চাঁদপুর, শনিবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৯ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরাম চৌধুরী ভোর ৪টায় ঢাকায় কিডনী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহে --------রাজেউন)। || বাদ আসর চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। || চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরাম চৌধুরী ভোর ৪টায় ঢাকায় কিডনী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন ( ইন্নালিল্লাহে --------রাজেউন)।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০১। আকাশমলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তাঁহার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে; তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।


 


অতিরিক্ত উচ্চাশা যেখানে, অশান্তিও সেখানে। -রূপট ব্রুক।


 


 


পবিত্র হওয়াই ধর্মের অর্থ।


 


 


ফটো গ্যালারি
কবিতায় গণজাগরণ
আজিজ লিপন
০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গণজাগরণ বলতে আমরা সাধারণত বুঝে থাকি একটি জনগোষ্ঠী বা কতিপয় জনসাধারণ কিছু অসহনীয় নিয়মনীতি বা সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে যখন চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। অর্থাৎ অত্যাচার-অবিচারের ভারে নূ্যব্জ জনতা যখন মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করে, সংগ্রাম করে ক্ষেত্রবিশেষ রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ে। তখন তাকে আমরা গণজাগরণ বলে আখ্যায়িত করে থাকি। এ জাগরণ কেবল ঐক্যবদ্ধ কোনো সিদ্ধান্তের ফসল নয়। বরং যুগ যুগ ধরে নিষ্পেষিত জনতার আকুতি মেশানো অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ হয়ে থাকে। সেই জাগরণের ভাষা পরিলক্ষিত হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে। বিশেষ করে কবিতার এক-একটি লাইন যেনো হয়ে উঠে লাখো জনতার উজ্জীবনী শক্তি। যেমনটা ঘটেছিলো নজরুলের বিভিন্ন কবিতায়। নজরুল যেমন তার কবিতার এক একটি শব্দের প্রচ- শক্তিশালী আঘাতে চুরমার করেছিলো কারাগারের লৌহ কপােট। তেমনি দুই শতকের ঘুমন্ত জনতাকে জাগিয়ে তুলেছিলেন কবিতার মোহনীয় শক্তিতে। কবিতায় হ্যামিলিনের বংশীবাদকের ভূমিকায় তিনি অবতীর্ন হয়েছিলেন। আগুন জ্বালিয়েছিলেন সমগ্র ভারতবর্ষের হাড্ডিসার জনতার প্রতিটি রক্ত কণিকায়।



 



ভারতীয় উপমহাদেশে যুগে যুগে রচিত হয়েছে অসংখ্য গণআন্দোলন। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের ন্যায় সমঝোতা বা পরাজয়ের মাধ্যমে সেসব আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটেনি। নীল বিদ্রোহ, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, হাজী শরীয়ত উল্লাহর ফরায়েজি আন্দোলন ইত্যাদি ঘটনার যবনিপাত ঘটেছে রক্তগঙ্গায় ভেসে। বরাবরই এ অঞ্চলের মানুষ অনেকটা আবেগপ্রবণ। ফলে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের প্রগাঢ় অনুভূতির প্রতিফলন ঘটেছে। নকশাল বাড়ি গ্রামের কৃষক আন্দোলন এক্ষেত্রে উল্লেখ করার মতো। বহু দিনের দমন পীড়নে বারুদের মতো হয়ে উঠেছিলো নকশাল বাড়ির কৃষকেরা। সেই বারুদের সমষ্টিতে আগুনের ফুলকি হয়ে ফুটেছিলেন কয়েকজন কবি। অতঃপর সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র ভারতবর্ষে।



 



শহীদ কবি মুরারি মুখোপাধ্যায়ের 'তুমি কৃষক' কবিতায় কবি কৃষক আন্দোলনের দৃপ্ত আহ্বান করেছেন।



'হে কৃষক বিদ্রোহ কর



ঘোরতর বিদ্রোহ



তা না হলে ঘুচিবে না



তোমাদের দুর্গ্রহ'



