চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০১৮। ৩০ শ্রাবণ ১৪২৫। ২ জিলহজ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৩। এতে সন্দেহ নেই যে, তোমরা আমাকে যার দিকে দাওয়াত দাও, ইহকালে ও পরকালে তার কোন দাওয়াত নেই! আমাদের প্রত্যাবর্তন আল্লাহর দিকে এবং সীমা লঙ্ঘনকারীরাই জাহান্নামী।

৪৪। আমি তোমাদেরকে যা বলছি, তোমরা একদিন তা স্মরণ করবে। আমি আমার ব্যাপার আল্লাহর কাছে সমর্পণ করছি। নিশ্চয়ই বান্দারা আল্লাহর দৃষ্টিতে রয়েছে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


মনের বেদনা দৈহিক বেদনা থেকে আরও খারাপ।                           


-সাইরাস।


ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্যে সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে লাথি মেরে ভাবীকে হত্যা ॥ যাবজ্জীবন কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
১৪ আগস্ট, ২০১৮ ২০:১১:৪৬
প্রিন্টঅ-অ+


 শাহরাস্তি উপজেলার পাথৈর এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের স্ত্রী খোদেজা বেগম (৩৮)কে হত্যার অপরাধে দেবর মোঃ মহরম আলীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। গত মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এই রায় দেন। হত্যার শিকার খোদেজা বেগম পাথৈর গ্রামের কলওয়ালা বাড়ির কৃষক মোঃ ইউনুছ মিয়ার স্ত্রী। আর কারাদ-প্রাপ্ত মহরম আলী ইউনুছ মিয়ার ছোট ভাই। তার পিতার নাম মৃত লুৎফর রহমান ওরপে আম্মর আলী।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১২ সালের ২২ মে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিহত খোদেজা বেগমের সাথে গায়ে মাখা সাবান নিয়ে তার ননদ নেহার আক্তারের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় বাড়িতে থাকা খোদেজার দেবর মহরম আলী ক্ষীপ্ত হয়ে তার তলপেটে সজোরে লাথি মারে। এতে খোদেজা বেগম অজ্ঞান হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে খোদেজার স্বামী ইউনুছ মিয়া ফসলি জমির কাজ থেকে বাড়িতে এসে দেখেন স্ত্রী মাটিতে শোয়ানো অবস্থায় রয়েছে এবং বাড়িতে বহু মানুষের ভীড়। তিনি তাৎক্ষণিক পার্শ^বর্তী খিলাবাজার থেকে পল্লী চিকিৎসক বাবুল দাসকে বাড়িতে এনে তার স্ত্রীকে দেখান। ওই পল্লী চিকিৎসক খাদিজা বেগমকে দেখে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় কৃষক ইউনুছ মিয়া ওইদিনই শাহরাস্তি থানায় ছোট ভাই মোঃ মহরম আলীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মহরমকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান ওই বছর ৩১ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর জানান, এপিপি অ্যাডভোকেট মোক্তার আহম্মেদ অভি মামলাটি দীর্ঘ ৫ বছর চলমান অবস্থায় ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। সাক্ষ্য ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামীর উপস্থিতিতে বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আলহাজ¦ মোঃ ইকবাল-বিন-বাশার।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫৪৪২৪
    পুরোন সংখ্যা