চাঁদপুর, শনিবার ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭, ১৯ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭১-সূরা নূহ্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৬। নূহ আরও বলিয়াছিল, 'হে আমার প্রতিপালক! পৃথিবীতে কাফিরগণের মধ্য হইতে কোন গৃহবাসীকে অব্যাহতি দিও না।


২৭। তুমি উহাদিগকে অব্যাহতি দিলে উহারা তোমার বান্দাদিগকে বিভ্রান্ত করিবে এবং জন্ম দিতে থাকিবে কেবল দুষ্কৃতকারী ও অধিকার।


 


 


 


মৌনতা নিরপেক্ষতার উত্তম পন্থা।


-শ্যামলচন্দ্র দত্ত।


 


 


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, তিনিই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।


 


 


রক্তশূন্যতার রোগীকে রক্ত দিলেন জীবনদীপের উপদেষ্টা সদস্য ডিকে মৃদুল
'রক্তদানের চেয়ে বড় কোনো দান হতে পারে না'
১১ জুলাই, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


রক্তশূন্যতায় ভুক্তভোগী রোগীকে বি পজিটিভ রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করলেন অনলাইন রক্তদাতা গোষ্ঠী মানব উন্নয়ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান জীবনদীপের উপদেষ্টা সদস্য, চাঁদপুর ই-হক কোচিং সেন্টারের পরিচালক ডিকে মৃদুল। গত ৭ জুলাই সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের বেলভিউ হাসপাতালে রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত মরহুম খলিলুর রহমানের স্ত্রী লজ্জেতুর নেছা (৯৫) কে স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে সহায়তা করেন। উপস্থিত ছিলেন জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার, জীবনদীপের পরিচালক বৈভব মজুমদার, মৈশাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরঞ্জিত কর ও সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম হোসেন টিটু।



জীবনদীপ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অসহায়-দুঃস্থদের মাঝে স্বেচ্ছায় রক্ত সংগ্রহ, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ে কাজ করে আসছেন। আর এ কাজে জীবনদীপের যে ক'জন সদস্য রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ডিকে মৃদুল। মুমূর্ষু অবস্থায় কোনো মানুষের প্রয়োজনে একান্তই যদি বি পজিটিভ রক্ত সংগ্রহ করা না যায় তখন স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়ার জন্যে এগিয়ে আসেন এ উদীয়মান যুবক। এভাবে রক্ত দিতে গিয়ে জীবনদীপের হয়ে ১৮ হতে ২০ ব্যাগের মতো রক্ত দান করেছেন তিনি। এছাড়া কলেজজীবন থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে রক্তগ্রহণকারীদের প্রয়োজনে প্রিয়জনদের আহ্বানে প্রায় ২৮ হতে ৩০ ব্যাগের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন তিনি। তিনি স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা গর্ব করে বলতে পারি, এদেশে খাবার পানি কিনতে টাকার প্রয়োজন হলেও রক্ত নিতে টাকা লাগে না। এখনো অনেক অনেক মানুষ রয়েছেন যারা স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে পেরে আনন্দ পান। এমনকি রক্ত দিয়ে বিনিময়ে একগ্লাস পানিও গ্রহণ করেন না। রক্তদাতারা অনেক সময় পারলে অসহায় রোগীদেরকে রক্তের ব্যাগের টাকাও দিতে চেষ্টা করেন। অথচ এ সকল রক্তদাতাকে কেউ মনে রাখে না।



তিনি জানান, প্রয়োজনের সময় যদি রক্ত সংগ্রহ করে দিতে পারি, তখন নিজের কাছে খুব ভালো লাগে। ডিকে মৃদুল জানান, বর্তমান করোনা ভাইরাস জনিত কারণে অনেকেই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। কিন্তু জীবনদীপ এ সময়ও স্বেচ্ছায় রক্তদিতে এগিয়ে আসছে। করোনাকালীন সময় আমরা ঘরে বসে থাকি নি। চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে। অর্থ দিয়ে সহায়তা করতে না পারলেও রক্ত দিয়ে সহায়তা করতে চেষ্টা করেছি।



তিনি জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডঃ বিনয় ভূষণ মজুমদার ও পরিচলক বৈভব মজুমদারের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, জীবনদীপ আজ অসহায় মানুষের প্রয়োজনে যেভাবে রক্ত সংগ্রহে এগিয়ে এসেছেন, এভাবে যদি সকলেই এগিয়ে আসেন, তাহলে আমাদের সমাজে রক্তের অভাবে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। রক্তদানের চেয়ে বড় কোনো দান হতে পারে না। সকল সুস্থ মানুষই নির্ভয়ে রক্ত দিতে পারেন নিশ্চিন্তে-নির্ভয়ে।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ২,২৩,৪৫৩ ১,৬২,২০,৯০০
সুস্থ ১,২৩,৮৮২ ৯৯,২৩,৬৪৩
মৃত্যু ২,৯২৮ ৬,৪৮,৭৫৪
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৮৩০৮৩
পুরোন সংখ্যা