চাঁদপুর, বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২০, ২৫ চৈত্র ১৪২৬, ১৩ শাবান ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭১-সূরা নূহ্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৬। নূহ আরও বলিয়াছিল, 'হে আমার প্রতিপালক! পৃথিবীতে কাফিরগণের মধ্য হইতে কোন গৃহবাসীকে অব্যাহতি দিও না।


২৭। তুমি উহাদিগকে অব্যাহতি দিলে উহারা তোমার বান্দাদিগকে বিভ্রান্ত করিবে এবং জন্ম দিতে থাকিবে কেবল দুষ্কৃতকারী ও অধিকার।


 


 


 


assets/data_files/web

মৌনতা নিরপেক্ষতার উত্তম পন্থা।


-শ্যামলচন্দ্র দত্ত।


 


 


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, তিনিই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।


 


 


ফটো গ্যালারি
জাতির জনকের অন্যতম খুনি আবদুল মাজেদ গ্রেপ্তার
০৮ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:১৮:২৮
প্রিন্টঅ-অ+


আবদুল মাজেদ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম খুনি আবদুল মাজেদ ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত সোমবার রাতে তাঁকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া ও গণমাধ্যম) মাসুদুর রহমান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আবদুল মাজেদসহ ১২ আসামিকে ২০০৯ সালে মৃত্যুদ-াদেশ দেয়া হয়।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ ও মুহিউদ্দিন আহমেদের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়। রায় কার্যকরের আগে ২০০২ সালে পলাতক অবস্থায় জিম্বাবুয়েতে মারা যান আসামি আজিজ পাশা।

আবদুল মাজেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর এখন পলাতক আছেন পাঁচজন। তাঁরা হলেন খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, এএম রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেম উদ্দিন। আসামিরা সবাই সাবেক সেনা কর্মকর্তা। তারা বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছেন। সরকার তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্যে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ফাঁসি কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের ফাঁসির দ- কার্যকরে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। মঙ্গলবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা জানান।

মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল দুপুরে এই আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর তাকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (ক্যাপ্টেন মাজেদ) বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্র ও হত্যাকা-ের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। ক্যাপ্টেন আবদুল মজিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়ার পর বিচারিক আদালত এবং আপিল আদালত তাকে ফাঁসির দ-ে দ-ায়িত করেন।’

‘এখন ক্যাপ্টেন আবুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এ রায় কার্যকর করা হবে।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় মাজেদ অন্য আসামিদের সঙ্গে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। জিয়াউর রহমান সরকারের আশীর্বাদে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি করেন এই খুনি। এরপর ১৯৯৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার আগেই তখন তিনি আত্মগোপন করেন। সূত্র : অনলাইন।

 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০৫০০৫
পুরোন সংখ্যা