চাঁদপুর, বুধবার ১৩ মে ২০২০, ৩০ বৈশাখ ১৪২৭, ১৯ রমজান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৮-সূরা কালাম


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪৭। উহাদের কি অদৃশ্যের জ্ঞান আছে যে, উহারা তাহা লিখিয়া রাখে।


৪৮। অতএব তুমি ধৈর্য ধারণ কর তোমার প্রতিপালকের নির্দেশের অপেক্ষায়, তুমি মৎস্য-সহচরের ন্যায় অধৈর্য হইও না, সে বিষাদ আচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর প্রার্থনা করিয়াছিল।


 


-ইয়ং


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
লকডাউন ও এক্সিট পলিসি
মাছুম বিল্লাহ
১৩ মে, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


করোনাভাইরাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুনের শুরুতেই দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা এক লাখ ছাড়াবে। করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, 'আমেরিকায় করেনাভাইরাসের হামলা পার্ল হারবার বা ৯/১১-এর চেয়েও ভয়ানক।' করোনাভাইরাসের মতো এমন ভয়ানক হামলা আর কখনোই আমেরিকায় সংঘটিত হয়নি। এ ধরনের ঘটনা কখনোই সংঘটিত হওয়ার কথা ছিল না। তবুও লকডাউন ওঠানোর সিদ্ধান্তে অনড় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে তার সরকার। মৃত্যু-আক্রান্ত উভয় তালিকায়ই দেশটির অবস্থান শীর্ষে। মৃত্যুর সংখ্যা এরই মধ্যে ৮০ হাজার ছাড়িয়েছে, যা বিশ্বের মোট মৃত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। আর আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১৩ লাখ। বিশ্বের মোট আক্রান্তেরও এক তৃতীয়াংশ যুক্তরাষ্ট্রের। এসব কোনো পরিসংখ্যানের দিকেই তাকাচ্ছেন না ট্রাম্প। তার সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা হচ্ছে অর্থনীতির চাকা সচল করা। সে কারণেই লকডাউন ওঠাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি। মৃত্যুসংখ্যা আরও বাড়বে জেনেও বিধিনিষেধ ওঠানোর পক্ষেই তার মত।



 



লকডাউন ওঠানো, সামাজিক দূরত্বের ওপর বিধিনিষেধ তুলে নেয়া ইত্যাদির কারণে করোনায় মৃত্যু বেড়ে যেত পারে কিনা_এবিসি নিউজের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, 'কিছুটা বেড়ে যাাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই বলে আপনি একটি অ্যাপার্টমেন্টে, বাড়ি বা অন্য কোথাও বন্দি হয়ে থাকতে পারবেন না। তাতে কি কিছু মানুষ খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে? হ্যাঁ, কিন্তু আমাদের দেশকে খুলে দিতে হবেই।' এই লকডাউন তুলে দেয়ার সাথে রাজনীতির একটি বড় সম্পর্ক রয়েছে। এ বছর নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প নিজেকে পুননির্বাচিত দেখতে চান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। প্রথম দিকে তিনি বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দেননি বলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।



 



ভাইরাসটির জিনগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আমেরিকার বেশিরভাগ স্ট্রেনই ইউরোপ থেকে এসেছে, চীন থেকে নয়। তারপরও তিনি চীনকেই দায়ী করে চলেছেন। তিনি বলেছেন, যেখান থেকে এটি উৎপত্তি হয়েছে সেখানেই এটিকে ধ্বংস করা যেত। অনলাইনে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণাপত্রে নিউ মেঙ্েিকার 'লস অ্যালামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির' গবেষকরা বলেছেন যে, বিশ্বজুড়ে ছয় হাজার পৃথক সার্স কোভ-২ জেনেটিক সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করার পর তারা একটি শক্তিশালী কারণ খুঁজে পেয়েছেন। যেটা এই ভাইরাসটির ইউরোপ আমেরিকায় শক্তিশালী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে।



 



