চাঁদপুর, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০১৫ | ৯ ভাদ্র ১৪২২ | ৮ জিলকদ ১৪৩৬
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২০-সূরা : তা-হা


১৩৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহ্র নামে শুরু করছি।


 


৮৩। হে মূসা! তোমার সম্প্রদায়কে পশ্চাতে ফেলিয়া তোমাকে ত্বরা করিতে বাধ্য করিল কিসে? ৮৪। সে বলিল, ‘এই তো উহারা আমার পশ্চাতে এবং হে আমার প্রতিপালক! আমি ত্বরায় তোমার নিকট আসিলাম, তুমি সন্তুষ্ট হইবে এইজন্য।’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সঙ্গীত হল ভাঙ্গা মনের ঔষধস্বরূপ।


-এ. হান্ট।


 


যে ব্যক্তি সর্বদা পবিত্র (হালাল) দ্রব্য ভক্ষণ করে, আমার বিধি অনুসারে চলে এবং মানুষের কোন ক্ষতি করে না, সে বেহেশতবাসী হবে।


  - হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)


 

ফটো গ্যালারি
লেনদেন নিয়ে বাগবিতণ্ডায় চাঁদপুরে মহিলা আওয়ামী লীগ নেতৃকে জবাই করে হত্যা
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
২৪ আগস্ট, ২০১৫ ০১:৩০:৪১
প্রিন্টঅ-অ+
চাঁদপুর শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার ঢালী বাড়িতে চাঁদপুর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ সম্পাদিকা কোহিনুর বেগমকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জবাই করা কোহিনুরের লাশ উদ্ধার করেছে। গতকাল ২২ আগস্ট শনিবার রাত সাড়ে ১০ টায় জবাই করা লাশের খবর শুনে এলাকার মানুষ পুলিশকে অবহিত করে। তাৎক্ষণিক চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এএইচ এনায়েত উদ্দিন পিপিএম সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ওই সময় বাসার ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচে লুকানো অবস্থায় কোহিনুর বেগম (৪০)-এর মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মূল হত্যাকারী নয়ন বেগমের ২ কন্যা স্বপ্না আক্তার তিশা (১৭) ও তন্নী (১৫)কে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে চাঁদপুর মডেল থানায় নিয়ে আসে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানা ওসি তদন্ত আরিচুল হক জানান, রবিবার লাশের ময়না তদন্ত শেষে কোহিনুরের লাশ তার ভাই সহ আত্মীয় স্বজনদের উপস্থিতিতে স্বামী আঃ মান্নান কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা যায়, চাঁদপুর শহরের রহমতপুর আবাসিক এলাকার ঢালী বাড়ির আলী আহমেদ ঢালীর মেয়ে নয়ন বেগম (৩৫)-এর বাসায় কোহিনুরের জবাই করা লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় বাড়ির মালিক নয়ন বেগম ও তার স্বজনদের মধ্যে কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পরপরই নয়ন বেগম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নয়ন বেগম দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ ১৫/১৬টি সমবায় সমিতিসহ বেশ কয়েকজন পুরুষ-মহিলার কাছ থেকে লোনে টাকা নিয়ে সুদের ব্যবসা চালিয়ে যায়। নয়ন বেগম প্রায় এক কোটি টাকার মতো ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রহমতপুর আবাসিক এলাকার ৯০ নাম্বার বাসার কোহিনুর বেগমের কাছ থেকে নয়ন বেশকিছু টাকা লোন নেয়। সে টাকা নেয়ার জন্যে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কোহিনুর বেগম দেনাদার নয়ন বেগমের বাসায় যায়। টাকা নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা সৃষ্টি হলে এক পর্যায়ে নয়ন তাকে বটি দা দিয়ে জবাই করে দরজা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। হত্যার ঘটনা জানাজানি হলে এলাকার শ শ মানুষ ভিড় জমায়। ঘরের দরজা আটকানো দেখে প্রথমত ভেতরে খিল দেয়া ছিলো বলে ধারণা করা হলেও পরে পুলিশ ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। কোহিনুর বেগমকে হত্যা করে নয়ন তার ঘরের ভেতরে খাটের নিচে লুকিয়ে রাখে। কোহিনুরের স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি করতে আসলে সে সুযোগে নয়ন তার ঘরের দরজা আটকিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছেন। নিহত কোহিনুর বেগম রহমতপুর ঢালী বাড়ির সামনের ৯০ নম্বর প্রতীক্ষায় বসবাসরত এমএ মান্নানের স্ত্রী। নিহত কোহিনুর বেগমের তিন ছেলে। তার স্বামী ও বড় ছেলের বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা নয়ন বেগম মোটা অঙ্কের সুদের লোভ দেখিয়ে লোন নেয়। সে টাকা নিয়েই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। ময়না তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর মডেল থানার ওসি তদন্ত আরিচুল হক রবিবার বিকেল ৬ টায় এ প্রতিনিধিকে জানান, মূল হত্যাকারী নয়নী বেগমের সন্ধান পুলিশ জানতে পেরেছে। রাতেই তাকে আটক করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান। এ ঘটনার রহস্য উৎঘাটনের জন্য নয়ন বেগমের শিশু কন্যার স্বপ্না আক্তার তিশা ও তন্নীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় চাঁদপুর শহরে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এএইচএম এনায়েত উদ্দিন পিপিএম জানান, রহমতপুর আবাসিক এলাকার ঢালী বাড়িতে জবাই করা লাশের খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করি। এ ঘটনার মূল আসামীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার দুই শিশু কন্যাকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত মূল হোতাকে ধরা সম্ভব হবে।
খবরটি সর্বমোট 100 বার পড়া হয়েছে
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬০৪৫৩
পুরোন সংখ্যা