চাঁদপুর। রোববার ১১ নভেম্বর ২০১৮। ২৭ কার্তিক ১৪২৫। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৭। যখন মারইয়াম-তনয়ের দৃষ্টান্ত উপস্থিত করা হয়, তখন তোমার সম্প্রদায় তাহাতে শোরগোল আরম্ভ করিয়া দেয়,


৫৮। এবং বলে 'আমাদের উপাস্যগুলি শ্রেষ্ঠ না 'ঈসাৎ' ইহারা কেবল বাক-বিত-ার উদ্দেশ্যেই তোমাকে এই কথা বলে। বস্তুত ইহারা তো এক বিত-াকারী সম্প্রদায়।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


সেই সবচেয়ে সুখী যে নিজের দেশকে ভালোবাসতে পারে। -জে.জে. ভেড।


 


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে মোস্তফা হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
১১ নভেম্বর, ২০১৮ ২০:০৯:৪০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জ উপজেলার ভাটেরহদ গ্রামের মোস্তফা কামাল হত্যা মামলায় দুই আসামী পিতা তাহের ও পুত্র সোহাগকে যাবজ্জীবন কারাদ-, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অপর ৩ আসামী হারুন, কাশেম ও আবুল খায়েরকে ৫ বছর করে কারাদ-, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত।

 ১১ নভেম্বর রোববার দুপুর ১টায় চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এই রায় দেন। হত্যার শিকার মোস্তফা কামাল ওই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। সে পেশায় একজন ল্যাব টেকনিশিয়ান ছিলেন। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত আবু তাহের ওই গ্রামের লুৎফুর রহমানের ছেলে এবং সোহাগ আবু তাহেরের ছেলে।

৫ বছর কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী একই এলাকার হারুনুর রশিদ মৃত জামাল হকের ছেলে মোঃ আবুল কাশেম ও আবুল খায়ের লুৎফুর রহমানের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জমি সংক্রান্ত বিবাধে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তফা কামালকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে ঢাকায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৪ অক্টোবর ভোর ৫টার দিকে মারা যায়।

এই ঘটনায় ৪ অক্টোবর নিহতের চাচা নূরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঘটনার সাথে জড়িত উল্লেখিত আসামীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশিদ তদন্তশেষে ২০১৬ সালের ২৪ জানুয়ারি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর মোঃ আমান উল্যাহ জানান, দীর্ঘদিন মামলাটি চলমান অবস্থায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত। আসামীদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যপ্রমাণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত উপরোক্ত রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহমেদ অভি।





 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ১০১০০৯৬
    পুরোন সংখ্যা