চাঁদপুর, সোমবার ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৫ ভাদ্র ১৪২৬, ৯ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


৮। এই সম্পদ অভাবগ্রস্ত মুহাজিরগণের জন্য যাহারা নিজেদের ঘরবাড়ি ও সম্পত্তি হইতে উৎখাত হইয়াছে। তাহারা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনা করে এবং আল্লাহর ও তাঁহার রাসূলের সাহায্য করে। উহারাই তো সত্যাশ্রয়ী।


 


 


assets/data_files/web

যে খেলায় কেউ জিততে পারে না সেটাই সবচেয়ে খারাপ খেলা।


-টমাস ফুলার।


 


 


কৃপন ব্যক্তি খোদা হতে দূরে লোকসমাজে ঘৃণিত, দোজখের নিকটবর্তী।


 


 


ফটো গ্যালারি
বৃষ্টিতেও রক্ষা হলো না বাংলাদেশের
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৬:১৩
প্রিন্টঅ-অ+


তুর্থ দিন শেষেই বাংলাদেশের ভাগ্যে পরাজয় লেখা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই চিত্রনাট্য বদলে দেয় বৃষ্টি। পঞ্চম দিন মধ্যাহ্ন বিরতির পরে ২.১ ওভার খেলা হতেই আবার বৃষ্টি এসে যায়। ঝুম ওই বৃষ্টিতেই নাটকের শেষ হবে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু বদলে গেল সেই দৃশ্যপটও। শেষ বিকেলে সূর্য উঁকি দেয়। আড়মোড় ভেঙে আবার মাঠে নামেন খেলোয়াড়-আম্পায়াররা। মান বাঁচাতে অন্তত ১৯ ওভার খেলার লক্ষ্য দেওয়া হয় বাংলাদেশকে। কিন্তু সাকিব-সৌম্যরা সেটাও পারলেন না। বাংলাদেশের বিপক্ষে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২২৪ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিল আফগানিস্তান। এটি নিজেদের তৃতীয় টেস্টে দ্বিতীয় জয় আফগানদের।



বৃষ্টির পর চার উইকেট হাতে নিয়ে শুরু করে বাংলাদেশ। সাকিব-সৌম্য উইকেটে থাকায় বাকি সময়টা বাংলাদেশ কাটিয়ে দিতে পারবে বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু চায়নাম্যান জাহির খানের প্রথম বলেই বাইরের বল তাড়া করে মারতে গিয়ে আউট হন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তিনি ফেরেন ৪৪ রান করে। এরপর সৌম্য এবং মেহেদি মিরাজ প্রায় আট ওভার পাড়ি দেন। কিন্তু মিরাজ ফিরতেই বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ভরসা দেওয়া তাইজুলও ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত সৌম্যকে আউট করে রশিদ খান জয় তুলে নেন।



এর আগে চতুর্থ দিনও তিনবার চট্টগ্রামে বৃষ্টি বাগড়া দেয়। পুরো দিন খেলানও সম্ভব হয়নি। শেষ বিকেলে বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে দিনের খেলা শেষ করে দেওয়া হয়। তবে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শেষ দিন সকাল নয়টা ৩০ মিনিটে খেলা শুরুর সময় দেওয়া হয়। কিন্তু চট্টগ্রামে রাতেই অনেক বৃষ্টি হয়। সকালেও বৃষ্টি হলে বেলা ১টায় ম্যাচ মাঠে গড়ায়। কিন্তু খেলা শুরু হওয়ার স্বস্তি স্থায়ী হয়নি আফগানদের। যদিও শেষ হাসি তারাই হেসেছে।



সিরিজের একমাত্র টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং নেয় আফগানিস্তান। তারা প্রথম ইনিংসে করে ৩৪২ রান। প্রথম আফগান হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরি করেন রহমত শাহ। এছাড়া আসগর আফগান করেন ৯২ রান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানে অলআউট হয়। আফগানিস্তান প্রথম ইনিংসে ১৩৭ রানের লিড পায়। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬২ রানে থামে আফগানরা। লিড ধরা ছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যায়। বাংলাদেশকে লক্ষ্য দেয় ৩৯৮ রানের। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে করতে পারে ১৭৩ রান। আফগান অধিনায়ক রশিদ খান প্রথম ইনিংসে ফিফটি পান। দুই ইনিংসেই পাঁচ উইকেটসহ ১১ উইকেট নেন তিনি।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৪৬৪৩৪
    পুরোন সংখ্যা