চাঁদপুর। বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০১৭। ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২-সূরা সেজদাহ 


৩০ আয়াত, ৩ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৯। বলো, ফয়সালার দিনে কাফিরদের ঈমান আনয়ন উহাদের কোনো কাজে আসিবে না এবং উহাদিগকে অবকাশও দেওয়া হইবে না। 


৩০।  অতএব তুমি উহাদিগকে অগ্রাহ্য করো এবং অপেক্ষা করো, উহারাও অপেক্ষা করিতেছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

সংসারে যে সবাইকে আপন ভাবতে পারে, তার মতো সুখী নেই।              -গোল্ড স্মিথ।


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় ইমামকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
২৯ নভেম্বর, ২০১৭ ২১:১২:৫৫
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়া উপজেলার শিলাস্থান গ্রামে মসজিদের ইমাম শাহ আলম ওরফে সাহেব আলীকে হত্যার অপরাধে মোঃ রনি সরকার (২৪)কে যাবজ্জীবন কারাদ- এবং একই সাথে ২ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করেছে আদালত। গতকাল বুধবার দুপুরে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ সালেহ উদ্দিন আহমদ এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত মোঃ রনি কচুয়া শিলাস্থান গ্রামের সরকার বাড়ির শাহজাহান ক্বারীর ছেলে। হত্যার শিকার শাহআলম ওরফে সাহেব আলী একই বাড়ির ওমেদ আলী সরকারের ছেলে। তিনি স্কুলের পাশে  মসজিদে ইমামতি করতেন এবং শিলাস্থান মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মক্তবের শিক্ষক ছিলেন। সাহেব আলী সম্পর্কে আসামীর জেঠাত ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৬টায় শাহআলম ওরফে সাহেব আলী স্থানীয় মধ্যপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় শিশুদেরকে পাঠদান করছিলেন। ওই সময় শিশুদের সামনে মাদ্রাসায় প্রবেশ করে রনি সরকার তার সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে সাহেব আলীর পেটে আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই সাহেব আলীর মৃত্যু হয়। শিশুরা চিৎকার করলে শিক্ষক ও মোয়াজ্জিন আবু সাইদসহ স্থানীয় লোকজন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। ওইদিনই সাহেব আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম রনি সরকারকে আসামী করে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের আত্মীয় হারুনুর রশিদ বলেন, সাহেব আলীর কন্যা হাসিনা আক্তারকে রনি সরকার বিভিন্ন সময় কুপ্রাস্তব ও বিয়ের জন্যে চাপ প্রয়োগ করে। সম্পর্কে ভাতিজি হওয়ার কারণে তিনি এ প্রস্তাবে রাজি হননি। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রনি এ ঘটনা ঘটায়।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডঃ মোঃ আমান উল্লাহ ও এপিপি অ্যাডঃ  মোক্তার আহমেদ অভি বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা চৌধুরী একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৩জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামী তার অপরাধ স্বীকার করায় প্যানেল কোডের ১৮৬০-এর ৩০২ ধারায় এ রায় দেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কামাল উদ্দিন। রায় দেয়ার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন ।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫০৭৮৬৮
    পুরোন সংখ্যা