তবে, দেশটির অর্থনৈতিক সক্ষমতার কথা আমাদের চেয়ে পুরোপুরি আলাদা। সেখানে যাদের উপার্জন বছরে ৬০ হাজার ডলারের কম এবং যারা কর দেন লকডাউনের শুরুতে তাদের হিসাবে পূর্ণ বয়স্কদের মাসে ১২০০ ডলার আর অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ৫০০ ডলার পাঠানো হচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওযা পর্যন্ত তারা এই টাকা পেতে থাকবেন। আর আমাদের গার্মেন্টস্ শ্রমিকদের জীবনকে বাজি রেখে মাছের ড্রামে আর সবজির ট্রাকে রাতের অাঁধারে কেন ঢাকা আসতে হয় তা সহজেই অনুমেয়। এটি বোঝার জন্য বড় অর্থনীতিবিদ হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে নিয়োজিত শতকরা ৮৬ ভাগ শ্রমিক যাদের অবস্থা 'নুন আনতে পান্তা ফুরায়', তাদের পাশে দাঁড়াবার কেউ নেই। যারা মাস গেলে বেতন পান কিংবা দুর্নীতির পাহাড় গড়ে চৌদ্দ পুরুষ বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করে রেখেছে রাষ্ট্রীয় দুর্বলতা ও অনিয়মের সুযোগে এসব অসহায় মানুষদের দেখে বিরক্ত হলে, রাগ দেখালে আর নাক ছিঁটকালে তো তাদের জীবন বাঁচবে না। বাস্তব বুঝতে হবে।



 



খেটে খাওযা মানুষ ছাড়াও লক্ষ লক্ষ মানুষকে কাজ করতে হয় সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক বেতনের ভিত্তিতে। তাই এই অনিশ্চিত বন্ধে সেগুলো সচল করার কথা সামনে চলে আসবেই। এর পক্ষে বহু লোক থাকবেই। টিভির পর্দায় দেখলাম বহু শ্রমিক বলছেন, 'করোনায় মারার আগে তাদের অনহারেই মারা যেতে হবে।' এটিওতো পাশ কাটানোর কোনো সুযোগ নেই। করোনা মোকাবিলায় একটা শক্ত লকডাউন নিশ্চিত করা এমনকি কারফিউ জারির কথাও অনেকে বলেছেন। কিন্তু তার সঙ্গে যে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব চেপে যায় সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের খাবার এবং আরও জীবনধারণের জরুরি কিছু জোগান দিতে সেটি বোধহয় আমরা খেয়াল করিনি। পেট ঠা-া রাখার মতো খাবার দিতে না পারলে মানুষকে ঘরে আটকে রাখা যায় না। রাষ্ট্র তাদের ত্রাণ দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এ পর্যন্ত যা দেয়া হয়েছে তাতে মাথাপিছু ২.৫ কেজি চাল, টাকা ২১ এবং পরিবার পিছু শিশুখাদ্যের জন্য পৌনে ৪ টাকা ভাগে পড়েছে। এটি তো এক ধরনের প্রতীকী সহায়তা।



 



সরকারের একটা সক্ষমতার ব্যাপার আছে। তারপর আছে ত্রাণ চুরি ও মেরে দেয়ার ঘটনা। টনকে টন চাল চুরি করা হয়েছে। ত্রাণ দেয়ার যে ব্যবস্থা সেখানে তো রয়েছে বিরাট ঘাপলা। দেশে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান বলেছেন, পাকিস্তান আমলে যেখানে দুই অর্থনীতি ছিল এখন সেখানে হয়েছে দুই সমাজ। সেটি হয়তো সুবিধাবঞ্চিত আর রাষ্ট্রীয় সম্পদের মালিক- এই দুই শ্রেণির কথা তিনি বুঝিয়েছেন। দেশে প্রকৃত গরিব কারা তাদের একটি হিসাব, ডাটাবেজ তো থাকতে হয় তাতো নেই। ফলে স্থানীয় টাউট বাটপাররা ঠিক করে কে ত্রাণ পাবে কে পাবে না। প্রশাসন তো এ নিয়ে বিপাকে পড়ে। আমার পরিচিত বহু অসহায় মানুষ ফোন করে বলেছেন, তারা কিছুই পাননি, করুণ অবস্থা।



