চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৩ এপ্রিল ২০১৮। ২০ চৈত্র ১৪২৪। ১৫ রজব ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন


৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭৭। মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি বীর্য থেকে? অতঃপর তখনই সে হয়ে গেল প্রকাশ্য বাকবিত-াকারী।


৭৮। সে আমার সম্পর্কে এক অদ্ভুত কথা বর্ণনা করে, অথচ সে নিজের সৃষ্টি ভুলে যায়। সে বলে কে জীবিত করবে অস্থিসমূহকে যখন সেগুলো পচে গলে যাবে?


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


সাধারণ বুদ্ধিটা অতবেশি সাধারণ নয়


-ভলতেয়ার।


 


 


 


 


 


 


 


ধনদৌলত ফিরিয়া আসে এবং একটি শুধু কর্মই সঙ্গে থাকে।


 


 


ফটো গ্যালারি
মতলবে দাদীকে হত্যার দায়ে নাতির মৃত্যুদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
০৩ এপ্রিল, ২০১৮ ১৮:৪৯:১২
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচরে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল সেট চুরি করে আপন দাদী করফুল বেগম (৭৫)কে শ^াসরোধ করে হত্যার অপরাধে নাতী মোঃ মোখলেছুর রহমান (২৫)কে মৃত্যুদ- ও চুরির ঘটনায় আরো ৩ বছরের সশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ৩ এপ্রিল দুপুর ২টায় চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমেদ এই রায় দেন। মৃত্যুদ-প্রাপ্ত মোখলেছুর রহমান মতলব উত্তর উপজেলার ছেঙ্গারচর এমএম কান্দির আব্দুর রশিদ প্রধানীয়ার ছেলে। হত্যার শিকার করফুল বেগম মৃত রমিজ উদ্দিন ওরফে রঙ প্রধানীয়ার স্ত্রী।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, করফুল বেগম তার নাতনি ‘ইতি’র সাথে প্রতিরাতে ঘুমাতেন। ইতি না থাকার কারণে ঘটনার রাত ২০১৪ সালের ৪ মে মোখলেছুর রমহান দাদীর সাথে ঘুমান। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার সময় দাদীর সাথে থাকা স্বর্ণালঙ্কার ও একটি নোকিয়া মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় মোখলেছ। একই সময় দাদীকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে বাড়ির লোকজন পাশর্^বর্তী কুদ্দুছ প্রধানীয়ার ঘরের সামনে করফুল বেগমের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সংবাদ পেয়ে মতলব উত্তর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেন।

এই ঘটনায় মোখলেছুর রহমানকে সন্দেহ করে করফুল বেগমের আরেক ছেলে আফাজ উদ্দিন প্রধানীয়া ৫ মে মতলব উত্তর থানায় ৩০২/৩৭৯/৪১১ দ-বিধিতে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওইদিনই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মতলব উত্তর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবু হানিফ ২০১৪ সালের ২০ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। আসামী মোখলেছের দেয়া তথ্যানুযায়ী তার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডঃ  মোঃ আমান উল্যাহ জানান, গত ৪ বছর মামলা চলাকালীন সময়ে আদালত ১৩ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১৩ জনেরই সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আসামী মোখলেছুর রহমান তার জবানবন্দীতে অপরাধ স্বীকার করায় তাকে মৃত্যুদ- প্রদান করেন। একই সাথে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অপরাধে আরো ৩ বছরের সশ্রম কারাদ- প্রদান করা হয়। তিনি আরো জানান, আসামী মোখলেছুর রহমানের বিচারচলাকালীন শেষসময়ে ২০১৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে কারারক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে চাঁদপুর জেলা কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে মোখলেছ পলাতক রয়েছেন। এ কারণে আদালত তার বিরুদ্ধে মৃত্যুপরোয়ানাসহ গ্রেফতারী পরোয়ানার নির্দেশ প্রদান করেছেন।

সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন মোক্তার আহমেদ এবং আসামী পক্ষে সরকারনিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন মোঃ জয়নাল আবেদীন।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫০১৪৪০
    পুরোন সংখ্যা