চাঁদপুর, শনিবার ৬ জুন ২০২০, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১৩ শাওয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৩৪। এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,


৩৫। অতএব এইদিন সেথায় তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,


৩৬। এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ব্যতীত,


 


 


 


অতিরিক্ত চাহিদাই মানুষের পতনকে ডেকে আনে।


-জন অলকৃট।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কিছু মানুষকে আক্রান্ত করার সাধ্য নেই করোনার : গবেষণা
০৬ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এতদিন ধরে বিশ্বব্যাপী ধারণা ছিল, করোনাভাইরাস যে কারও শরীরে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তবে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে, কিছু মানুষের দেহে করোনা সংক্রমণ করার সাধ্য নেই। অর্থাৎ যেসব মানুষের দেহে ভাইরাসবিরোধী 'টি সেল' রয়েছে তাদের করোনা আক্রান্ত করতে পারবে না।



সমপ্রতি সেল জার্নালে এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। গবেষণায় বলা হয়, বিভিন্ন ধারার ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার কারণে অনেক মানুষের শরীরে ভাইরাসবিরোধী টি সেল তৈরি হয়। এই সেল করোনা রুখে দিতে সক্ষম। বিজ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট সায়েন্স অ্যালার্ট বলছে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই সক্ষমতাকে বলা হয় 'ক্রস-রিয়েক্টিভিটি'।



গবেষণায় মোট ৪০ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ২০ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠেছেন। বাকি ২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে। যারা অন্য কোনও ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়েছিলেন। সেই ২০ জন আক্রান্ত হয়নি।



বিজ্ঞানীরা আরও দাবি করছেন, যাদের শরীরে মৃদু করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল, তাদের শরীরেও এমন কিছু টি সেল এবং অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে, যেগুলো ভবিষ্যতে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করবে।



গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা থেকে সেরে ওঠা ২০ জনের শরীরেই শ্বেত রক্তকণিকা এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতি রয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে যেসব নমুনা নেয়া ছিল, সেগুলোর ৫০ শতাংশের মধ্যেও 'সিডি৪+' নামের 'টি-সেল' পাওয়া গেছে।



গবেষণার সহকারী আলেসান্দ্রো সেটে বলেছেন, 'টি সেল' খুব দ্রুত শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। ভাইরাস শরীরে ছড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও টি সিলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এটিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়।' সূত্র : জাগো নিউজ।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫৭৬০৩
পুরোন সংখ্যা