চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ৩ অক্টোবর ২০১৯, ১৮ আশ্বনি ১৪২৬, ৩ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি 'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু', মক্কী


 


 


 


 


মহৎ কারণে যার মৃত্যু ঘটে সে অপরাজেয়। -বার্জিল।


 


 


সদর দরজা দিয়ে যে বেহেশ্তে যেতে চায়, সে তার পিতামাতাকে সন্তুষ্ট করুক।


 


 


ফটো গ্যালারি
আমাদের প্রিয় চাঁদপুর
এইচএম জাকির
০৩ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর ১৭০৪.০৬ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট একটি জেলা। এই জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে ৮টি নদী। সামান্য স্থলভাগে বেষ্টিত চাঁদপুরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে রয়েছে বেশ গর্ব। বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন, প্রজনন ও বিপণন এখানেই। তাই চাঁদপুর দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এর নাম 'ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর'। মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সেক্টরে বিভক্ত বাংলাদেশের ২ জন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন চাঁদপুরেরই কৃতী সন্তান। একই সেশনে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি) মন্ত্রণালয়ও পরিচালনা করেছেন চাঁদপুরের রত্নগর্ভা সন্তানরা। বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনিও মেঘনা পাড়েরই সন্তান। দেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান সেনাপ্রধান ও পুলিশপ্রধানের বাড়িও এই চাঁদপুরে।



 



সরকারি ও বেসরকারি উচ্চপদ, ব্যবসা, শিক্ষা, রাজনীতি, মিডিয়া, সংস্কৃতি ও সাহিত্য ব্যক্তিত্বসহ হাজার হাজার উদাহরণে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের চাঁদপুরকে দেশবাসী তথা বিশ্বের বুকে প্রতি বছরের এই সময়টা (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মনে করিয়ে দেয় চাঁদপুরের রূপালি ইলিশ। এ সময়কেই বলা হয় ইলিশের ভরা মৌসুম। প্রতিদিনই এখানে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ক্রেতা ভিড় জমায় চাঁদপুরের আসল ইলিশের স্বাদ ও ঘ্রাণ নিতে। এই মৌসুমেই সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যার রূপালি ইলিশ। বর্তমানে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১১/১২শ' টাকা, ৩০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ৪/৬শ' টাকা এবং ৭০০-৯০০ গ্রামের ইলিশ ৮/৯শ' টাকায় পাওয়া যায়। যা অন্য মৌসুমে দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দাম থাকে।



 



উল্লেখ, চাঁদপুরে স্থানীয় ইলিশ মুখরোচক ও অত্যন্ত সুস্বাদু বলে এর দাম সাগরের ইলিশের চেয়ে একটু বেশিই। দাম বেশি পাওয়ার আশায় এখানে সাগর থেকে আহরণকৃত ইলিশও সাম্পান ট্রলার ভরে চলে আসে ভালো দাম পাওয়ার আশায়। যদিও স্থানীয় ইলিশের চেয়ে কিছু কম দামে বিক্রি হয় সাগরের ইলিশ। ক্রেতারা চাঁদপুরের ইলিশ চিনে কিনতে পারলেই আসল ইলিশের তৃপ্তি জুটবে খাবারে। প্রতিদিন হাজার হাজার মণ চাঁদপুরের ইলিশ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশ-বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে।



আসল ইলিশের স্বাদ ও ঘ্রাণ নিতে আগ্রহীরা এখনই ঘুরে যেতে পারেন চাঁদপুরে। কেনার আগে টাটকা ইলিশ ভেজে মুড়ি বা ভাত দিয়ে খেয়ে স্বাদও নিতে পারবেন। ইলিশ আড়তের পাশেই রয়েছে এর সুব্যবস্থা।



ব্রিটিশ আমল থেকেই চাঁদপুর 'বাণিজ্যিক জোন' হিসেবে পরিচিত। তাই এ জেলার যোগাযোগব্যবস্থাও খুব ভালো। আরামদায়ক লঞ্চ ভ্রমণসহ রয়েছে বাস ও ট্রেনের যোগাযোগব্যবস্থা। ঢাকা থেকে বাস ও লঞ্চে দিনে দিনেই আসা-যাওয়া করা যায় চাঁদপুরে।



 



যোগাযোগ ব্যবস্থা :



লঞ্চযোগে : ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ লঞ্চে আসতে পারেন চাঁদপুরে।



 



ট্রেনযোগে : পার্বত্য অঞ্চল থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কুমিল্লা, চাঁদপুরে আাসা যায়।



 



বাসযোগে : উত্তরবঙ্গ, পূর্ববঙ্গ, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকা হয়ে এবং যে কোনো প্রান্ত থেকেই বাসযোগে চাঁদপুর আসা যায়।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২১০৩৫৪
পুরোন সংখ্যা