চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ২৭ এপ্রিল ২০১৭। ১৪ বৈশাখ ১৪২৪। ২৯ রজব ১৪৩৮
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। মূসা-জননীর অন্তরে আমি ইঙ্গিতে নির্দেশ করিলাম, ‘শিশুটিকে স্তন্য দান করিতে থাক যখন তুমি তাহার সম্পর্কে কোন আশঙ্কা করিবে তখন ইহাকে দরিয়ায় নিক্ষেপ করিও এবং ভয় করিও না, দুঃখ করিও না। আমি অবশ্যই ইহাকে তোমার নিকট ফিরিয়া দিব এবং ইহাকে রাসূলদের একজন করিব।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সঙ্গ দোষেই মানুষ খারাপ হয়।       -প্রবাদ। 


                       


 


যার হৃদয়ে বিন্দু পরিমাণ অহঙ্কার আছে সে কখনো বেহেস্তে প্রবেশ করতে পারবে না।    


 

ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন ও জরিমানা
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
২৭ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:২২:৪৪
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার উত্তর বালিয়া গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধে সফিক গাজী (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার দায়ে ৫জনের যাবজ্জীবন কারাদ- এবং প্রত্যেক আসামীকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত। গতকাল  বুধবার (২৬ এপ্রিল) বেলা ২টায় এ রায় দেন চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ মোঃ সালেহ উদ্দিন আহমদ। নিহত সফিক গাজী সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের দক্ষিণ রাঘুনাথপুর গ্রামের খোকন গাজীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন। ঘটনার পাঁচ বছর পর এ রায় দেয়া হলো।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছে : উত্তর বালিয়া গ্রামের কলিমুল্লাহ মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন মিজি (৪৮), নূর হোসেন মিজির ছেলে মজিবুর হোসেন মিজি (৪২), নাজির মিজি (৩৫), বাবুল মিজি (৩২) ও মজিদ মিজি (৪০)। এদের মধ্যে নাজির মিজি পলাতক রয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ ডিসেম্বর সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টায় উত্তর বালিয়া গ্রামে ফরিদ খোকনের বাড়িতে তার চাচা ইয়াকুব ও একই বাড়ির দেলোয়ার মিজির সাথে সম্পত্তিগত বিরোধে ঝগড়া ও মারামারি হয়। তখন সফিক গাজী তাদেরকে থামাতে গেলে তার উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল এনে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে পরদিন ২৪ ডিসেম্বর সফিকের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সফিকের চাচাত ভাই ফরিদ আহম্মেদ বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল বাতেন ভূঁইয়া তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পিপি অ্যাডঃ আমান উল্লাহ জানান, আদালত দীর্ঘ ৫ বছরে ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে উল্লেখিত পাঁচ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৩০২/৩৪ দ- বিধিতে আদালত এ রায় দেন। বাকি ৬ আসামী শাহনেওয়াজ মিজি, বিল্লাল মিজি, সফু মিজি, সালাহউদ্দিন মিজি, হাসান মিজি ও নাছিমা বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদেরকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবীর (পিপির) সহযোগী হিসেবে ছিলেন এপিপি অ্যাডঃ মোক্তার হোসেন অভি। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডঃ  কাজী হাবীবুর রহমান ও  অ্যাডঃ সেলিম আকবর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৩৮৫৮২
পুরোন সংখ্যা