চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৪ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। অতএব যে আমার স্মরণে বিমুখ তুমি তাহাকে উপক্ষো করিয়া চল; সে তো কেবল পার্থিব জীবনই কামনা করে।


৩০। উহাদের জ্ঞানের দৌড় এই পর্যন্ত। তোমার প্রতিপালকই ভালো জানেন কে তাঁহার পথ হইতে বিচ্যুত, তিনিই ভালো জানেন কে সৎপথপ্রাপ্ত।


 


assets/data_files/web

যে খেলায় কেউ জিততে পারে না সেটাই সবচেয়ে খারাপ খেলা।


-টমাস ফুলার।


 


 


ঝগড়াটে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট অধিক ক্রোধের পাত্র।


 


 


ফটো গ্যালারি
প্রতিটি মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করব : প্রধানমন্ত্রী
১৮ জুলাই, ২০১৯ ১৪:০৭:০৭
প্রিন্টঅ-অ+


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা খাদ্যের নিরাপত্তা অর্জন করতে পেরেছি। এবার পুষ্টির চাহিদা পূরণ করব। মাছ হচ্ছে পুষ্টির নিরাপদ উৎস।



আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯-এর উদ্বোধনের পর তিনি এ কথা বলেন।



 


তিনি বলেন, নিজের পতিত জলাশয়ে মাছ চাষের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। কোনো একটা জায়গা যেন পড়ে না থাকে। এসব স্থানে মাছ চাষ করলে নিজে খেয়ে বিক্রিও করা যায়। আমরা খাদ্যে, শিক্ষায়, সমৃদ্ধিতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে চাই। মিষ্টি পানির মৎস্য উৎপাদনে আমরা তৃতীয় স্থানে রয়েছি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আগামীতে আমরা যেন প্রথম স্থান লাভ করতে পারি, মিষ্টি পানির মৎস্য চাষে আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রথম স্থান অধিকার করার। ভরাট হয়ে যাওয়া জলাশয়গুলোকে উন্মুক্ত করতে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এরই মধ্যে নদীগুলোর ড্রেজিংকাজ আমরা শুরু করেছি। নদী ড্রেজিং করে আমাদের পানির প্রবাহ যাতে বৃদ্ধি পায় এবং পানির ধারণক্ষমতা যাতে বৃদ্ধি পায়, সেদিকেও আমরা কাজ শুরু করেছি।’ তিনি বলেন, নদীমাতৃক বাংলাদেশ। নদীগুলোকে ড্রেজিং করা এবং আমাদের দেশটা যেন কোনোরকম জলবায়ু পরিবর্তন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা, আর সেই সঙ্গে যত বেশি পানির প্রবাহ বাড়বে আমাদের মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে, মানুষের চাহিদা পূরণ হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবনের লেকে মাছের পোনা ছেড়ে দিয়ে মাছ চাষে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। পরিকল্পিতভাবে মাছ উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করা যায়। এ জন্য মাছের উৎপাদন বাড়ানোর এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন মৎস্য বিদেশে রফতানি করার জন্য আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছি। তিনি বলেন, ‘জাল যার জলা তার’ আমরা এর ভিত্তিতে জেলেদের বিভিন্ন জলাশয় বরাদ্দ দিচ্ছি। সেখানে তারা মৎস্য উৎপাদন করে আমাদের চাহিদা মেটাচ্ছে। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আমরা বাগেরহাটে চিংড়ি গবেষণা, চাঁদপুর, সিরাজগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেছি। যেন মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, সে জন্য হাওরে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ মানুষ মৎস্য খাত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে উল্লেখ করে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। এর আগে দেশের মৎস্য উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখায় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে জাতীয় মৎস্য পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ২৩৮৬২
    পুরোন সংখ্যা