে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। এ রকম প্রায় শখানেক বিদ্যালয় আছে যেখানে বাংলা শেখানো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পূর্ব থেকেই ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের প্রাচ্যবিদ্যা ও ভাষাচর্চা বিভাগের অধীনে বাংলা ভাষার চর্চা ও গবেষণা চলছে। এ কাজে বাংলা ভাষাভাষীদের পাশাপাশি কাজ করছেন টিডবিস্নও ক্লার্ক, জেডি এন্ডারসন, জনবোল্টন, উইলিয়াম রাদিচে, হ্যানা থমসন প্রমুখ।



 



ইংল্যান্ডের পর বাংলা ভাষা চর্চা ও গবেষণার জন্যে অন্যতম হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও এশিয়া গবেষণা কেন্দ্রে বাংলা ভাষা চর্চা হয়। ভাষা চর্চা ছাড়াও গবেষণা হয় বাংলা ভাষার লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ ও লালন ফকিরকে নিয়ে। কানাডায় জোসেফ ও কনেল, ব্যারি মরিসনসহ (ভ্যাংকুভার) বেশ কিছু প্রবাসী ব্যক্তি বাংলায় অধ্যাপনা ও গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাতৃভাষা শেখানোর জন্যে অস্ট্রেলিয়াতে ২০টি স্কুল পরিচালনা করছে বাংলাদেশিরা। গবেষণার ক্ষেত্রে মানিয়ন মাডার্ন, শিবনারায়ণ রায়, আবু সাঈদ আইয়ুব গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এশিয়ার মধ্যে জাপান, কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে বাংলা ভাষার চর্চা আছে। জাপানে ৬০ বছর আগে কাজুয়ো আজুমা রবীন্দ্রনাথকে ভালোবেসে বাংলা চর্চা শুরু করেছিলো। চীনে রেডিও বেইজিং বাংলা সম্প্রচার করে। চীন থেকে প্রকাশিত হয়েছে বেশ কিছু বাংলা অনুবাদকর্মও। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত প্রায় এক কোটি বাঙালি বাংলায় কথা বলে বাংলা ভাষার আধিপত্য ধরে রেখেছে।



 



বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশের যেহেতু অর্থনৈতিক আধিপত্য এখনো তৈরি হয়নি, সেহেতু বিদেশি নাগরিক তো দূরের কথা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতরাও বাংলা ভাষাচর্চায় উৎসাহী হয় না। যদিও ইউরোপ, আমেরিকায় নিয়ম হচ্ছে মাধ্যমিক স্কুল উত্তীর্ণ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় একটি ভাষা শেখার সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু বাংলা ভাষাকে সেই দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চালু করার উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে। প্রবাসে যে এতো বৃহৎসংখ্যক বাংলা ভাষাভাষী ছড়িয়ে আছে সেটা বাইরের পৃথিবীকে বোঝাতে হবে। পৃথিবীতে এমন অনেক প্রধান ভাষা আছে যেসব ভাষায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা এক কোটিরও কম। সেই তুলনায় বাংলা ভাষাভাষীদের মূল ভূখ- বাদ দিয়ে শুধু বহির্বিশ্বেই বাংলায় কথা বলা মানুষের সংখ্যা প্রায় দুই কোটি। নতুন বিশ্বায়নের এই যুগে এই দুই কোটি বাংলা ভাষাভাষীদের হাত ধরেই পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ তার ভাষার ও অর্থনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে পারে। এর জন্যে উদ্যোগ নিতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। উদ্যোগ হিসেবে দরকার বাংলা ভাষার বিস্তারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা প্রণয়ন ও সহযোগিতা। দুই কোটি প্রবাসী আমাদের মাতৃভাষা, সংস্কৃতি ও দেশের অর্থনীতিকে পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিতে উন্মুখ হয়ে আছে।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৫৬০২
পুরোন সংখ্যা