চাঁদপুর, বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬৬। উভয় উদ্যানে আছে উচ্ছলিত দুই প্রস্রবণ।


৬৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৬৮। সেথায় রহিয়াছে ফলমূল -খর্জুর ও আনার।


 


 


 


বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
সাক্ষরতাই জাতির মুক্তি
রহিমা আক্তার মৌ
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মানুষ সামাজিক জীব, মানবজীবনের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে শান্তি ও শৃঙ্খলা। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে দিনে দিনে শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ শান্তিপূর্ণ পারিবারিক জীবনব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। আর এই কারণেই পারিবারিক মূল্যবোধসমূহ হারিয়ে যেতে বসেছে। মানুষের জ্ঞান, বিবেক-বুদ্ধি, দক্ষতা ও সৃজনশীলতার বিকাশই হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষা কল্যাণকর, কল্যাণমুখী সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যে খুবই জরুরি। তবে তা হতে হবে সুশিক্ষা, এবং মানসম্মত শিক্ষা। শুধুমাত্র সুশিক্ষা আর মানসম্মত শিক্ষাই হতে পারে জাতি গঠন ও সমাজ পরিবর্তন করতে। একটি জাতিকে শ্রেষ্ঠত্বের সর্বোচ্চ আসনে প্রতিষ্ঠিত করতে শিক্ষার যেমন কোনো বিকল্প নেই। তেমনি শিক্ষা সকলের মৌলিক অধিকার হিসেবেও বাস্তবায়িত করতে হবে। এ অধিকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর ও সদাসচেষ্ট। দিনে দিনে শিক্ষা, সংস্কৃতিসহ শান্তিপূর্ণ পারিবারিক জীবনব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার কারণ হিসেবে অনেক যুক্তিও দিয়ে আসছে বিশিষ্টজনেরা।



 



ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের মধ্যে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি নিরক্ষর মানুষকে অক্ষরজ্ঞান দেয়ার লক্ষ্যে প্রতি বছর ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করার ঘোষণা দেয় ইউনেস্কো। সাধারণ অর্থে সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষর জ্ঞানসম্পন্নতাকেই বোঝায়। কিন্তু দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এর পরিধি। এখন শুধু স্বাক্ষরজ্ঞান থাকলেই সাক্ষরতা বলা চলে না। এই সংজ্ঞাটি অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ছিলো।



 



বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিসরে সাক্ষরতা শব্দের প্রথম উল্লেখ দেখা যায় ১৯০১ সালে লোক গণনার অফিসিয়াল ডকুমেন্টে। শুরুতে স্বঅক্ষরের সঙ্গে অর্থাৎ নিজের নাম লিখতে যে কয়টি বর্ণমালা প্রয়োজন তা জানলেই তাকে স্বাক্ষর বলা হতো। ১৯৪০-এর দিকে পড়ালেখার দক্ষতাকে সাক্ষরতা বলে অভিহিত করা হতো। ষাটের দশকে পড়া ও লেখার দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে সহজ হিসাব-নিকাশের যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষই স্বাক্ষর মানুষ হিসেবে পরিগণিত হতো। আশির দশকে লেখাপড়া ও হিসাব-নিকাশের পাশাপাশি সচেতনতা ও দৃশ্যমান বস্তুসামগ্রী পঠনের ক্ষমতা সাক্ষরতার দক্ষতা হিসেবে স্বীকৃত হয়।



 



বর্তমানে এ সাক্ষরতার সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা, ক্ষমতায়নের দক্ষতা, জীবন নির্বাহী দক্ষতা, প্রতিরক্ষায় দক্ষতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতাও সংযোজিত হয়েছে। জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো দিবসটি যথাযথভাবে পালন করে আসছে। ইউনেস্কো বলছে, সাক্ষরতাই টেকসই সমাজ গঠনের মূল চালিকাশক্তি। টেকসই সমাজ গঠনের জন্যে যে জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন তা সাক্ষরতার মাধ্যমেই অর্জিত হয়। ১৯৬৭ সালে ইউনেস্কো প্রথম সাক্ষরতার সংজ্ঞা চিহ্নিত করে এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি দশকেই এই সংজ্ঞার রূপ পাল্টেছে। তখনকার সময় কেউ নাম লিখতে পারলেই তাকে সাক্ষর বলা হতো, কিন্তু বর্তমানে সাক্ষর হিসেবে চিহ্নিত করার জন্যে অন্তত তিনটি শর্ত মানতে হয়।