কবি মণিভূষণ ভট্টাচার্য লিখেছেন,



'রাত্রির দিগন্ত জুড়ে গেয়ে যাবো বিদ্রোহের গান।



পাথর ফাটিয়ে আনবো সশস্ত্র তৃষ্ণার জল।



পাথরে জাগাবো প্রাণ।'



 



চে গুয়েভারার লেখা একটি কবিতার কথা জানা যায়। তিনি লিখেছিলেন,



'দাউ দাউ আগুনে রক্ত



পোঁড়ালে বিপ্লব হয়।



রক্ত পোঁড়া ছাঁইয়ের উর্বর ভূমিতে



প্রতিষ্ঠা পায় সাম্য ও মানবতা।



আগুনে না পোঁড়ালে লোহা গলে না।



রক্ত না দিলে শাষকের ভিত নড়ে না।'



 



একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্যে বুকের তপ্ত রক্ত দিয়ে যে আন্দোলন করেছিলেন ভাষা শহীদেরা সে আন্দোলন একদিনে গড়ে উঠেনি। অজস্র কবিতা বা লেখনী তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলো এই আন্দোলন। সেসব লেখনী শক্তিই অগি্নস্পৃহা জাগিয়ে তুলেছিলো ভাষা বিপ্লবীদের চেতনায়। ফলে গরম রক্ত আর বারুদের ধোঁয়ায় স্নান করে মহিমান্বিত হয়েছিলো বাংলা ভাষা। একুশে ফেব্রুয়ারির আগে ভাষা আন্দোলনকে প্রেরণাদানের জন্যে রচিত কবিতাসমূহ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তেমন একটা সংগ্রহে না থাকলেও পরবর্তীকালে রচিত বহু কবিতার শব্দসম্ভার আজও আমাদেরকে বিপ্লবী চেতনায় উজ্জীবিত করে তোলে। কবি মাহবুব উল আলমের লেখা 'কাঁদতে আসিনি' কবিতাটি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।



'যারা গুলি ভরতি রাইফেল নিয়ে এসেছিলো ওখানে।



যারা এসেছিলো নির্দয়ভাবে হত্যা করার আদেশ নিয়ে।



আমরা তাদের কাছে ভাষার জন্য আবেদন জানাতেও আসিনি আজ।



আমরা এসেছি খুনি জালিমের ফাঁসির দাবি নিয়ে।'



 



একুশ তারিখের প্রেক্ষাপটে নির্মিত দেশের প্রথম শহীদ মিনারটি গুড়িয়ে দেয় পাকবাহিনী। এমন ঘৃণ্য কর্মকা-ের জবাবে কলম ধরেন আলাউদ্দিন আল আজাদ। তাঁর রচিত 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতায় আবারও জ্বলে উঠে ছাত্র জনতা।



'ইটের মিনার ভেঙেছে ভাঙুক। একটি মিনার গড়েছি আমরা চার কোটি কারিগর।



বেহালার সুরে রাঙা হৃদয়ের বর্ণলেখায়।



পলাশের আর রামধনুকের গভীর চোখের তারায় তারায়।



দ্বীপ হয়ে ভাসে যাদের জীবন, যুগে যুগে সেই শহীদের নাম।



এঁকেছি প্রেমের ফেনিল শিলায়, তোমাদের নামে।



তাই আমাদের হাজার মুঠির বজ্র শিখরে সূর্যের মতো জ্বলে শুধু এক শপথের ভাস্কর।'



 



