চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬, ২ জমাদউিস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছেলেটির করোনা ভাইরাস নেগেটিভ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী নয়। তথ্য সূত্র: আরএমও ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল। || বৈদ্যনাথ সাহা ওরফে সনু সাহা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় নি : সিভিল সার্জন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬২-সূরা জুমু 'আ


১১ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮। বল, 'তোমরা যে মৃত্যু হইতে পলায়ন কর, সেই মৃত্যু তোমাদের সহিত অবশ্যই সাক্ষাৎ করিবে। অতঃপর তোমরা প্রত্যানীত হইবে অদৃশ্য ও দৃশ্যের পরিজ্ঞাতা আল্লাহর নিকট এবং তোমাদিগকে জানাইয়া দেওয়া হইবে যাহা তোমরা করিতে।'


 


সময় একটা বৃত্তের মতো আমাদের চারিদিকে ঘোরে। -জন হে উড।


 


 


যারা শিক্ষা লাভ করে এবং তদানুযায়ী কাজ করে, তারাই প্রকৃত বিদ্বান।


 


ফটো গ্যালারি
সাতদিনেও সুরাহা হয়নি কোড়ালিয়ার ডিস লাইন বিচ্ছিন্ন করা ঘটনার
গোলাম মোস্তফা
২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


  

চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া এলাকায় রাতের আঁধারে স্থানীয় চিহ্নিত কিছু দুর্বৃত্ত ডিস লাইনের বাক্স খুলে মেশিন ও তার কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও এ ঘটনার কোনো সুরাহা না হওয়ায়  এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র  ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি দিবাগত রাতে চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের শহরের কোড়ালিয়া অংশের ডিস সংযোগের বাক্স ভেঙ্গে সকল মেশিন ও কয়েকটি মহল্লার ডিস লাইনের তার কেটে নিয়ে যায় চিহ্নিত কিছু দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় ডিস ব্যবসায়ীর কয়েক লাখ টাকার যেমনি ক্ষতি হয়েছে, তেমনি এ ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সুরাহা না হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গত ৭ দিনেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন লাইনগুলোতে পুনরায় সংযোগ না দেয়ায় কয়েক হাজার গ্রাহক ও স্থানীয় জনগণ টিভি দেখা থেকে বঞ্চিত রয়েছে। যার ফলে দিন দিন ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী। শুধু তাই নয়, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোড়ালিয়া এলাকায় যে কোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে খুনাখুনি বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা।

এদিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ইন্ধনে গুটিকয়েক চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ এ এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে। এদের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বলতে চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। এদের অপকর্মের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহত হওয়ার ঘটনার নজিরও রয়েছে। তাই যারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যেমনি এলাকাবাসী মুখ খুলছে না, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সাহস পাচ্ছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনাটি যখন ঘটছে তখন কারা এবং কে কে ঘটিয়েছে তাদের সকলকে তারা চিনেছেন। শুধু তাই নয়, এ ঘটনা চলমান অবস্থায় কমিউনিটি পুলিশ উক্ত অঞ্চলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি তাৎক্ষণিক চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশকে জানালে ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে মডেল থানা পুলিশ উপস্থিত হয়। পুরো ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ঘটনায় কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা প্রত্যক্ষ করে।

শুধু ঘটনার পরপরই নয়, ঘটনাস্থালে এরপরও চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ গিয়ে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে আসে। এরপরও ঘটনার ৭ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে নেয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা এবং এলাকাবাসী পায়নি পুনরায় ডিস সংযোগ।

এদিকে ডিসলাইন বিচ্ছিন্ন করার পর থেকে এর সাথে জড়িতরা যেভাবে মহড়া দিচ্ছে এবং তাদের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলছে, এ অবস্থায় খুনাখুনি বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকাবাসী ভীতিকর পরিবেশে দিনযাপন করছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্ক কোড়ালিয়া অংশের মালিক আবুল কালাম আজাদ কালু হাওলাদার কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বিশ্বস্ত একটি সূত্র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, আবুল কালাম আজাদ কালু হাওলাদার এবং তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে। তাই তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাইছেন না।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বসবাস করার স্বার্থে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ, পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ মোঃ নাছির উদ্দিন আহমেদ এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এ বিষয়টি শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১১টার দিকে চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের শহরের কোড়ালিয়া রোড অংশের খামের সাথে লাগানো ডিসের লাইনের সংযোগের ৪টি বাক্স ভেঙ্গে সকল মেশিন ও ডিস লাইনের পুরো কোড়ালিয়ার কয়েকটি মহল্লার লাইনের তার কেটে ছোট ছোট টুকরো করে রাস্তায় ফেলে রাখে কিছু চিহ্নিত দুর্বৃত্ত। এ ঘটনা নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে সংবাদ শিরোনাম হয়। তারপরও ৭দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান হয়নি।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৫৩১
পুরোন সংখ্যা