 



সিপিডি সুপারিশ করেছিল যে, দেশের এক কোটি সত্তর লাখ থেকে এক কোটি ৯০ লাখ পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সপ্তাহে দুই হাজার করে মাসে আট হাজার করে টাকা দিতে। তাতে প্রয়োজন হতো ২৬ হাজার ৯৬২ থেকে ২৯ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। সেই টাকার সংস্থান কি আমাদের আছে? সঠিক অর্থনৈতিক অবস্থা থাকলে হয়তো হতো কিন্তু আমরা তো জানি যে, হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অনেকের ঘরে ঘরে ব্যাংক। কাজেই এসব মানুষের কাছে কে পেঁৗছে দেবে অর্থ আর খাবার?



 



পাঁচ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এক ধরনের আংশিক লকডাউন থাকার কারণে আমাদের জিডিপি প্রতিদিন প্রায় ৩৩০০ কোটি টাকার ধাক্কা খাচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রায় এক কোটি প্রান্তিক পরিবার তাদের দৈনিক আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে যার ওপর তারা নির্ভরশীল। তাই, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা নীতিনির্ধারকদের কাছ থেকে কারখানা খোলার অনুমতি নিতে সক্ষম হয়েছেন। সরকার জীবন ও জীবিকার তুলনামূলক পরিমাপের কঠিন পরিস্থিতিতে সীমিতভাবে অর্থনৈতিক কর্মকা- পুনরায় চালু করার দুরূহ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। ১৪টি নির্দেশনার কথা জানিয়ে শপিংমলগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ক্রেতাদের সঙ্গে পরিচয়পত্র রাখা, নিজ এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে বাজার করা। অন্য এলাকায় যাওয়া যাবে না আর ফুটপাতে দোকান ফেরিওয়ালাদের বসতে দেয়া হবে না।



 



কর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাসহ অন্যান্য কারণে দেশে প্রত্যক্ষ কর আদায় করা যায় না বলে সরকার ভ্যাটের মাধ্যমে কর আদায় করে যার প্রভাব পড়ে গরিব ও সাধারণ মানুষের ওপর। উচ্চবিত্তের এটি কোনোভাবেই গায়ে লাগে না। আর ঈদের পূর্বে বেশ বিকিকিনি হয় বলে সরকার এই সময়ে বেশকিছু অর্থ আদায় করতে পারবে। ঈদের আগে দোকানপাট, শপিংমল খুলে দেয়ার এটি একটি অন্যতম কারণ বলে অনেকে মনে করেন। কাজেই শপিংমল আর দোকান খুলে দেয়া কতটা সঠিক হয়েছে না বেঠিক হয়েছে সেই প্রশ্নের উত্তর আমাদের বুঝে নিতে হবে।



 



কেউ কেউ দক্ষিণ কোরিয়ার উদাহরণ টেনেছেন কিন্তু সেখানে প্রতি ১০ লাখ মানুষের ১২ হাজার ১৫৩টি টেস্ট করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের ২৯ গুণ। তবে সুইডেন উন্নত দেশ হয়েও বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এখানে কোনো গ্রামার নেই। আমরা দেখলাম দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনার মধ্যে জাতীয় নির্বাচনও অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে। ক্ষমতাসীন দল বিজয়ী হয়েছে যা বিরোধীদল মেনে নিয়ে তাদের অভিবাদনও জানিয়েছে। করোনাা মোকাবিলার সাফল্যকে জনগণ সরকারি দলের বিজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন।



 



