চাঁদপুর, বুধবার ৮ জানুয়ারি ২০২০, ২৪ পৌষ ১৪২৬, ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছেলেটির করোনা ভাইরাস নেগেটিভ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী নয়। তথ্য সূত্র: আরএমও ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল। || বৈদ্যনাথ সাহা ওরফে সনু সাহা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় নি : সিভিল সার্জন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬০-সূরা মুমতাহিনা


১৩ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১১। তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যদি কেহ হাতছাড়া হইয়া কাফিরদের নিকট রহিয়া যায় এবং তোমাদের যদি সুযোগ আসে তখন যাহাদের স্ত্রীগণ হাতছাড়া হইয়া গিয়াছে তাহাদিগকে, তাহারা যাহা ব্যয় করিয়াছে তাহার সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করিবে, ভয় কর আল্লাহ্কে, যাঁহাতে তোমরা বিশ্বাসী।


 


বুদ্ধিজীবীরাই দেশের সম্পদ, তারাই দেশের সম্পদ তুলে ধরে।


-লংফেলো।


 


 


 


বিদ্যালাভ করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্যে অবশ্য কর্তব্য।


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রতিভাকে কাজে লাগাও
জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
০৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


লেখালেখি করি অনেকদিন। লেখালেখি আমার নেশা। এ নেশা সহজে ছাড়া যায় না। আমিও ছাড়তে পারিনি। অবশ্য ছাড়ার চেষ্টাও তেমন করিনি। জীবনে অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে। সময়ের ব্যবধানে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে। কিন্তু লেখালেখিটা রয়ে গেছে। অনেক ব্যস্ততায় ভরা জীবন। তবু অবসর পেলেই দুই কলম লিখতে বসি। লেখা ভালো হল নাকি খারাপ হল ভাবি না এসব। লিখতে ভালো লাগে বলে লিখি। আমার কিছু পাঠকও হয়েছে এতদিনে। তারা দূরদূরান্ত থেকে আমার লেখা পড়েন। মতামত জানান। লেখা চালিয়ে যেতে প্রেরণা দেন।



 



প্রতিদিনই লিখতে ইচ্ছে করে। লিখতে না পারলে হাত নিশপিশ করে। কিন্তু প্রবাসে বলে ইচ্ছে থাকলেও লিখতে পারি না। কর্মস্থল শেষে বাসায় ফিরি ক্লান্ত হয়ে। তখন লেখার শক্তি থাকে না। অবসর সময় খুব কম। অবসর মিললেই লিখতে বসে যাই। আগে কাগজে লিখতাম। এখন মোবাইলে লিখি, কাগজেও লিখি। একটা লেখা তিন-চারদিনে লিখে শেষ করি। অনেকসময় লিখে আবার পড়ার সময় পাই না। লেখা শেষ হলে পত্রিকায় পাঠাই। ভালো লাগে লেখাটা প্রকাশিত হলে। আমি দেশে না থাকলে কী হবে আমার লেখা পাঠকের কাছে যাচ্ছে। এটা ভেবে খুশি হই।



 



বেশিরভাগ সময় কবিতা লিখি। বাংলাদেশের জন্য মন হুহু করে কাঁদে। পরিবার-স্বজনদের মনে পড়ে। তাই কবিতায় তাদের কথা লিখি। কষ্টটা প্রকাশ করি কবিতায়। আবার সমাজ সচেতনতামূলক লেখাও লিখি। যখন যেমন মন চায়। বই পড়ি মাঝে মাঝে। সৌদিআরবে বাংলা বই পাওয়া যায় না তেমন। দেশ থেকে নিলে পাই। নতুবা আর পাওয়া যায় না। তাই মোবাইলই ভরসা। কিছু অ্যাপস আছে নামিয়ে সেখানে বই পড়ি। আবার পিডিএফ ডাউনলোড করেও পড়ি। যদিও একটানা কোনো বই আমি শেষ করতে পারি না। দেশে এলে আমি প্রিয় লেখকদের সাথে দেখা করার চেষ্টা করি। তাদেরকে আমার বই দিই। তাদের পরামর্শ শুনি। আমার ভালো লাগে।



লিখি বলে অনেকে অনেক কথা বলে। কেউ অবজ্ঞা করে বলে, আর কাজ পায় না, লেখালেখি করে। কষ্ট পাই এসব শুনে। কিন্তু বলি না কিছু। অধিকাংশ মানুষই সম্মান জানায়। লেখালেখি করি বলে শ্রদ্ধা করে। কজনই বা লেখক হতে পারে! যতদিন বেঁচে আছি লেখালেখি করে যাব। আমি চলে গেলেও আমার লেখা বই সবাইকে আমার কথা স্মরণ করিয়ে দিবে।



 



নতুন যারা লিখতে চাও তারা কারো কথায় হতাশ হও না। লেখালেখি করার ক্ষমতা আল্লাহ সবাইকে দেয় না। তাই প্রতিভাকে ঠিক মতো কাজে লাগাতে হবে। তোমরাই একদিন হবে রবীন্দ্র-নজরুলের মত বড় সাহিত্যিক। সেদিনের প্রত্যাশায় রইলাম।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৮২৪
পুরোন সংখ্যা