চাঁদপুর, শনিবার ১৩ জুলাই ২০১৯, ২৯ আষাঢ় ১৪২৬, ৯ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৬। যখন বৃক্ষটি, যদ্বারা আচ্ছাদিত হইবার তদ্বারা ছিল আচ্ছাদিত,


১৭। তাহার দৃষ্টি বিভ্রম হয় নাই, দৃষ্টি লক্ষ্যচ্যুতও হয় নাই।


১৮। সে তো তাহার প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলি দেখিয়াছিল;


 


 


 


শূন্য ভিক্ষা পাত্রের মতো ভারি জিনিস জগতে আর কিছুই নেই।


-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


 


 


ধর্মের পর জ্ঞানের প্রধান অংশ হচ্ছে মানবপ্রেম আর পাপী পুণ্যবান নির্বিশেষে মানুষের মঙ্গল সাধন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এ কেমন ভালোবাসা
সজীব খান
১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভালোবাসার জন্যে, ভালোবাসার মানুষের জন্য, নিজের প্রেম, ভালোবাসাকে অমর করে রাখার জন্যে এ নশ্বর পৃথীবিতে অনেকেই অনেক কিছু করেছেন। চ-িদাস ভালোবাসার মানুষের জন্য একযুগ বরশি বেয়েছেন। সম্রাট শাহজাহান নিজের প্রিয়তমার জন্য আগ্রায় করেছেন তাজমহল। জুলেখার প্রেমে ইউসুফ নবী হাবুডুবু খেয়েছেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস এসেছে, তাও প্রেমিক যুগলের ভালোবাসার আত্মহননের মধ্য দিয়ে। এরকম অসংখ্য প্রেম ভালোবাসা ইতিহাস হয়ে আছে আমাদের মাঝে।



সমপ্রতি এক নারীর জন্যে প্রকাশ্যে স্বামীকে কুপিয়ে জখম, বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসী নয়ন বন্ড নিহত, কয়েকজন সহযোগী আটক হয়েছে। এসব ঘটনা কি প্রেমের আলামত? নাকি অন্য কিছু? কোনটা ভালোবাসা? রিফাতের? নয়ন বন্ডের? সহযোগী বন্ধুদের নাকি দুই ডালার এক শিকড়ের? ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, করবেও না। রিফাত শরীফ নিহত, নয়ন বন্ড র‌্যাবের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে নিহত।



স্ত্রী স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা, দাঁড়িয়ে কিছু দর্শনার্থীর ঘটনাটি উপভোগ। রিফাত শরীফ বাবা-মায়ের একমাত্র ছেলে। বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ, এমন দৃশ্য কার কাছে কাম্য! এর নেপথ্যে পর্দার আড়ালে কে খলনায়কের ভূমিকায় আছে তা জানা দরকার। কেউ না কেউ অবশ্যই থাকতে পারে এমনটা অনেকের মনে হচ্ছে। সত্যিকারের ভালোবাসার জয় সবসময় হয়। কিন্তু এই নির্মম ঘটনায় কার জয় হয়েছে সময়ের ব্যবধানে নিশ্চিতই বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল।



প্রকৃত ভালোবাসা কখনো হারে না। জিৎ হয় প্রকৃত ভালোবাসার। আজ কাঁদছে রিফাতের বাবা-মা, তাদের চিরবিদায়ে কে দিবে কবরে মাটি, কে ধরবে শেষ বিদায়ের পালকি? অনেক আশা স্বপ্ন নিয়ে রিফাতকে বড় করেছিল বাবা মা। বিয়ে করিয়ে ছিল ছেলের সুখের আশায়। কিন্তু এ সুখই যে কেড়ে নিবে নিজের নাড়িছেঁড়া ধন বুকের মানিককে_কে জানতো? বিয়ের দু মাসের মধ্যেই রিফাতকে লাশ হতে হবে, মেহেদীর রং মুছতে না মুছতেই রিফাত চলে গেলো না ফেরার দেশে। সাদা শাড়ি পরতে হলো স্ত্রী আয়শা আক্তার মিনি্নকে।



প্রেম ভালোবাসা চিরদিন। আর সত্য অমর। যতদিন এ পৃথিবী থাকবে ততদিন ভালোবাসা থাকবে। এখন প্রশ্ন মিনি্নর ভালোবাসা নিয়ে, মিনি্নর ভালোবাসার মাপকাটি করার উপায় কি? সমালোচনা-আলোচনার শেষ নেই মিনি্নর চরিত্র নিয়ে। আমরা সবকিছু আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে ছেড়ে দিতে চাই। আমরা প্রত্যাশা করি, ভালোবাসার নামে এমন নির্মম ঘটনার শিকার কেউ যাতে না হয়।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৪৬৭৬৮
পুরোন সংখ্যা