চাঁদপুর, শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৩ আশ্বিন ১৪২৭, ২৯ মহররম ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৯-সূরা নাযি 'আত


৪৬ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১৩। ইহা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ,


১৪। তখনই ময়দানে উহাদের আবির্ভাব হইবে।


১৫। তোমার নিকট মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছিয়াছে কি?


১৬। যখন তাহার প্রতিপালক পবিত্র উপত্যকা তুওয়া-য় তাহাকে আহ্বান করিয়া বলিয়াছিলেন,


 


 


assets/data_files/web

সৌভাগ্য এবং প্রেম নির্ভীকের সঙ্গ ত্যাগ করে।


-ওভিড।


 


 


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করে (অর্থাৎ মুসলমান বলে দাবি করে) সে ব্যক্তি যেন তার প্রতিবেশীর কোনো প্রকার অনিষ্ট না করে।


 


ফটো গ্যালারি
দাদার বিরুদ্ধে নাতনিকে ধর্ষণের অভিযোগ
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়ায় বাড়ির সম্পর্কীয় দাদা কর্তৃক দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া শিক্ষার্থী নাতনি (৮) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বাবা একজন দিনমজুর। মেয়েটির স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ আসিবুল আহসান নিশ্চিত করেছেন।



মঙ্গলবার বিকেলে ধর্ষণের শিকার রক্তাক্ত শিশুটিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে রাত ১১টায় চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা সেবিকা কোহিনুর বেগম জানান, ধর্ষণের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আলামতও পাওয়া গেছে।



শিশুর মা জানান, এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিচার চেয়েছে। আমি এলাকার বিচার চাই না। আইন মোতাবেক বিচার চাই। ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তারা আমাদেরকে বাড়ি থেকে আসতে দেয় না। বাধা সৃষ্টি করে বিলম্ব করেছে।



মঙ্গলবার বিকেলে কচুয়া উপজেলার খিলমেহের গ্রামে এই পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটলেও ঘটনাটি প্রকাশ পায় বিলম্বে।



ধর্ষণের শিকার শিশুর মা বলেন, তার শিশুসন্তানকে নিয়ে তিনি টিভি দেখছিলেন। এ সময় একই বাড়ির শিশুর দাদা সম্পর্কের জামাল হোসেন মিজি (৬০) ঘরের বাইরে থেকে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছিলো। এক পর্যায়ে দাদা জামাল মিজি শিশুটিকে ললিপপ কিনে দিবে বলে ডাকতে থাকে। শিশুটি তার মাকে বলে, দাদার সাথে ললিপপ আনতে যাবো মা? এ সময় সরল মনে শিশুর মা বলে, যাও।



দাদা জামাল মিজি শিশুটিকে দোকানে না নিয়ে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বাড়িতে চলে যেতে বলে। রক্তাক্ত জখম ও রক্তঝরা অবস্থায় শিশুটি একা ঘরে ফিরে এসে কান্নাকাটি করে ও মায়ের নিকট ঘটনা প্রকাশ করে।



জামাল মিজি ৬ ছেলে ও ৩ মেয়ের জনক। তার স্ত্রী আয়েশা বেগম ও পরিবারের অন্যরা বিষয়টি মীমাংসার জন্যে শিশুকে চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে না আনার জন্যে বাধা দিয়ে দুই ঘণ্টা বিলম্ব করেছে বলে শিশুটির মা জানান।



কচুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ ওয়ালীউল্লাহ্ জানান, এ ব্যাপারে বুধবার রাতে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে (মামলা নং-১৪)। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোনো ছাড় হবে না।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫১০৮৩
পুরোন সংখ্যা