যুক্তরাজ্যে যদিও নতুন রোগাক্রান্ত বা মৃতের সংখ্যা কমছে, তবুও তারা প্রচুর সাবধানতা অবলম্বনপূর্বক লকডাউন বজায় রেখেছে। সিঙ্গাপুরের মতো দেশে দেখা যায় প্রথমে তারা ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে লকডাউনে যায়নি, কিন্তু মার্চের চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের হার প্রায় ৫০ গুণ বেড়ে যাওয়ায় এখন তারা দেরিতে হলেও কঠোর লকডাউনে চলে গেছে। ভারত ২০ এপ্রিল থেকে একটা পরিকল্পনা করেছিল জীবিকা নির্বাহের জন্যে কিছু প্রয়োজনীয় খাত যেমন কৃষি, ওষুধ শিল্প, প্যাকেজিং, রফতানি, ই-কমার্স, কনস্ট্রাকশন ইত্যাদি খুলে দেয়ার কিন্তু প্রয়োজনের কারণে লকডাউন আরও দুই সপ্তাহ বাড়িয়ে দিয়েছে। ভারতে একেক রাজ্যে একেক চিত্র। তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে কেরালা। আমরা জানি ভারতে শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি কেরালায়। সেখানকার প্রশাসন এবং জনগণ যথেষ্ট স্বাস্থ্য সচেতনতা আর সুনাগরিকত্বের পরিচয় দিয়েছেন বলে বিপরীত চিত্র এখানকার।



 



আমাদের মনে রাখতে হবে এক দেশ থেকে আরেক দেশের করোনা সংক্রমণের চিত্র, ধরন, প্রভাব, সমস্যা ও অর্থনৈতিক অবস্থা ভিন্ন। হয়তো কিছু সাদৃশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে রয়েছে। ওইসব এলাকার জনসাধারণ ও সরকারের প্রতিক্রিয়া, লাকডাউন ও এঙ্টি প্রক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন হতে বাধ্য। ইউরোপের যেসব দেশে সংক্রমণের হার কমেছে এবং নতুন আক্রান্তের সংখ্যাও কমে গেছে সেসব দেশের সরকার সীমিত পরিসরে ব্যবসা খুলে দেয়া ও কিছু ক্ষেত্রে জনজীবন স্বাভাবিকীকরণের দিকে যাচ্ছে। যেমন ইতালী, জার্মানি ও স্পেনের কথা বলা যায়।



 



হার্ড ইমিউনিটি নিয়ে বেশ কথা হচ্ছে। বহু গবেষক জানিয়েছিলেন যে, হার্ড ইমিউনিটির পথ বেশ ভয়ংকর। হার্ড ইমিউনিটি গড়ে তুলতে মোট জনস্যংখ্যার ৬০-৭০ শতাংশ মানুষকে করোনা আক্রান্ত হতে হবে। এই পদ্ধতিতে মানুষকে সংক্রমণের মুখোমুখি হতে হবে, তাদের দেহ ভাইরাসের সাথে লড়াই করে শক্তি অর্জন করবে। একসময় ভাইরাসকে দুর্বল করে মেরে ফেলতে পারবে। আর তাই কেউ কেউ বলছেন, ঘরে আটকে না থেকে বের হতে হবে এবং ভাইরাসের মুখোমুখি হতে হবে। উন্নত কিছু দেশ তা করেছেও কিন্তু আমাদের দেশকে তো তাদের সাথে তুলনা করলে হবে না। জনসংখ্যার ঘনত্বের দিকে দিয়ে বিশ্বের যেসব দেশ পিরামিডের ওপরে অবস্থান করছে আমরাও সেই কাতারে।



 



তবে এটি ঠিক যে, উন্নত কিংবা উন্নয়নশীল যে কোনো ধরনের দেশই হোক না কেনো, অজানা সময় পর্যন্ত লকডাউনে থাকতে পারে না। তাহলে সবই অচল হয়ে যায়। আবার কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন আবিষ্কৃত ও সহজলভ্য না হওয়া পর্যন্ত আগের অবস্থায়ও ফিরে যাওয়া যাবে না।



 



তাই এঙ্টি পলিসি অর্থাৎ লকডাউন তুলে দেয়া হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, তথ্যনির্ভর, সুনির্দিষ্ট কাঠামোভিত্তিক, পর্যায়ক্রমিক এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়ে। যতোটা সম্ভব ধীরে ধীরে স্বাভাবিকীরণের দিকে আগাতে হবে ব্যক্তিগত সুরক্ষার দিকে নজর রেখে।



লেখক : শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৪৫৩১৩
পুরোন সংখ্যা