সেগুলো হলো : ব্যক্তি নিজ ভাষায় সহজ ও ছোট বাক্য পড়তে পারবে, সহজ ও ছোট বাক্য লিখতে পারবে এবং দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ হিসাবনিকাশ করতে পারবে।



এই প্রত্যেকটি কাজই হবে ব্যক্তির প্রাত্যহিক জীবনের সাথে সম্পর্কিত। সারাবিশ্বে বর্তমানে এই সংজ্ঞাকে ভিত্তি করে সাক্ষরতার হিসাব-নিকাশ করা হয়। ১৯৯৩ সালে ইউনেস্কো এই সংজ্ঞাটি নির্ধারণ করে; তবে বর্তমানে এটিও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক ফোরাম বা কনফারেন্স থেকে সাক্ষরতার সংজ্ঞা নতুনভাবে নির্ধারণের কথা বলা হচ্ছে যেখানে সাক্ষরতা সরাসরি ব্যক্তির জীবনযাত্রা পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হবে।



 



ইউনেস্কোর ২০০৬ সালের হিসেবে বাংলাদেশে লেখাপড়া ও গুণতে জানা এবং সামাজিকভাবে সচেতন মানুষের সংখ্যা মোট জনগোষ্ঠীর মাত্র ৪২.৬ শতাংশ। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি মানুষের কোনো অক্ষরজ্ঞানই নেই। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার এ বাস্তবচিত্র সামনে রেখেই আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা। দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে শোভাযাত্রা, আলোচনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ অপরিহার্য। একবিংশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার দেশের নিরক্ষর জনগোষ্ঠীকে সাক্ষর ও জীবন দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা চালিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে ঝরেপড়ার হার ও বৈষম্য হ্রাস পাচ্ছে।



 



এশিয়ার অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের মতো উন্নত দেশেও রয়েছে অশিক্ষিত বিপুল জনগোষ্ঠী? ইউরোপের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তি জার্মানির ৪০ লাখ মানুষ কার্যত অশিক্ষিত। জনস্বস্থ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে শিক্ষাকে। ইউনেস্কোর মহাপরিচালক কইচিরো মাতসুরার মতে, "স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে শিক্ষার যে শক্তিশালী ভূমিকা রয়েছে তার উপর এখনও ঠিকমতো গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না। অথচ অপুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধ এবং সঠিক চিকিৎসার জন্যে শিক্ষার বিকল্প নেই।"



 



বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে অতীতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের মধ্যেই। ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসের প্রাক্কালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী, সচিব ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক স্বাক্ষরতার হার নিয়ে তিন ধরনের তথ্য দিয়েছিলেন। মন্ত্রী বলেছিলেন, বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার ৫৮ শতাংশ। যা "শিশু জরিপের তথ্যানুযায়ী এ পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে"। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, দেশে স্বাক্ষরতার হার ৫৩ শতাংশ। অন্যদিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেছিলেন, দেশে সাক্ষরতার হার ৫৪ শতাংশ।



বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৬২.৬৬ ভাগ। এ হিসাব বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত। কিন্তু উইকিপিডিয়া এবং ইউনেস্কোর তথ্য মতে, বাংলাদেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার ৪৭.৫০ ভাগ। সাক্ষরতার হারের দিক থেকে প্রথমে রয়েছে জর্জিয়া। তাদের সাক্ষরতার হার ১০০ ভাগ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যৌথভাবে কিউবা, ইস্টোনিয়া এবং পোল্যান্ড। এদের সাক্ষরতার হার ৯৯.৮০ ভাগ। ৯৯.৭০ ভাগ সাক্ষরতা নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বারবাডোস।



 