বাঙালির জাতীয় জীবনে সবচেয়ে গৌরবের, সবচেয়ে আবেগের ঘটনা হচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। মাত্র নয় মাসে একটি নিরস্ত্র জাতি একটি উচ্ছৃঙ্খল সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে মরনপণ লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিলো। কতটা বিপ্লবী চেতনায় অনুপ্রাণিত হলে কতগুলো বেসামরিক লোক একটি বর্বর সামরিক বাহিনীর কামানের বিপরীতে বুক পেতে দাঁড়াতে পারে। তা সত্যি অবাক করার মতো বিষয়। বিশ্বের বহু জাতি স্বাধিকারের জন্যে সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বাঙালিদের মতো এমন কালজয়ী গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আর কেউ রচনা করতে পারেনি কোনো কালে। বাঙালিরা পেরেছিলো কারণ এ গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে যুগ যুগান্তরের লৌহমানব, সহস্রাব্দের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যার ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্ব সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে এক মোহনায় মিলিত করেছে। যে মানুষ হৃদয়ের অসীম মমতা দিয়ে বিপ্লবের মোহন বাঁশির সুরে জাগিয়ে তুলেছিলেন শত বছরের নিষ্পেষিত-নিগৃহীত জনতাকে।



 



নির্মলেন্দু গুণ এ মহানায়কের অমর কীর্তির একটা কাব্যিক রূপ দিয়েছেন তাঁর 'স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের কিভাবে হলো' কবিতায়।



"শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,



রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে



অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন



তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল,



হৃদয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার



সকল দুয়ার খোলা। কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?



গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি:



'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,



এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।'



সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।"



মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালেই পাকিস্তানী পতাকাকে প্রত্যাখ্যান করে উত্তোলিত হয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতীক লাল-সবুজ পতাকা। মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের কবিতায় সেই লাল-সবুজ পতাকা হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাস ও স্বপি্নল সোনার বাংলার প্রতীক :



"আবার বুকের রক্তে বাংলার শ্যামল প্লাবিত;



যেনো কোনো সবুজাভা নেই আর,



সকল সবুজে ছোপ ছোপ লাল রক্ত,



আর সেই সবুজের বক্ষদীর্ণ রক্তের গোলকে সোনার বাংলার ছবি,



মুহূর্তে পতাকা ভেসে উঠে দোদুল বাতাসে।" (জার্নাল ১ : তেইশে মার্চ ১৯৭১)



 



ছাবি্বশে মার্চ থেকেই শুরু হয়েছিলো প্রতিরোধ আন্দোলন। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যাতে এগিয়ে যেতে না পারে সেজন্যে পথে পথে তৈরি হয়েছিলো ব্যারিকেড। আওয়ামী লীগ কর্মী ও ছাত্র-যুবা থেকে শুরু করে সাধারণ বালকও যুক্ত হয়েছিলো সেই প্রতিরোধ সংগ্রামে। শহীদ কাদরীর কবিতায় তা পেয়েছে প্রতীকী ব্যঞ্জনা :



"মধ্য দুপুরে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একটা তন্ময় বালক;



কাঁচ, লোহা, টুকরো ইট, বিদীর্ণ কড়ি-কাঠ,



এক ফালি টিন, ছেঁড়া চট, জংধরা পেরেক জড়ো করলো এক নিপুণ;



ঐন্দ্রজালিকের মতো যতনে রাখে



এবং অসতর্ক হাতে কারফিউ শুরু হবার আগেই;



প্রায় অন্যমনস্কভাবে তৈরি করলো কয়েকটা অক্ষর : 'স্বা-ধী-ন-তা'।"



পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে অবরুদ্ধ স্বদেশে আত্মগোপনরত জীবনে শামসুর রাহমান দেখেছেন দখলদার বাহিনীর নির্মম বর্বরতা; দেখেছেন হত্যা ও ধ্বংসের মুখে বিপন্ন মানুষের অসহায় আকুতি। উজাড় হওয়া গ্রাম-গ্রামান্তরের ভয়াবহ শূন্যতার হাহাকার কবিহৃদয়কে করেছে রক্তাক্ত। সেই দুঃসময়ের অনুভূতিগুলো আভাসিত হয়েছে তাঁর বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থে। কবি যেনো জানেন, স্বাধীনতা আমাদের জীবনে এক অনিবার্য ঘটনা। এ অনিবার্যতাকে কবি উচ্চারণ করেন দৃপ্ত প্রত্যয়ে।



"পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে জ্বলন্ত ঘোষণার ধ্বনি-প্রতিধ্বনি তুলে;



নতুন নিশান উড়িয়ে, দামামা বাজিয়ে দিগ্বিদিক;



এই বাংলায়,



তোমাকে আসতেই হবে হে স্বাধীনতা।"



 



শামসুর রহমান স্বাধীনতাকে দেখেছেন আবহমানকালের বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, স্বপ্ন আর সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে। তা কেবল বাংলার প্রকৃতির হৃদয়গ্রাহী সৌন্দর্যের মোহাঞ্জন মাখানো আলপনা নয়, এই স্বাধীনতা শিশু-কিশোর, যুবা-বৃদ্ধ, ছাত্র-শ্রমিক, জেলে-চাষী সবার সোনালি স্বপ্নের ফসল। তেমনই ব্যাঞ্জনা করেছেন তিনি 'স্বাধীনতা তুমি' কবিতায়।



"স্বাধীনতা তুমি



রবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান।



স্বাধীনতা তুমি



কাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো



মহান পুরুষ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে কাঁপা।



স্বাধীনতা তুমি



শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা।



স্বাধীনতা তুমি



পতাকা-শোভিত সস্নোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল।



স্বাধীনতা তুমি



মজুর যুবার রোদে ঝলসিত দক্ষ বাহুর গ্রন্থিল পেশী।



স্বাধীনতা তুমি



অন্ধকারের খাঁ খাঁ সীমান্তে মুক্তিসেনার চোখের ঝিলিক।



স্বাধীনতা তুমি



বাগানের ঘর, কোকিলের গান, বয়েসী বটের ঝিলিমিলি পাতা।



যেমন ইচ্ছে লেখার আমার কবিতার খাতা।"



 



বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধ্যে এসে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কয়েকটি আন্দোলন হয়েছিলো। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। সেই আন্দোলনে নূর হোসেনের মতো বিপ্লবী সৈনিক প্রাণ দিয়েছিলো। সেসব আন্দোলনে বিপ্লবী জনতা সামরিক জান্তার বাঁধার দেয়াল কাগজের মতো ছিঁড়ে দিয়ে পঙ্গপালের মতো ছুটে যেতো। তখন জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিলো বলেই সেনা শাসকদের নাগপাশ ছিন্ন করা সম্ভব হয়েছিলো।



 



সে সময় প্রতিটি সভা-সমাবেশে বিভিন্ন কবির লেখা জাগরণী কবিতা পাঠ করা হতো। সেসব কবিতায় ফুটে উঠতো নিগৃহীত জনতার ভারাক্রান্ত প্রাণের নিদারুন অভিব্যাক্তি। থাকতো অকুতোভয় সংগ্রামের অনিমেষ প্রেরণা। কবিতার লাইনগুলো যেনো গগনবিদারী মিছিল হয়ে রাজপথ কাঁপিয়ে তুলতো।



কিছুদিন আগে একাত্তরের মানবতাবিরোধীদের বিচারের দাবিতে ছাত্র-জনতার একটি আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিলো শাহবাগে। যা গণজাগরণ মঞ্চ নামে পরিচিত। সেই আন্দোলনটিও দানা বেঁধেছিলো অনেক কবিতার পঙক্তির রেশ ধরে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ কবিতার ছন্দে রণনৃত্যে মেতে উঠতো। ক্রমে সেই আন্দোলনও দুর্বার গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,২৩,৪৫৩ ১,৬২,২০,৯০০
সুস্থ ১,২৩,৮৮২ ৯৯,২৩,৬৪৩
মৃত্যু ২,৯২৮ ৬,৪৮,৭৫৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮২৪০৩৮
পুরোন সংখ্যা