সাক্ষরতা একটি দেশের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার সঙ্গে সাক্ষরতার আর সাক্ষরতার সঙ্গে উন্নয়নের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে দেশের সাক্ষরতার হার যতো বেশি সে দেশ ততো উন্নত। স্বাক্ষর জাতি সচেতন জাতি। শিক্ষা সাধারণত তিনটি উপায়ে অর্জিত হয়। আনুষ্ঠানিক, উপানুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক। যারা আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত বা যারা আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পায়নি তাদের স্বাক্ষরতার জন্যে উপানুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা দেয়া হয়। বাংলাদেশে সরকারি প্রচেষ্টার বাইরে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা সাক্ষরতা বৃদ্ধির জন্যে কাজ করে যাচ্ছে।



 



বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর হার। সেই সঙ্গে বাড়ছে দারিদ্র্য ও অসুস্থতা। অনুন্নত ও উন্নয়নশীল এবং অধিকাংশ জনবহুল দেশেই শিক্ষার হার হতাশাজনক। একুশ শতকের এই সময়েও বিশ্বের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর প্রায় ৭৮ কোটিই লিখতে ও পড়তে জানে না। অর্থাৎ বয়স্কদের প্রতি ৫ জনের একজন নিরক্ষর। আর এই জনগোষ্ঠীর ৬৪ শতাংশই নারী। শিশুদের ক্ষেত্রেও চিত্রটা উদ্বেগজনক। জাতিসংঘ ঘোষিত সবার জন্যে শিক্ষা শ্লোগানের পরও বিশ্বের সাড়ে ৭ কোটিরও বেশি শিশুই জানে না কি করে লিখতে পড়তে হয়। আর বিশ্বের মোট অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর তিন-চতুর্থাংশই বাস করছে জনবহুল ১৫টি দেশে।



সাক্ষরতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবীয় অধিকার হিসেবে বিশ্বে গৃহীত হয়ে আসছে। এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ও মানবীয় উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এমনকি শিক্ষার সুযোগের বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে সাক্ষরতার ওপর। সাক্ষরতা মৌলিক শিক্ষার ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে। দারিদ্র্য হ্রাস, শিশুমৃত্যু রোধ, সুষম উন্নয়ন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধি বিকশিত করণের ক্ষেত্রেও সাক্ষরতা প্রয়োজনীয় হাতিয়ার হিসেবে গণ্য হয়। 'সবার জন্যে শিক্ষা' এ সস্নোগান বাস্তবায়ন করতে সাক্ষরতাকে ভিত্তি হিসেবে মনে করার পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। একটি মানসম্মত মৌলিক শিক্ষা মানুষকে সাক্ষরতা ও দক্ষতার সঙ্গে তৈরি করতে সহায়তা করে।



সাক্ষরতার বহুবিধ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। শুধু সাক্ষরতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুক্তিই নয়; বরং সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানসিক মুক্তি আনয়নের মাধ্যমে প্রাত্যহিক জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এর লক্ষ্য। কেননা সাক্ষরতা শান্তি স্থাপনে অবদান রাখে এবং মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা অর্জনে সহায়তা করে। শুধু তা-ই নয়, বিশ্ব সম্পর্কে ভালো ধারণা অর্জনেও সাক্ষরতা কাজ করে। যিনি লিখতে ও পড়তে পারবেন, একমাত্র তিনিই জানবেন দেশ ও দেশের বাইরে কোথায় কী ঘটছে। এটি এমন একটি মাধ্যম, যা পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত নিরসন এবং প্রতিরোধেও সহায়তা করে। সাক্ষরতার সঙ্গে শান্তির সম্পর্ক বা যোগাযোগ এতোটাই বেশি যে অস্থিতিশীল, অগণতন্ত্রকামী এবং সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে সাক্ষরতার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত করা কিংবা বজায় রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।



 



প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে, এতে করে জনগণের মাঝে সচেতনতা বাড়ছে। সবার আত্মপ্রচেষ্টায় দেশ নিরক্ষরমুক্ত হবে-এটাই প্রত্যাশা। শিক্ষার হার বৃদ্ধির সাথে শিক্ষার মান বাড়বে। যা সমাজে সুশিক্ষা হিসাবে দ-ায়মান থেকে দেশ সমাজ ও পরিবারের সহায় হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২২৫৫২
পুরোন সংখ্যা